০৩:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সরোয়ার আলমগীরের গাড়িবহরে হামলাকারী যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক হাসেম মধ্য হালিশহরে আত্মগোপনে

  • আপডেট: ০১:২৪:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
  • 19

সূর্যোদয় ডেস্ক  :  || : চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার নাজিরহাট পৌরসভার ঝংকার মোড় এলাকায় গত ৪ আগস্ট ২০২৪ বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে বিএনপির নেতা-কর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় অভিযুক্তদের একজন হিসেবে মো. হাসেমের নাম স্থানীয়ভাবে আলোচনায় রয়েছে। তিনি উপজেলার দাঁতমারা ইউনিয়নের শান্তিরহাটের রত্নপুর এলাকার মো. ইউনুস মিয়ার ছেলে এবং সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এইচ আবু তৈয়বের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত বলে স্থানীয় সূত্রের দাবি। স্থানীয় সূত্র জানায়, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় ছাত্র-জনতার ওপর হামলার অভিযোগে ফটিকছড়ির বিভিন্ন ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা হওয়ার পর কেউ এলাকা ছেড়েছেন, আবার কেউ গ্রেফতার হয়ে কারাগারে রয়েছেন। তবে অভিযোগ রয়েছে, মো. হাসেম নিজের পরিচয় গোপন রেখে বর্তমানে চট্টগ্রাম নগরীর মধ্য হালিশহর এলাকায় ইসহাক ব্রাদার্স কন্টেইনার টার্মিনাল সংলগ্ন এলাকায় আত্মগোপনে রয়েছেন। এদিকে গত ৯ জুলাই চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুবলীগের ঘোষিত ফটিকছড়ি উপজেলা যুবলীগের নতুন কমিটিতে যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে মো. হাসেমের নাম অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে সমালোচনা শুরু হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, দাঁতমারা ইউনিয়নের হেঁয়াকো এলাকায় বর্তমান সংসদ সদস্য সরোয়ার আলমগীরের গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় অর্থায়ন এবং হামলার পরিকল্পনায়ও তিনি জড়িত ছিলেন। এছাড়া সম্প্রতি বন্দর থানা এলাকায় অনুষ্ঠিত কয়েকটি যুবলীগের মিছিলের অর্থের যোগানও তিনি দিয়েছেন। স্থানীয় বিএনপির একাধিক নেতা বলেন, শান্তিরহাট এলাকার যুবলীগের কর্মী হিসেবে পরিচিত হাসেমের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও তিনি কীভাবে যুবলীগের নতুন কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ পদ পেয়েছেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। হাসেমের সম্পদের উৎস নিয়েও নানা অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় থেকে তিনি চট্টগ্রামের মধ্য হালিশহর এলাকার ইসহাক ব্রাদার্স কন্টেইনার টার্মিনাল থেকে বিভিন্ন পণ্য চোরাইভাবে সংগ্রহ করে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহের মাধ্যমে বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন। এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে ফটিকছড়ি উপজেলা যুবলীগের নবনির্বাচিত যুগ্ম আহ্বায়ক মো. হাসেম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, মধ্য হালিশহরে ইসহাক ব্রাদার্স কন্টেইনার টার্মিনালের পাশে তার একটি গুদাম রয়েছে। তিনি দাবি করেন, কোনো চোরাই পণ্য নয়, বরং সিএন্ডএফ এজেন্টের স্টাফদের কাছ থেকে বিভিন্ন পণ্য কিনে ব্যবসা পরিচালনা করেন।

সর্বাধিক পঠিত

দেশপ্রেমিকদের সরিয়ে দলীয় বিবেচনায় নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে: জামায়াত আমির

সরোয়ার আলমগীরের গাড়িবহরে হামলাকারী যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক হাসেম মধ্য হালিশহরে আত্মগোপনে

আপডেট: ০১:২৪:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

সূর্যোদয় ডেস্ক  :  || : চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার নাজিরহাট পৌরসভার ঝংকার মোড় এলাকায় গত ৪ আগস্ট ২০২৪ বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে বিএনপির নেতা-কর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় অভিযুক্তদের একজন হিসেবে মো. হাসেমের নাম স্থানীয়ভাবে আলোচনায় রয়েছে। তিনি উপজেলার দাঁতমারা ইউনিয়নের শান্তিরহাটের রত্নপুর এলাকার মো. ইউনুস মিয়ার ছেলে এবং সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এইচ আবু তৈয়বের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত বলে স্থানীয় সূত্রের দাবি। স্থানীয় সূত্র জানায়, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় ছাত্র-জনতার ওপর হামলার অভিযোগে ফটিকছড়ির বিভিন্ন ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা হওয়ার পর কেউ এলাকা ছেড়েছেন, আবার কেউ গ্রেফতার হয়ে কারাগারে রয়েছেন। তবে অভিযোগ রয়েছে, মো. হাসেম নিজের পরিচয় গোপন রেখে বর্তমানে চট্টগ্রাম নগরীর মধ্য হালিশহর এলাকায় ইসহাক ব্রাদার্স কন্টেইনার টার্মিনাল সংলগ্ন এলাকায় আত্মগোপনে রয়েছেন। এদিকে গত ৯ জুলাই চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুবলীগের ঘোষিত ফটিকছড়ি উপজেলা যুবলীগের নতুন কমিটিতে যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে মো. হাসেমের নাম অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে সমালোচনা শুরু হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, দাঁতমারা ইউনিয়নের হেঁয়াকো এলাকায় বর্তমান সংসদ সদস্য সরোয়ার আলমগীরের গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় অর্থায়ন এবং হামলার পরিকল্পনায়ও তিনি জড়িত ছিলেন। এছাড়া সম্প্রতি বন্দর থানা এলাকায় অনুষ্ঠিত কয়েকটি যুবলীগের মিছিলের অর্থের যোগানও তিনি দিয়েছেন। স্থানীয় বিএনপির একাধিক নেতা বলেন, শান্তিরহাট এলাকার যুবলীগের কর্মী হিসেবে পরিচিত হাসেমের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও তিনি কীভাবে যুবলীগের নতুন কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ পদ পেয়েছেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। হাসেমের সম্পদের উৎস নিয়েও নানা অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় থেকে তিনি চট্টগ্রামের মধ্য হালিশহর এলাকার ইসহাক ব্রাদার্স কন্টেইনার টার্মিনাল থেকে বিভিন্ন পণ্য চোরাইভাবে সংগ্রহ করে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহের মাধ্যমে বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন। এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে ফটিকছড়ি উপজেলা যুবলীগের নবনির্বাচিত যুগ্ম আহ্বায়ক মো. হাসেম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, মধ্য হালিশহরে ইসহাক ব্রাদার্স কন্টেইনার টার্মিনালের পাশে তার একটি গুদাম রয়েছে। তিনি দাবি করেন, কোনো চোরাই পণ্য নয়, বরং সিএন্ডএফ এজেন্টের স্টাফদের কাছ থেকে বিভিন্ন পণ্য কিনে ব্যবসা পরিচালনা করেন।