চট্টগ্রাম ব্যুরো : || : জুলাই ২০২৪-এর ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে দেশের শীর্ষ রাজনৈতিক নেতা থেকে শুরু করে স্থানীয় প্রভাবশালী নেতাকর্মীদের প্রভাব ও জৌলুস পুরোপুরি ম্লান হয়ে গেছে। ক্ষমতা হারানোর পর প্রায় আওয়ামীলীগনেতার বিলাসবহুল বাংলো, খামারবাড়ি বা গোপন আস্তানাগুলো বর্তমানে পরিত্যক্ত বা ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। সেদিক দিয়ে বিএনপির স্থানীয় নেতাদের হস্তক্ষেপে এখনো সুরক্ষিত রয়েছে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার আওয়ামীনেতা হেলাল নূরীর আলোচিত বাংলো। গত ২০২৪ সালের ৫ আগষ্ঠের পর থেকে বর্তমানে বাংলোটি নিরাপত্তাহীনতার কারণে আজ জনশূন্য। নেতা ও তাদের সহযোগীরা আত্মগোপনে থাকায় বাংলো রক্ষণাবেক্ষণের লোক বা জৌলুসপূর্ণ আয়োজন আর নেই। প্রভাব হারিয়ে অনেক আওয়ামী লীগ নেতা আজ আত্মগোপনে আছেন। এই পটভূমিতে আওয়ামী লীগ নেতা হেলাল নূরীর বালুটিলা বাংলোর মতো স্থাপনাগুলোতেও স্বভাবতই পূর্বের সেই চাকচিক্য, রাজনৈতিক তৎপরতা এবং বিলাসবহুল আমেজ আর নেই। বর্তমানে এই আওয়ামীলীগনেতা দেশ ছেড়ে মার্কিন মুল্লুকে রয়েছেন। এর পরও তার বক্তব্য নেয়ার জন্য হোয়াটসঅ্যাপ এ বেশ কয়েকবার কল ও ক্ষুদে বার্তা দেওয়া হলেও তিনি এর কোন প্রতিক্রিয়া জানাননি।
০৪:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:












