০৫:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাদ্রাসা ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষককে গণপিটুনি

  • আপডেট: ০৫:২৭:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬
  • 7

সূর্যোদয় ডেস্ক : গাইবান্ধার সাঘাটায় মাদ্রাসার কক্ষে এক শিশু শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের চেষ্টার অভিযোগে শিক্ষক রবিউল ইসলামকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। শুক্রবার (৫ জুন) সকাল ১০টার দিকে সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়ার (ফুটানির বাজার) জামিয়া কারমিয়া দারুল উলুম মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে। ‎প্রত্যক্ষদর্শী মাহাবুর রহমান জানিয়েছেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি আজ সকালে এক শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের চেষ্টা করে। এ সময় ওই শিক্ষার্থীর চিৎকারে ওই শিক্ষককে হাতেনাতে আটক করে তাকে গণপিটুনি দেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ এসে তাকে উদ্ধার করে। ‎স্থানীয়রা জানিয়েছেন, রবিউল ইসলাম প্রায় এক মাস আগে ওই মাদ্রাসায় যোগ দেন। তিনি গাইবান্ধা সদর উপজেলার পুলিশ লাইন এলাকার নুরুল ইসলামের ছেলে। ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় বোনারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার রতন মিয়া বলেছেন, ঘটনাটি শোনার পরে আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্তকে পুলিশে দেওয়ার ব্যবস্থা করি৷ অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক রবিউল ইসলাম গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে বলাৎকারের চেষ্টার কথা স্বীকার করেছেন। শুক্রবার দুপুরে ‎সাঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহাবুবুর রহমান জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তিকে এলাকাবাসী আটকে রেখেছিল। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে পুলিশ ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর দাদা বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন।

সর্বাধিক পঠিত

মাদ্রাসা ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষককে গণপিটুনি

মাদ্রাসা ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষককে গণপিটুনি

আপডেট: ০৫:২৭:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬

সূর্যোদয় ডেস্ক : গাইবান্ধার সাঘাটায় মাদ্রাসার কক্ষে এক শিশু শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের চেষ্টার অভিযোগে শিক্ষক রবিউল ইসলামকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। শুক্রবার (৫ জুন) সকাল ১০টার দিকে সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়ার (ফুটানির বাজার) জামিয়া কারমিয়া দারুল উলুম মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে। ‎প্রত্যক্ষদর্শী মাহাবুর রহমান জানিয়েছেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি আজ সকালে এক শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের চেষ্টা করে। এ সময় ওই শিক্ষার্থীর চিৎকারে ওই শিক্ষককে হাতেনাতে আটক করে তাকে গণপিটুনি দেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ এসে তাকে উদ্ধার করে। ‎স্থানীয়রা জানিয়েছেন, রবিউল ইসলাম প্রায় এক মাস আগে ওই মাদ্রাসায় যোগ দেন। তিনি গাইবান্ধা সদর উপজেলার পুলিশ লাইন এলাকার নুরুল ইসলামের ছেলে। ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় বোনারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার রতন মিয়া বলেছেন, ঘটনাটি শোনার পরে আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্তকে পুলিশে দেওয়ার ব্যবস্থা করি৷ অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক রবিউল ইসলাম গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে বলাৎকারের চেষ্টার কথা স্বীকার করেছেন। শুক্রবার দুপুরে ‎সাঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহাবুবুর রহমান জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তিকে এলাকাবাসী আটকে রেখেছিল। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে পুলিশ ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর দাদা বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন।