সূর্যোদয় ডেস্ক : || : পদত্যাগের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথোপকথনে লন্ডন সফর নিয়ে ছড়ানো অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন’ ও ‘কল্পনাপ্রসূত’ বলে উড়িয়ে দেন সাহাবুদ্দিন। তিনি বলেন, “পৃথিবী তো এখন এত ছোট যে পৃথিবীর যে কোনো প্রান্ত থেকে কানেক্ট করা যায়। বাংলাদেশ থেকে কি দিল্লি কথা বলা যায় না? তাহলে আমাকে লন্ডন যেতে হবে? অবান্তর, অবান্তর, অবান্তর!” ওই অভিযোগের সঙ্গে পদত্যাগের কোনো সম্পর্ক নেই দাবি করে তিনি বলেন, সাত-আট দিন ধরে পদত্যাগের কথা ভাবছিলেন। রাজনৈতিক কোনো কারণে নয়, শারীরিক অসুস্থতার কারণেই পদত্যাগ করেছেন বলে জানান তিনি। পরবর্তী পরিকল্পনার বিষয়ে সাহাবুদ্দিন বলেন, “পরবর্তী পরিকল্পনা চিকিৎসা, উন্নত চিকিৎসা করা, দেশে এবং বিদেশে। প্রথমে এইটা।” শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলে ১০-১২ দিনের মধ্যে বিদেশে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান তিনি। এনসিপির পক্ষ থেকে তার বিচারের দাবি তোলার প্রসঙ্গে সাহাবুদ্দিন বলেন, “ধুর! এগুলো বাদ দেন। এগুলো পাত্তা দেই না।” অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টারা তার কাছেই শপথ নিয়েছিলেন মন্তব্য করে তিনি বলেন, “আর কীসের বিচার করবে? কীসের? কীসের বিচার করবে? সংবিধানের ৫১ অনুচ্ছেদ পড়ে দেখুক।” আরেক বেসরকারি টেলিভিশন স্টেশন ডিবিসির সঙ্গে কথোপকথনে পদত্যাগের আগে কোনো ফোন বা চাপ ছিল কি না, এমন প্রশ্নে সাহাবুদ্দিন বলেন, “না না না না… এগুলো বাজে কথা। ফলস।” এ নিয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যকে ‘অপতথ্য, বেসলেস, ক্রিয়েটেড, কল্পনাপ্রসূত’ আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, “আমি তো কোনো অপরাধী নই। আমি রাষ্ট্রপতি হিসেবে মাথা উঁচু করে কাজ করছি। ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট করছি চব্বিশে, ৫ অগাস্টের পরে।” সংবিধান ধরে রেখে অন্তর্বর্তী সরকার গঠন এবং নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরে নিজের ভূমিকা নিয়ে ‘প্রাউড’ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
১১:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:



















