Dhaka ০২:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ জুন ২০২৪, ৯ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশের গুলিতে মাদক কারবারি নিহত

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:৫২:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ জুলাই ২০২৩
  • 12

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলায় পুলিশের গুলিতে আইয়ুব নূর (৫০) নামে এক মাদক কারবারি নিহত হয়েছেন। এ সময় পুলিশের ১০ সদস্য আহত হয়েছেন।

২০ জুলাই বৃহস্পতিবার ভোরে উপজেলার পত্তন ইউনিয়নের আদমপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আইয়ুব নূর ওই এলাকার মন্তু মিয়ার ছেলে। তার বিরুদ্ধে পাঁচটি মাদক মামলা রয়েছে। বিজয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাজু আহমেদ বলেন, আদমপুর গ্রামের আইয়ুব নূরের পরিবারের প্রায় সবাই মাদক ব্যবসায়ী। এদের মধ্যে আইয়ুব নূরের নামে পাঁচটি, তার দুই ছেলে আরিফ নূরের নামে পাঁচটি, তোফাজ্জলের নামে ১০টি পুলিশের ওপর হামলা ও মাদক মামলা আছে। আরিফ নূরের বিরুদ্ধে আদালতের গ্রেফতারি পরোয়ানা ছিল।

জানা গেছে, বৃহস্পতিবার ভোরে এসআই সাঈদুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল আরিফকে গ্রেফতার করতে যায়। এ সময় পরিবারের সদস্যরা ডাকাত ডাকাত বলে চিৎকার শুরু করে পুলিশকে চারদিক দিয়ে ঘিরে ফেলে। দেশীয় অস্ত্রসস্ত্রসহ পুলিশের ওপর হামলা করে হ্যান্ডকাফসহ আরিফকে ছিনিয়ে যায়। পুলিশ আত্মরক্ষার্থে রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে। গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন আইয়ুব নূর, সালমা বেগম ও ইমন নামের এক কিশোর। আহতদের ঢাকায় পাঠানো হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর মারা যান আইয়ুব নূর। অপরদিকে মাদক কারবারিদের হামলায় ১০ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।

Tag :
সর্বাধিক পঠিত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশের গুলিতে মাদক কারবারি নিহত

Update Time : ০১:৫২:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ জুলাই ২০২৩

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলায় পুলিশের গুলিতে আইয়ুব নূর (৫০) নামে এক মাদক কারবারি নিহত হয়েছেন। এ সময় পুলিশের ১০ সদস্য আহত হয়েছেন।

২০ জুলাই বৃহস্পতিবার ভোরে উপজেলার পত্তন ইউনিয়নের আদমপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আইয়ুব নূর ওই এলাকার মন্তু মিয়ার ছেলে। তার বিরুদ্ধে পাঁচটি মাদক মামলা রয়েছে। বিজয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাজু আহমেদ বলেন, আদমপুর গ্রামের আইয়ুব নূরের পরিবারের প্রায় সবাই মাদক ব্যবসায়ী। এদের মধ্যে আইয়ুব নূরের নামে পাঁচটি, তার দুই ছেলে আরিফ নূরের নামে পাঁচটি, তোফাজ্জলের নামে ১০টি পুলিশের ওপর হামলা ও মাদক মামলা আছে। আরিফ নূরের বিরুদ্ধে আদালতের গ্রেফতারি পরোয়ানা ছিল।

জানা গেছে, বৃহস্পতিবার ভোরে এসআই সাঈদুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল আরিফকে গ্রেফতার করতে যায়। এ সময় পরিবারের সদস্যরা ডাকাত ডাকাত বলে চিৎকার শুরু করে পুলিশকে চারদিক দিয়ে ঘিরে ফেলে। দেশীয় অস্ত্রসস্ত্রসহ পুলিশের ওপর হামলা করে হ্যান্ডকাফসহ আরিফকে ছিনিয়ে যায়। পুলিশ আত্মরক্ষার্থে রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে। গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন আইয়ুব নূর, সালমা বেগম ও ইমন নামের এক কিশোর। আহতদের ঢাকায় পাঠানো হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর মারা যান আইয়ুব নূর। অপরদিকে মাদক কারবারিদের হামলায় ১০ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।