০৬:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দাঁতমারায় মোতালেবের বিরুদ্ধে দখল, চাঁদাবাজি ও তক্ষক ব্যবসার অভিযোগ

  • আপডেট: ০৩:৪১:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬
  • 39

চট্টগ্রাম ব্যুরো : || : চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার দাঁতমারা ইউনিয়নের ৭নং শান্তিরহাট ওয়ার্ডের মেম্বার মোতালেব হোসেন । তার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে ইউনিয়নের সাধারণ মানুষকে নির্যাতন, বিএনপি নেতা-কর্মীদের বাড়ীঘর দখল ও হয়রানীর বিস্তর অভিযোগ রয়েছে। বিগত আওয়ামী লীগ সরকার আমলে মোতালেব মেম্বার ও তার সহোদররা মিলে এলাকায় দীর্ঘদিন ত্রাসের রাজত্ব চালিয়ে এসেছেন। এখন গনপিঠুনিতে মৃত্যুর ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। সম্প্রতি তার ছোট ভাই ছাত্রলীগনেতা ইউসুফ এলাকায় ফিরে আসলে স্থানীয়রা তাকে গনপিঠুনি দেয়। জানাগেছে, মোতালেব মেম্বার ছিলেন একজন বাসের হেলপার ও আন্তজেলা ডাকাত দলের সদস্য। স্থানীয়রা জানান, মোতালেব মেম্বার ছিলেন একজন বাসের হেলপার ও আন্তজেলা ডাকাত দলের সদস্য। মোতালেব নিজেকে বিনা প্রতিন্দ্বন্দিতায় ইউপি সদস্য নির্বাচিত হতে বিগত ইউপি নির্বাচনে তার শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী সাবেক মেম্বার আহমদ ছাফাকে কোন প্রকার গ্রেফতারী পরোয়ানা ছাড়া পুলিশ দিয়ে হয়রানী করে তাকে নির্বাচন থেকে দুরে সরিয়ে দিয়ে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বীতায় ইউপি সদস্যের পদ ভাগিয়ে নেয়। এর পর থেকে মোতালেব মেম্বারের ভাগ্যের চাকা ঘুরে যায়। হয়ে যান বাসের হেলপার থেকে দাঁতমারা ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নং শান্তিরহাট ওয়ার্ডের জনপ্রতিনিধি। এর পর শুরু হয় সরকারী বাগান দখল, চাঁদার জন্য মানুষের উপর অত্যাচার, দেখে দেখে প্রবাসীদের জিম্মি করে টাকা আদায় । তার অত্যাচারে অতিষ্ঠ ভুক্তভোগীরা তাকে খুজে বেড়াচ্ছেন। সুত্র জানায়, গত ২০২৪ সালের ৫ আগষ্ঠের পর এলাকা থেকে পালিয়ে চট্টগ্রাম শহরে অবস্তান করে তক্ষক দিয়ে প্রতারণা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে তিনি তক্ষক ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত।

সর্বাধিক পঠিত

বন্যা মোকাবিলায় চট্টগ্রামের অধিকাংশ উপজেলায় সেনাবাহিনী মোতায়েন

দাঁতমারায় মোতালেবের বিরুদ্ধে দখল, চাঁদাবাজি ও তক্ষক ব্যবসার অভিযোগ

আপডেট: ০৩:৪১:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬

চট্টগ্রাম ব্যুরো : || : চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার দাঁতমারা ইউনিয়নের ৭নং শান্তিরহাট ওয়ার্ডের মেম্বার মোতালেব হোসেন । তার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে ইউনিয়নের সাধারণ মানুষকে নির্যাতন, বিএনপি নেতা-কর্মীদের বাড়ীঘর দখল ও হয়রানীর বিস্তর অভিযোগ রয়েছে। বিগত আওয়ামী লীগ সরকার আমলে মোতালেব মেম্বার ও তার সহোদররা মিলে এলাকায় দীর্ঘদিন ত্রাসের রাজত্ব চালিয়ে এসেছেন। এখন গনপিঠুনিতে মৃত্যুর ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। সম্প্রতি তার ছোট ভাই ছাত্রলীগনেতা ইউসুফ এলাকায় ফিরে আসলে স্থানীয়রা তাকে গনপিঠুনি দেয়। জানাগেছে, মোতালেব মেম্বার ছিলেন একজন বাসের হেলপার ও আন্তজেলা ডাকাত দলের সদস্য। স্থানীয়রা জানান, মোতালেব মেম্বার ছিলেন একজন বাসের হেলপার ও আন্তজেলা ডাকাত দলের সদস্য। মোতালেব নিজেকে বিনা প্রতিন্দ্বন্দিতায় ইউপি সদস্য নির্বাচিত হতে বিগত ইউপি নির্বাচনে তার শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী সাবেক মেম্বার আহমদ ছাফাকে কোন প্রকার গ্রেফতারী পরোয়ানা ছাড়া পুলিশ দিয়ে হয়রানী করে তাকে নির্বাচন থেকে দুরে সরিয়ে দিয়ে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বীতায় ইউপি সদস্যের পদ ভাগিয়ে নেয়। এর পর থেকে মোতালেব মেম্বারের ভাগ্যের চাকা ঘুরে যায়। হয়ে যান বাসের হেলপার থেকে দাঁতমারা ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নং শান্তিরহাট ওয়ার্ডের জনপ্রতিনিধি। এর পর শুরু হয় সরকারী বাগান দখল, চাঁদার জন্য মানুষের উপর অত্যাচার, দেখে দেখে প্রবাসীদের জিম্মি করে টাকা আদায় । তার অত্যাচারে অতিষ্ঠ ভুক্তভোগীরা তাকে খুজে বেড়াচ্ছেন। সুত্র জানায়, গত ২০২৪ সালের ৫ আগষ্ঠের পর এলাকা থেকে পালিয়ে চট্টগ্রাম শহরে অবস্তান করে তক্ষক দিয়ে প্রতারণা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে তিনি তক্ষক ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত।