০৮:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জয়পুরহাটে জিয়াউর রহমানের ছবি না থাকায় হট্টগোল ও উত্তেজনা

  • আপডেট: ০৬:৪৪:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬
  • 19

ডেস্ক রিপোর্ট | সূর্যোদয় : জয়পুরহাটে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের আলোচনা সভার ব্যানারে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ছবি না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিএনপির নেতা-কর্মীরা। এ নিয়ে হট্টগোলের কারণে নির্ধারিত সময়ের প্রায় আধা ঘণ্টা পর সভা শুরু হয়। শনিবার ৭ নভেম্বর সকাল ১০টায় জেলা শিল্পকলা অ্যাকাডেমিতে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এ ঘটনা ঘটে। সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে এ সভা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ব্যানারে জিয়াউর রহমানের ছবি না থাকায় নির্ধারিত সময়ে অনুষ্ঠান শুরু করা যায়নি। বিএনপির নেতা–কর্মীদের ক্ষোভের মুখে জিয়াউর রহমানের ছবি-সংবলিত একটি পোস্টার স্কচটেপ দিয়ে ব্যানারে সাঁটানোর পর অনুষ্ঠান শুরু হয়। প্রত্যক্ষদর্শী ও বিএনপির নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নির্ধারিত সময়ের আগেই অনুষ্ঠানস্থলে আসেন প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী। এ সময় প্রতিমন্ত্রীকে ব্যানারে জিয়াউর রহমানের ছবি না থাকার বিষয়টি জানান বিএনপির নেতা-কর্মীরা। এ কারণে প্রতিমন্ত্রী মঞ্চে ওঠেননি। পরে জেলা প্রশাসক আল–মামুন মিয়াসহ অন্য কর্মকর্তারা মঞ্চে গিয়ে জিয়াউর রহমানের ছবি-সংবলিত একটি পোস্টার স্কচটেপ দিয়ে ব্যানারে সাঁটিয়ে দেন। এরপর প্রতিমন্ত্রী মঞ্চে উঠলে নির্ধারিত সময়ের আধা ঘণ্টা পর আলোচনা সভা শুরু হয়। সভায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের তাৎপর্য নিয়ে বক্তব্য দেন জিয়া পরিষদের জয়পুরহাট পৌর শাখার সাধারণ সম্পাদক মারুফ হাসান। তিনি নিজের বক্তব্যে একাধিকবার তিনি শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘জাতির পিতা’ ও ‘বঙ্গবন্ধু’ বলে সম্বোধন করেন। এ নিয়ে সভাস্থলে হট্টগোল শুরু হয়। এ সময় জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এ কে এম গোলাম মাহফুজ উত্তেজিত হয়ে মঞ্চের ডায়াসের দিকে তেড়ে যান। একপর্যায়ে মারুফ হাসানকে ডায়াস থেকে সরিয়ে দিলে আবার সভা শুরু হয়। এ সময় প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন।‎ এ ঘটনায় অনুষ্ঠানে দুঃখ প্রকাশ করেন জেলা প্রশাসক আল-মামুন মিয়া। ব্যানারে ছবি না থাকার বিষয়ে তিনি বলেন, ইন্টারনেট থেকে ছবি নিয়ে ব্যানারটি তৈরি করা হয়েছিল। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে পুলিশ সুপার শাহনাজ বেগম, সিভিল সার্জন আল-মামুন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলজার হোসেন, জেলা মুক্তিযোদ্ধা দলের নেতা জগলুল আলম প্রমুখ বক্তব্য দেন।

সর্বাধিক পঠিত

বিধিনিষেধের কারণে বাংলাদেশ-সৌদি রুটে সৌদি রুটে ১৮০ ফ্লাইট বাতিল

জয়পুরহাটে জিয়াউর রহমানের ছবি না থাকায় হট্টগোল ও উত্তেজনা

আপডেট: ০৬:৪৪:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬

ডেস্ক রিপোর্ট | সূর্যোদয় : জয়পুরহাটে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের আলোচনা সভার ব্যানারে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ছবি না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিএনপির নেতা-কর্মীরা। এ নিয়ে হট্টগোলের কারণে নির্ধারিত সময়ের প্রায় আধা ঘণ্টা পর সভা শুরু হয়। শনিবার ৭ নভেম্বর সকাল ১০টায় জেলা শিল্পকলা অ্যাকাডেমিতে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এ ঘটনা ঘটে। সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে এ সভা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ব্যানারে জিয়াউর রহমানের ছবি না থাকায় নির্ধারিত সময়ে অনুষ্ঠান শুরু করা যায়নি। বিএনপির নেতা–কর্মীদের ক্ষোভের মুখে জিয়াউর রহমানের ছবি-সংবলিত একটি পোস্টার স্কচটেপ দিয়ে ব্যানারে সাঁটানোর পর অনুষ্ঠান শুরু হয়। প্রত্যক্ষদর্শী ও বিএনপির নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নির্ধারিত সময়ের আগেই অনুষ্ঠানস্থলে আসেন প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী। এ সময় প্রতিমন্ত্রীকে ব্যানারে জিয়াউর রহমানের ছবি না থাকার বিষয়টি জানান বিএনপির নেতা-কর্মীরা। এ কারণে প্রতিমন্ত্রী মঞ্চে ওঠেননি। পরে জেলা প্রশাসক আল–মামুন মিয়াসহ অন্য কর্মকর্তারা মঞ্চে গিয়ে জিয়াউর রহমানের ছবি-সংবলিত একটি পোস্টার স্কচটেপ দিয়ে ব্যানারে সাঁটিয়ে দেন। এরপর প্রতিমন্ত্রী মঞ্চে উঠলে নির্ধারিত সময়ের আধা ঘণ্টা পর আলোচনা সভা শুরু হয়। সভায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের তাৎপর্য নিয়ে বক্তব্য দেন জিয়া পরিষদের জয়পুরহাট পৌর শাখার সাধারণ সম্পাদক মারুফ হাসান। তিনি নিজের বক্তব্যে একাধিকবার তিনি শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘জাতির পিতা’ ও ‘বঙ্গবন্ধু’ বলে সম্বোধন করেন। এ নিয়ে সভাস্থলে হট্টগোল শুরু হয়। এ সময় জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এ কে এম গোলাম মাহফুজ উত্তেজিত হয়ে মঞ্চের ডায়াসের দিকে তেড়ে যান। একপর্যায়ে মারুফ হাসানকে ডায়াস থেকে সরিয়ে দিলে আবার সভা শুরু হয়। এ সময় প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন।‎ এ ঘটনায় অনুষ্ঠানে দুঃখ প্রকাশ করেন জেলা প্রশাসক আল-মামুন মিয়া। ব্যানারে ছবি না থাকার বিষয়ে তিনি বলেন, ইন্টারনেট থেকে ছবি নিয়ে ব্যানারটি তৈরি করা হয়েছিল। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে পুলিশ সুপার শাহনাজ বেগম, সিভিল সার্জন আল-মামুন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলজার হোসেন, জেলা মুক্তিযোদ্ধা দলের নেতা জগলুল আলম প্রমুখ বক্তব্য দেন।