০২:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হঠাৎ ঝুম বৃষ্টি শুরু, কোরবানির হাটজুড়ে চরম ভোগান্তি।

  • আপডেট: ০১:৪৬:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬
  • 12

সূর্যোদয় ডেস্ক : বৃষ্টির কারণে ঢাকার হাটগুলোতে গরু নিয়ে আসা ব্যাপারীরা চরম বিপাকে পড়েছেন। ঈদ সামনে রেখে ঢাকার কোরবানির পশুর হাটগুলো জমে উঠার মুহুত্তে হঠাৎ ঝুম বৃষ্টি শুরু হলে হাটজুড়ে দেখা দেয় ভোগান্তি। বৃষ্টির কারণে কাদা-পানিতে একাকার হয়ে পড়ে হাটের বেশিরভাগ অংশ। এতে বিপাকে পড়েন পশু নিয়ে আসা ব্যাপারীরা। মঙ্গলবার (২৬ মে) সরেজমিনে শাহজাহানপুর, কমলাপুরসহ বেশ কয়েকটি পশুর হাট ঘুরে দেখা যায়, সকাল থেকেই ক্রেতাদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। কিন্তু দুপুরের প্রবল বৃষ্টির পর ক্রেতাদের একটি বড় অংশ দ্রুত হাট ছেড়ে চলে যান। বৃষ্টির পানিতে হাটের ভেতরে হাঁটাচলা কঠিন হয়ে পড়ে। কোথাও কোথাও পানি জমে গেছে। এতে গরু নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা ব্যাপারীরা পড়েছেন চরম দুর্ভোগে। বৃষ্টির সময় অনেক ব্যাপারী ত্রিপল টাঙিয়ে গরু বাঁচানোর চেষ্টা করেন। কেউ কেউ নিজেদের শরীর ভিজিয়ে গরুকে শুকনো রাখার চেষ্টা করছিলেন। এদিকে, বৃষ্টির মধ্যেও কিছু ক্রেতাকে পশুর হাটে ঘুরে বেড়াতে দেখা যায়। তাদের অনেকে বলছেন, বৃষ্টির কারণে হাটে স্বস্তিতে গরু দেখা যাচ্ছে না। আবার কাদা-পানির কারণে পরিবার নিয়ে চলাফেরাও কষ্টকর হয়ে পড়েছে। হাট সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঈদের আগে রাজধানীর পশুর হাটগুলোতে সাধারণত বিকেল ও সন্ধ্যার দিকে ভিড় বাড়ে। কিন্তু বৃষ্টির কারণে মঙ্গলবার সেই চিত্র অনেকটাই বদলে যেতে পারে। বেচাকেনার গতি কমে যাওয়া আশঙ্কা নিয়েও উদ্বেগ জানিয়েছেন ব্যাপারীরা।

আকাশ অন্ধকার হয়ে শুরু হয় বজ্রবৃষ্টি

হঠাৎ ঝুম বৃষ্টি শুরু, কোরবানির হাটজুড়ে চরম ভোগান্তি।

আপডেট: ০১:৪৬:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬

সূর্যোদয় ডেস্ক : বৃষ্টির কারণে ঢাকার হাটগুলোতে গরু নিয়ে আসা ব্যাপারীরা চরম বিপাকে পড়েছেন। ঈদ সামনে রেখে ঢাকার কোরবানির পশুর হাটগুলো জমে উঠার মুহুত্তে হঠাৎ ঝুম বৃষ্টি শুরু হলে হাটজুড়ে দেখা দেয় ভোগান্তি। বৃষ্টির কারণে কাদা-পানিতে একাকার হয়ে পড়ে হাটের বেশিরভাগ অংশ। এতে বিপাকে পড়েন পশু নিয়ে আসা ব্যাপারীরা। মঙ্গলবার (২৬ মে) সরেজমিনে শাহজাহানপুর, কমলাপুরসহ বেশ কয়েকটি পশুর হাট ঘুরে দেখা যায়, সকাল থেকেই ক্রেতাদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। কিন্তু দুপুরের প্রবল বৃষ্টির পর ক্রেতাদের একটি বড় অংশ দ্রুত হাট ছেড়ে চলে যান। বৃষ্টির পানিতে হাটের ভেতরে হাঁটাচলা কঠিন হয়ে পড়ে। কোথাও কোথাও পানি জমে গেছে। এতে গরু নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা ব্যাপারীরা পড়েছেন চরম দুর্ভোগে। বৃষ্টির সময় অনেক ব্যাপারী ত্রিপল টাঙিয়ে গরু বাঁচানোর চেষ্টা করেন। কেউ কেউ নিজেদের শরীর ভিজিয়ে গরুকে শুকনো রাখার চেষ্টা করছিলেন। এদিকে, বৃষ্টির মধ্যেও কিছু ক্রেতাকে পশুর হাটে ঘুরে বেড়াতে দেখা যায়। তাদের অনেকে বলছেন, বৃষ্টির কারণে হাটে স্বস্তিতে গরু দেখা যাচ্ছে না। আবার কাদা-পানির কারণে পরিবার নিয়ে চলাফেরাও কষ্টকর হয়ে পড়েছে। হাট সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঈদের আগে রাজধানীর পশুর হাটগুলোতে সাধারণত বিকেল ও সন্ধ্যার দিকে ভিড় বাড়ে। কিন্তু বৃষ্টির কারণে মঙ্গলবার সেই চিত্র অনেকটাই বদলে যেতে পারে। বেচাকেনার গতি কমে যাওয়া আশঙ্কা নিয়েও উদ্বেগ জানিয়েছেন ব্যাপারীরা।