১১:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাবেক চেয়ারম্যানের হুমকিতে বন্ধ ফটিকছড়ির সুন্দরপুর ইউনিয়নের কার্যক্রম

  • আপডেট: ০১:৫১:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
  • 32

চট্টগ্রাম ব্যুরো : || : চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার ১০ নম্বর সুন্দরপুর ইউনিয়নে ত্রাণ বিতরণকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা চলছে। অভিযোগ উঠেছে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার পর এবার সুন্দরপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান শহিদুল আজম ইউনিয়ন পরিষদের সচিবকেও হুমকি দিয়েছেন। অভিযোগ অনুযায়ী জানাগেছে, সচিবকে ইউনিয়ন পরিষদে না আসার জন্য বলা হয় এবং পরিষদে এলে তাকে মারধরের হুমকি দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনার পর নিরাপত্তাজনিত কারণে ১৬ জুলাই বৃহস্পতিবার ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। ফলে জন্মনিবন্ধন, প্রত্যয়নপত্র, নাগরিক সনদসহ বিভিন্ন জরুরি সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ সেবা না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন। এতে এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, একটি ঘটনার জেরে পুরো ইউনিয়ন পরিষদের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ায় সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। তারা দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে জনসেবা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে ইউনিয়ন পরিষদের সচিবের সঙ্গে একাধিকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে, সাবেক চেয়ারম্যান শহিদুল আজমের বক্তব্যও এই প্রতিবেদনের জন্য পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, বিষয়টি তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং ইউনিয়ন পরিষদের স্বাভাবিক কার্যক্রম দ্রুত চালু করতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।

সর্বাধিক পঠিত

শরিক দলের নেতাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর নৈশভোজ, অংশ নেয়নি ২টি দল

সাবেক চেয়ারম্যানের হুমকিতে বন্ধ ফটিকছড়ির সুন্দরপুর ইউনিয়নের কার্যক্রম

আপডেট: ০১:৫১:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

চট্টগ্রাম ব্যুরো : || : চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার ১০ নম্বর সুন্দরপুর ইউনিয়নে ত্রাণ বিতরণকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা চলছে। অভিযোগ উঠেছে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার পর এবার সুন্দরপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান শহিদুল আজম ইউনিয়ন পরিষদের সচিবকেও হুমকি দিয়েছেন। অভিযোগ অনুযায়ী জানাগেছে, সচিবকে ইউনিয়ন পরিষদে না আসার জন্য বলা হয় এবং পরিষদে এলে তাকে মারধরের হুমকি দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনার পর নিরাপত্তাজনিত কারণে ১৬ জুলাই বৃহস্পতিবার ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। ফলে জন্মনিবন্ধন, প্রত্যয়নপত্র, নাগরিক সনদসহ বিভিন্ন জরুরি সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ সেবা না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন। এতে এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, একটি ঘটনার জেরে পুরো ইউনিয়ন পরিষদের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ায় সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। তারা দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে জনসেবা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে ইউনিয়ন পরিষদের সচিবের সঙ্গে একাধিকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে, সাবেক চেয়ারম্যান শহিদুল আজমের বক্তব্যও এই প্রতিবেদনের জন্য পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, বিষয়টি তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং ইউনিয়ন পরিষদের স্বাভাবিক কার্যক্রম দ্রুত চালু করতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।