Dhaka ০২:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ জুন ২০২৪, ৯ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ইবাদতের জন্য মাহে রমজান একটি মোক্ষম সময়

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৭:৫১:১৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ মার্চ ২০২৩
  • 3161

সূর্যোদয় ডেস্ক : মানুষ সৃষ্টির উদ্দেশ্য সম্পর্কে আল্লাহ পাক আল-কোরআনে ইরশাদ করেছেন, আমি মা নুষ এবং জীনকে একমাত্র আমার ইবাদতের জন্যই সৃষ্টি করেছি। (সুরা জারিয়াত, আয়াত-৫৬) এর দ্বারা বুঝা যায়, আল্লাহর ইবাদতবিমুখ মানুষ আল্লাহ পাকের নাফরমান বান্দা ছাড়া কিছুই নয়। ইবাদতের জন্য মাহে রমজান একটি মোক্ষম সময়। এ মাসের সিয়াম সাধনা তাকওয়া ও পরহেজগারি অর্জন করা, রাত জেগে নামাজ আদায় করা, সেহরি খাওয়া, ইফতার করা এবং যাবতীয় পাপাচার ও কামাচার হতে বিরত থাকা এবং মিথ্যা সংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ড বর্জন করা- সবই ইবাদতের মধ্যে শামিল। শুধুতাই নয়, এ মাসে অধিক হার কোরআন মজিদ তেলাওয়াত করা, জিকির ও তাসবিহ-তাহলিল পাঠ করা এবং নিজেকে পাপমুক্ত রাখার আপ্রাণ চেষ্টা করা কর্তব্য।
মোটকথা মা হে রমজান নেকি ও পূণ্য অর্জনের উপযুক্ত মৌসুম। কারণ সিয়াম সাধনার মা ঝে এমন কিছু বিশেষত্ব রয়েছে, যা
অন্য ইবাদতের মধ্যে পাওয়া যায় না। আর এজন্য ই এর সওয়াব ও বিনিময়ের ব্যাপারটি আল্লাহ নিজের কাছে রেখেছেন এবং এর পরিমাণ কতটুকু হবে এবং কী পরিমাণ বর্ধিত করা হবে, তাও নির্দিষ্ট করেননি। আল কোরআনে ঘোষণা করা হয়েছে: আল্লাহ পাক যাকে চান বহুগুণে সওয়াব বর্ধিত করেন। (সুরা বাকারাহ, আয়াত-২৬১)
মাহে রমজান মুমিন বান্দার জন্য এমন একটি নিয়ামত, যার শোকরগুজারি একমাত্র ইবাদত বন্দেগি, সিয়াম-সাধনা এবং তাকওয়া অর্জনের মাধ্যমেই সম্ভব।

Tag :
সর্বাধিক পঠিত

ইবাদতের জন্য মাহে রমজান একটি মোক্ষম সময়

Update Time : ০৭:৫১:১৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ মার্চ ২০২৩

সূর্যোদয় ডেস্ক : মানুষ সৃষ্টির উদ্দেশ্য সম্পর্কে আল্লাহ পাক আল-কোরআনে ইরশাদ করেছেন, আমি মা নুষ এবং জীনকে একমাত্র আমার ইবাদতের জন্যই সৃষ্টি করেছি। (সুরা জারিয়াত, আয়াত-৫৬) এর দ্বারা বুঝা যায়, আল্লাহর ইবাদতবিমুখ মানুষ আল্লাহ পাকের নাফরমান বান্দা ছাড়া কিছুই নয়। ইবাদতের জন্য মাহে রমজান একটি মোক্ষম সময়। এ মাসের সিয়াম সাধনা তাকওয়া ও পরহেজগারি অর্জন করা, রাত জেগে নামাজ আদায় করা, সেহরি খাওয়া, ইফতার করা এবং যাবতীয় পাপাচার ও কামাচার হতে বিরত থাকা এবং মিথ্যা সংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ড বর্জন করা- সবই ইবাদতের মধ্যে শামিল। শুধুতাই নয়, এ মাসে অধিক হার কোরআন মজিদ তেলাওয়াত করা, জিকির ও তাসবিহ-তাহলিল পাঠ করা এবং নিজেকে পাপমুক্ত রাখার আপ্রাণ চেষ্টা করা কর্তব্য।
মোটকথা মা হে রমজান নেকি ও পূণ্য অর্জনের উপযুক্ত মৌসুম। কারণ সিয়াম সাধনার মা ঝে এমন কিছু বিশেষত্ব রয়েছে, যা
অন্য ইবাদতের মধ্যে পাওয়া যায় না। আর এজন্য ই এর সওয়াব ও বিনিময়ের ব্যাপারটি আল্লাহ নিজের কাছে রেখেছেন এবং এর পরিমাণ কতটুকু হবে এবং কী পরিমাণ বর্ধিত করা হবে, তাও নির্দিষ্ট করেননি। আল কোরআনে ঘোষণা করা হয়েছে: আল্লাহ পাক যাকে চান বহুগুণে সওয়াব বর্ধিত করেন। (সুরা বাকারাহ, আয়াত-২৬১)
মাহে রমজান মুমিন বান্দার জন্য এমন একটি নিয়ামত, যার শোকরগুজারি একমাত্র ইবাদত বন্দেগি, সিয়াম-সাধনা এবং তাকওয়া অর্জনের মাধ্যমেই সম্ভব।