আন্তর্জাতিক ডেস্ক, সূর্যোদয় : ইরানের উপকূলীয় রাডার কেন্দ্রগুলোতে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। শুক্রবার রাতে এই হামলা চালানো হয় বলে জানিয়েছে রয়টার্স। একজন মার্কিন কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, মার্কিন সামরিক বাহিনী মনে করে, চারটি ইরানি ড্রোন আঞ্চলিক সামুদ্রিক যান চলাচলকে লক্ষ্যবস্তু করেছিল। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, এরপর যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালিতে অবস্থিত গোরুক ও কেশম দ্বীপে ইরানের নজরদারি সাইটগুলোতে হামলা চালায়। তিন মাস ধরে চলা যুদ্ধ বন্ধ করার জন্য একটি অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তি সম্পাদনের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান মূলত পরোক্ষ আলোচনায় নিযুক্ত রয়েছে। এই চুক্তিটি ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিসহ অন্যান্য বিষয়গুলোকে পরবর্তী আলোচনার জন্য রেখে দেবে। যেকোনো চুক্তির অংশ হিসেবে, তেহরান শত শত কোটি ডলারের তেল রাজস্বের অধিকার, অপরিশোধিত তেল রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা থেকে অব্যাহতি, তাদের বন্দরগুলোর ওপর থেকে মার্কিন অবরোধ তুলে নেওয়া এবং প্রণালিটির ওপর প্রভাব খাটানোর ক্ষমতা চায়। ইরান কার্যকরভাবে প্রণালিটি অবরুদ্ধ করে রেখেছে। ক্রমবর্ধমান জ্বালানি তেলের দামের কারণে এই যুদ্ধটি শেষ করার জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্রমবর্ধমান অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক চাপের সম্মুখীন হচ্ছেন। চলতি সপ্তাহের শুরুতে, ইরানের ড্রোন কুয়েতের প্রধান বিমানবন্দরের একটি যাত্রীবাহী টার্মিনালে ব্যাপক ক্ষতি করে, এতে একজন নিহত ও কয়েক জন আহত হন এবং বিমানবন্দরটি কিছু সময়ের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়। এই হামলাগুলো যুদ্ধবিরতি ভেঙে পড়ার নতুন উদ্বেগ তৈরি করলেও, ট্রাম্প শুক্রবার সাংবাদিকদের বলেছেন, ইরানের সঙ্গে পরিস্থিতি বেশ ভালোভাবেই এগোচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। উইসকনসিনে কৃষকদের সাথে এক অনুষ্ঠানে ট্রাম্প বলেন, আমরা খুব দ্রুত ইরান থেকে বেরিয়ে আসব এবং যেভাবেই হোক, তা হবে খুবই জোরালো; সেটা কাগজে-কলমে হোক বা কঠোর পথেই হোক। কঠোর পথটাই হয়তো সহজতর, কিন্তু আমরা বেরিয়ে আসবই এবং আপনাদের সারের দাম অনেক কমে যাবে, ঠিক যেমনটা চার মাস আগে হয়েছিল।
১২:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:

















