০২:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বান্দরবানের লামায় পাহাড়ধসে একই পরিবারের তিনজনসহ নিহত ৫

  • আপডেট: ০৯:৪১:০১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬
  • 26

বান্দরবান প্রতিনিধি : || : টানা ভারী বর্ষণের মধ্যে বান্দরবানের লামা এলাকায় পৃথক দুটি পাহাড়ধসের ঘটনায় একই এলাকার পাঁচজন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের তিনজন এবং অপর ঘটনায় স্বামী-স্ত্রী রয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) আজিজনগর ইউনিয়নের মিশনপাড়ায় (পাগলির ঝিরি) ভোরে এ দুটি ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রথম পাহাড়ধসের ঘটনাটি ঘটে ভোর রাত আনুমানিক ৪টার দিকে। ওই সময় পাহাড়ের মাটি ধসে একটি বসতঘরের ওপর পড়লে ঘুমন্ত অবস্থায় একই পরিবারের মো. ইউনুস (৪০), তার স্ত্রী রানু আক্তার (৩৫) এবং তাদের ৫ বছর বয়সী ছেলে মো. সোলেমান মাটিচাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। এর প্রায় দেড় ঘণ্টা পর, ভোর সাড়ে ৫টার দিকে একই এলাকায় আরেকটি পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটে। এতে একতলা পাকা ঘরের দেয়াল ও মাটির নিচে চাপা পড়ে মারা যান স্বামী-স্ত্রী মো. জুয়েল (৩৪) ও কুলছুমা আক্তার (২৫)। দুর্ঘটনার পর স্থানীয়দের চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসেন। পরে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশের সদস্যরা দ্রুত উদ্ধার অভিযান চালিয়ে পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করেন। পুলিশ সুপার মো. ওহাবুল ইসলাম খন্দকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, একই এলাকায় পৃথক দুটি পাহাড়ধসের ঘটনায় শিশুসহ পাঁচজন নিহত হয়েছেন। মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়েছে এবং এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

সর্বাধিক পঠিত

কে হচ্ছেন নতুন রাষ্ট্রপতি? তৃণমূল থেকে হাইকমান্ডের তালিকায় মির্জা ফখরুল

বান্দরবানের লামায় পাহাড়ধসে একই পরিবারের তিনজনসহ নিহত ৫

আপডেট: ০৯:৪১:০১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

বান্দরবান প্রতিনিধি : || : টানা ভারী বর্ষণের মধ্যে বান্দরবানের লামা এলাকায় পৃথক দুটি পাহাড়ধসের ঘটনায় একই এলাকার পাঁচজন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের তিনজন এবং অপর ঘটনায় স্বামী-স্ত্রী রয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) আজিজনগর ইউনিয়নের মিশনপাড়ায় (পাগলির ঝিরি) ভোরে এ দুটি ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রথম পাহাড়ধসের ঘটনাটি ঘটে ভোর রাত আনুমানিক ৪টার দিকে। ওই সময় পাহাড়ের মাটি ধসে একটি বসতঘরের ওপর পড়লে ঘুমন্ত অবস্থায় একই পরিবারের মো. ইউনুস (৪০), তার স্ত্রী রানু আক্তার (৩৫) এবং তাদের ৫ বছর বয়সী ছেলে মো. সোলেমান মাটিচাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। এর প্রায় দেড় ঘণ্টা পর, ভোর সাড়ে ৫টার দিকে একই এলাকায় আরেকটি পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটে। এতে একতলা পাকা ঘরের দেয়াল ও মাটির নিচে চাপা পড়ে মারা যান স্বামী-স্ত্রী মো. জুয়েল (৩৪) ও কুলছুমা আক্তার (২৫)। দুর্ঘটনার পর স্থানীয়দের চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসেন। পরে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশের সদস্যরা দ্রুত উদ্ধার অভিযান চালিয়ে পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করেন। পুলিশ সুপার মো. ওহাবুল ইসলাম খন্দকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, একই এলাকায় পৃথক দুটি পাহাড়ধসের ঘটনায় শিশুসহ পাঁচজন নিহত হয়েছেন। মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়েছে এবং এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।