মুজাহিদ কাজী | ফটিকছড়ি থেকে : যোগদানের মাত্র তিন মাস মধ্যেই বদলি করা হয়েছে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) রহমত উল্লাহকে। ভূমি অফিসে দায়িত্ব পালনকালে অনৈতিক আর্থিক লেনদেন এবং উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অবৈধ টিলা কাটা ও বালু উত্তোলন নিয়ন্ত্রণে তার ভূমিকা ছিলো প্রশ্নবিদ্ধ। গতকাল মঙ্গলবার ৩ নভেম্বর বিকেলে তাঁর এই বদলির আদেশ আসে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ ছিল, উপজেলা ভূমি অফিসে খাজনা, খারিজ বা অন্যান্য সেবা নিতে গিয়ে ভূমি অফিসে কর্মকর্তারা হয়রানি করতেন। অন্যদিকে ফটিকছড়িতে দিন দিন মারাত্মক আকার ধারণ করা টিলা কাটা ও অবৈধ মাটি-বালু উত্তোলন বন্ধে এসি ল্যান্ডের কার্যকর কোনো পদক্ষেপ না থাকা নিয়ে সচেতন মহলে প্রশ্ন ওঠে। সম্প্রতি গত ২৯ অক্টোবর উপজেলার সুয়াবিলের শোভনছড়িতে এক অসহায় বিধবার বসতবাড়ির আঙিনা কেটে মাটি নিয়ে যাওয়ার খবর পেয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য সরওয়ার আলমগীর ঘটনাস্থলে যান। এর আগে ভূমি কর্মকর্তা রহমত উল্লাহ স্থানটি পরিদর্শন করলেও আইনানুগ পদক্ষেপ না নেওয়ায় মাটি কাটা অব্যাহত ছিল; যা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন সংসদ সদস্য। ভূমি অফিসের নানা অনিয়ম, সেবা পেতে দুর্নীতি এবং টিলা খেকো চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা না নেওয়ার গুঞ্জনের মধ্যেই শেষ পর্যন্ত রহমত উল্লাহর বদলির আদেশ এল। যোগদানের এত স্বল্প সময়ের মধ্যে বদলির বিষয়টি নিশ্চিত করলেও ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহিম এটিকে সরকারি চাকরির ধারাবাহিক বদলি বলে উল্লেখ করেছেন।
১১:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:

















