১১:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫ বছরের পলাতক হত্যাকারী আটক

  • আপডেট: ০৫:১৩:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
  • 24

সূর্যোদয় ডেস্ক : || : শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার দণ্ডপ্রাপ্ত ও দীর্ঘ ৪৫ বছর ধরে পলাতক থাকা অবসরপ্রাপ্ত মেজর মো. মোজাফফর হোসেনকে আটক করেছে গোয়েন্দা ডিবি পুলিশ। পরে তাকে সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়।বৃহস্পতিবার ১৬ জুলাই তাকে আটকের পর প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ জানিয়েছে, দীর্ঘ ৪৫ বছর পলাতক থাকার পর তাকে আটক করা হয়েছে। পরে আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে তাকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বিস্তারিত তথ্য এখনো জানানো হয়নি। আটকের স্থান, অভিযান পরিচালনার প্রেক্ষাপট এবং পরবর্তী আইনি কার্যক্রম সম্পর্কে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত জানানো হলে তা পরে প্রকাশ করা হবে বলে জানানো হয়েছে। এর আগে ১৯৮১ সালের ৩০ মে ভোররাতে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে একদল বিপথগামী সেনা কর্মকর্তা তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে নৃশংসভাবে হত্যা করেন। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান আগের দিন চট্টগ্রামে এসেছিলেন দলের স্থানীয় বিরোধ মেটাতে। এই হত্যার অন্যতম পরিকল্পনাকারী এবং সরাসরি অংশ নেওয়া তৎকালীন সেনা কর্মকর্তাদের মধ্যে মোজাফফর অন্যতম বলে অভিযোগ আছে। অভিযোগ আছে, মোজাফফরই প্রথম জিয়াউর রহমানকে শনাক্ত করেন, তাকে লক্ষ্য করে সরাসরি গুলি চালান। হত্যাকাণ্ডের পর সেনাবাহিনীর অভিযানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। চট্টগ্রাম সেনানিবাসের ২৪ পদাতিক ডিভিশনের তৎকালীন জিওসি মেজর জেনারেল আবুল মঞ্জুরসহ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে মঞ্জুর নিহত হন। বিদ্রোহে জড়িত থাকার অভিযোগে সামরিক আদালতে সেনা কর্মকর্তাদের বিচার করা হয়। ১৩ জন সেনা কর্মকর্তার ফাঁসি কার্যকর হয়। অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে দণ্ড দেওয়া হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, জিয়াউর রহমান হত্যার পর মোজাফফর পালিয়ে যান। তাকে ধরিয়ে দেওয়ার জন্য পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছিল। তিনি ভারতে আত্মগোপনে ছিলেন। একপর্যায়ে তিনি ছদ্মনাম ব্যবহার করে সীমান্ত অতিক্রম করে যাতায়াত করতেন। অবশেষে তিনি প্রশাসনের হাতে ধরা পড়েন।

সর্বাধিক পঠিত

শরিক দলের নেতাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর নৈশভোজ, অংশ নেয়নি ২টি দল

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫ বছরের পলাতক হত্যাকারী আটক

আপডেট: ০৫:১৩:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

সূর্যোদয় ডেস্ক : || : শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার দণ্ডপ্রাপ্ত ও দীর্ঘ ৪৫ বছর ধরে পলাতক থাকা অবসরপ্রাপ্ত মেজর মো. মোজাফফর হোসেনকে আটক করেছে গোয়েন্দা ডিবি পুলিশ। পরে তাকে সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়।বৃহস্পতিবার ১৬ জুলাই তাকে আটকের পর প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ জানিয়েছে, দীর্ঘ ৪৫ বছর পলাতক থাকার পর তাকে আটক করা হয়েছে। পরে আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে তাকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বিস্তারিত তথ্য এখনো জানানো হয়নি। আটকের স্থান, অভিযান পরিচালনার প্রেক্ষাপট এবং পরবর্তী আইনি কার্যক্রম সম্পর্কে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত জানানো হলে তা পরে প্রকাশ করা হবে বলে জানানো হয়েছে। এর আগে ১৯৮১ সালের ৩০ মে ভোররাতে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে একদল বিপথগামী সেনা কর্মকর্তা তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে নৃশংসভাবে হত্যা করেন। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান আগের দিন চট্টগ্রামে এসেছিলেন দলের স্থানীয় বিরোধ মেটাতে। এই হত্যার অন্যতম পরিকল্পনাকারী এবং সরাসরি অংশ নেওয়া তৎকালীন সেনা কর্মকর্তাদের মধ্যে মোজাফফর অন্যতম বলে অভিযোগ আছে। অভিযোগ আছে, মোজাফফরই প্রথম জিয়াউর রহমানকে শনাক্ত করেন, তাকে লক্ষ্য করে সরাসরি গুলি চালান। হত্যাকাণ্ডের পর সেনাবাহিনীর অভিযানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। চট্টগ্রাম সেনানিবাসের ২৪ পদাতিক ডিভিশনের তৎকালীন জিওসি মেজর জেনারেল আবুল মঞ্জুরসহ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে মঞ্জুর নিহত হন। বিদ্রোহে জড়িত থাকার অভিযোগে সামরিক আদালতে সেনা কর্মকর্তাদের বিচার করা হয়। ১৩ জন সেনা কর্মকর্তার ফাঁসি কার্যকর হয়। অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে দণ্ড দেওয়া হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, জিয়াউর রহমান হত্যার পর মোজাফফর পালিয়ে যান। তাকে ধরিয়ে দেওয়ার জন্য পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছিল। তিনি ভারতে আত্মগোপনে ছিলেন। একপর্যায়ে তিনি ছদ্মনাম ব্যবহার করে সীমান্ত অতিক্রম করে যাতায়াত করতেন। অবশেষে তিনি প্রশাসনের হাতে ধরা পড়েন।