০৪:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শোকযাত্রায় খামেনির কফিনের সঙ্গে ১৪ মাসের নাতনির কফিন

  • আপডেট: ১০:৪২:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬
  • 15

সূর্যোদয় ডেস্ক : || : ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শেষকৃত্য অনুষ্ঠানের সুচনা ৪ জুলাই শনিবার তেহরানে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলায় তিনি নিহত হন। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিলো ৮৬ বছর। ইরান ও ইরাকের বিভিন্ন শহরে ছয় দিনব্যাপী এই শোকযাত্রা ও শেষকৃত্য অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা করা হয়েছে। তাকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে তেহরানের রাস্তায় নেমে এসেছে লাখ লাখ শোকার্ত মানুষ। শনিবার সকালে খামেনির মরদেহ তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা প্রাঙ্গণে আনা হয়। ইসলামি প্রজাতন্ত্রের পতাকায় মোড়ানো কফিনের ওপর রাখা ছিল তার চিরচেনা কালো পাগড়িটি। এই নেতার কফিনের পাশেই রাখা হয়েছিল একই হামলায় নিহত তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের মরদেহ। এর মধ্যে সবচেয়ে হৃদয়বিদারক দৃশ্য ছিল খামেনির ১৪ মাস বয়সী নাতনি জাহরা মোহাম্মাদি-র ছোট কফিনটি। আগামী সোমবার পর্যন্ত খামেনির কফিন তেহরানে রাখা হবে এবং সেখানে একটি শোকমিছিল শহর প্রদক্ষিণ করবে। মঙ্গলবার মরদেহ নেওয়া হবে ইরানের ধর্মীয় কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত কোম শহরে। বুধবার প্রতিবেশী দেশ ইরাকের পবিত্র শহরগুলোতে খামেনির মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে। সবশেষে, আগামী বৃহস্পতিবার উত্তর-পূর্ব ইরানের মাশহাদ শহরে, যা খামেনির জন্মস্থান, সেখানে তাকে দাফন করা হবে।

সর্বাধিক পঠিত

সরকারি অনুষ্ঠানের ব্যানার-বিলবোর্ডে প্রধানমন্ত্রীর ছবি ব্যবহার সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ

শোকযাত্রায় খামেনির কফিনের সঙ্গে ১৪ মাসের নাতনির কফিন

আপডেট: ১০:৪২:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬

সূর্যোদয় ডেস্ক : || : ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শেষকৃত্য অনুষ্ঠানের সুচনা ৪ জুলাই শনিবার তেহরানে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলায় তিনি নিহত হন। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিলো ৮৬ বছর। ইরান ও ইরাকের বিভিন্ন শহরে ছয় দিনব্যাপী এই শোকযাত্রা ও শেষকৃত্য অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা করা হয়েছে। তাকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে তেহরানের রাস্তায় নেমে এসেছে লাখ লাখ শোকার্ত মানুষ। শনিবার সকালে খামেনির মরদেহ তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা প্রাঙ্গণে আনা হয়। ইসলামি প্রজাতন্ত্রের পতাকায় মোড়ানো কফিনের ওপর রাখা ছিল তার চিরচেনা কালো পাগড়িটি। এই নেতার কফিনের পাশেই রাখা হয়েছিল একই হামলায় নিহত তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের মরদেহ। এর মধ্যে সবচেয়ে হৃদয়বিদারক দৃশ্য ছিল খামেনির ১৪ মাস বয়সী নাতনি জাহরা মোহাম্মাদি-র ছোট কফিনটি। আগামী সোমবার পর্যন্ত খামেনির কফিন তেহরানে রাখা হবে এবং সেখানে একটি শোকমিছিল শহর প্রদক্ষিণ করবে। মঙ্গলবার মরদেহ নেওয়া হবে ইরানের ধর্মীয় কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত কোম শহরে। বুধবার প্রতিবেশী দেশ ইরাকের পবিত্র শহরগুলোতে খামেনির মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে। সবশেষে, আগামী বৃহস্পতিবার উত্তর-পূর্ব ইরানের মাশহাদ শহরে, যা খামেনির জন্মস্থান, সেখানে তাকে দাফন করা হবে।