চট্টগ্রাম প্রতিবেদক: নবনিযুক্ত অর্থ প্রতিমন্ত্রী ওয়াসিকা আয়শা খান বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শিতায় বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা স্মার্ট বাংলাদেশে রূপান্তর হচ্ছে।
৯ মার্চ শনিবার সকালে আওয়ামী লীগের অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক এবং নবনিযুক্ত অর্থ প্রতিমন্ত্রী ওয়াসিকা আয়শা খান চট্টগ্রামে গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময়ের সময় এ কথা বলেন।
নগরের সার্কিট হাউজে শুভেচ্ছা বিনিময়ের সময় আরো উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পটিয়া আসনের এমপি মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী, উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম এ সালাম, দক্ষিণের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আবদুল কাদের সুজন, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান শিবলী।
অর্থ প্রতিমন্ত্রী শুভেচ্ছা বক্তব্যে বলেন, করোনা মহামারি ও রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবের পরেও আওয়ামী লীগ সরকার সুপরিকল্পিতভাবে দেশ পরিচালনা করছে। জননেত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী চিন্তাধারায় জিডিপি, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি হয়েছে, রপ্তানি আয় বৃদ্ধি হচ্ছে, বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা চলমান আছে। সর্বজনীন পেনশন স্কিম চালু হয়েছে। তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগের ইশতেহারে প্রত্যেকবার অঙ্গীকারের বাস্তাবায়ন আপনারা দেখেছেন। এসব কেবল সম্ভব হয়েছে জননেত্রী শেখ হাসিনার রূপান্তরকারী নেতৃত্বে। তিনি শুধু আমাদের স্বপ্ন দেখান না, বাস্তবায়নের পথ সুগম করে দেন। যার কারণে বাংলাদেশে ২০০৯ কিংবা ২০০৮-এ যা ছিল সেখান থেকে ২০২৪-এ কতটা পরিবর্তন হয়েছে দেশের জনগণ দেখছে আর গণমাধ্যম দেখাচ্ছে। বৈশ্বিক খাদ্য সংকটের মধ্যেও খাদ্য নিরাপত্তা অব্যাহত আছে। প্রধানমন্ত্রী বেশ কয়েক বছর ধরে বলছেন নিজের অল্প জমি থাকলে সেখানেও চাষ করেন। আমাদের দেশের জমির উর্বরতা বেশি। নিজ স্থান থেকে আমরা একটু চেষ্টা করলে খাদ্য উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব এবং নিজের পরিবারের চাহিদা মেটাতে পারে। এছাড়া গত দেড় দশকে যোগাযোগ খাতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন হয়েছে। চট্টগ্রামে বঙ্গবন্ধু টানেল উদ্বোধন এর প্রমাণ। যোগাযোগের পাশাপাশি সাড়ে ৮ লাখ মানুষ ভূমিহীন গৃহহীন পরিবারকে পুনর্বাসিত করা হয়েছে।
ব্যক্তিগতভাবে আমি এই উদ্যোগে অনুপ্রাণিত হয়ে নিজ এলাকায় প্রায় ১১০টি পরিবারকে ঘর নির্মাণ করে দিয়েছি। ওয়াসিকা বলেন, আবাসন খাতে উন্নয়নের পাশাপাশি দেশে ইতিমধ্যে করোনার চতুর্থ ডোজ দেওয়া শুরু হয়েছে বলে জানান অর্থ প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, এটা কিন্তু অনেক উন্নত দেশেও সম্ভব হয়নি। কোভিডের সময় উন্নত দেশের আগে আমরা টিকা পেয়েছি এবং বিনামূল্যে পেয়েছি।





















