০৮:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তথ্য উপদেষ্টা দিল্লি থেকে ফিরে আসা প্রসঙ্গে ভারতের বক্তব্য

  • আপডেট: ০৬:৪৭:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
  • 4

সূর্যোদয় ডেস্ক : || : বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান একটি সম্মেলনে অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে সম্প্রতি ভারতের রাজধানী দিল্লিতে যান। কিন্তু সেখানে তাকে ইমিগ্রেশনের বাধার মুখে পড়তে হয়। দীর্ঘ সময় দিল্লি বিমানবন্দরে বসে থাকার পর শেষ পর্যন্ত সোমবার দুপুর নাগাদ ঢাকায় ফিরে আসেন তিনি। এই ঘটনায় তুমুল বিতর্ক তৈরি হয়। অবশেষে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিষয়টিতে তাদের বক্তব্য স্পষ্ট করেছে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানান, জাহেদ উর রহমান তার ব্যক্তিগত বেসরকারি (প্রাইভেট) পাসপোর্ট নিয়ে দিল্লিতে এসেছিলেন। তার সার্ক ভিসা ছিল। রণধীর জয়সওয়ালের দাবি, ইমিগ্রেশনে জিজ্ঞাসাবাদের পর জানা যায়, তিনি (জাহেদ উর রহমান) একটি সম্মেলনে যোগ দিতে এসেছেন এবং ঘটনাক্রমে তাকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়। কিন্তু তিনি বৈঠকে যোগ না দিয়ে ঢাকা ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। জাহেদ উর রহমান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পলিসি ও স্ট্র্যাটেজি, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় বিষয় উপদেষ্টা এবং তার পদমর্যাদা প্রতিমন্ত্রীর সমান। গত ১৪ জুন একটি সম্মেলনে যোগ দিতে গেলে দিল্লি বিমানবন্দরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় এবং দীর্ঘ সময় বসিয়ে রাখা হয়। যদিও বাংলাদেশ হাইকমিশনসহ নানা পক্ষের তৎপরতায় তাকে শেষ পর্যন্ত দিল্লিতে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল, তবে পর শেষ পর্যন্ত ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নেন। পরে ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাই কমিশনারকে ডেকে ঢাকার প্রতিবাদপত্র তার হাতে তুলে দেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।

সর্বাধিক পঠিত

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্টের সৌজন্য সাক্ষাৎ

তথ্য উপদেষ্টা দিল্লি থেকে ফিরে আসা প্রসঙ্গে ভারতের বক্তব্য

আপডেট: ০৬:৪৭:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

সূর্যোদয় ডেস্ক : || : বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান একটি সম্মেলনে অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে সম্প্রতি ভারতের রাজধানী দিল্লিতে যান। কিন্তু সেখানে তাকে ইমিগ্রেশনের বাধার মুখে পড়তে হয়। দীর্ঘ সময় দিল্লি বিমানবন্দরে বসে থাকার পর শেষ পর্যন্ত সোমবার দুপুর নাগাদ ঢাকায় ফিরে আসেন তিনি। এই ঘটনায় তুমুল বিতর্ক তৈরি হয়। অবশেষে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিষয়টিতে তাদের বক্তব্য স্পষ্ট করেছে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানান, জাহেদ উর রহমান তার ব্যক্তিগত বেসরকারি (প্রাইভেট) পাসপোর্ট নিয়ে দিল্লিতে এসেছিলেন। তার সার্ক ভিসা ছিল। রণধীর জয়সওয়ালের দাবি, ইমিগ্রেশনে জিজ্ঞাসাবাদের পর জানা যায়, তিনি (জাহেদ উর রহমান) একটি সম্মেলনে যোগ দিতে এসেছেন এবং ঘটনাক্রমে তাকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়। কিন্তু তিনি বৈঠকে যোগ না দিয়ে ঢাকা ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। জাহেদ উর রহমান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পলিসি ও স্ট্র্যাটেজি, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় বিষয় উপদেষ্টা এবং তার পদমর্যাদা প্রতিমন্ত্রীর সমান। গত ১৪ জুন একটি সম্মেলনে যোগ দিতে গেলে দিল্লি বিমানবন্দরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় এবং দীর্ঘ সময় বসিয়ে রাখা হয়। যদিও বাংলাদেশ হাইকমিশনসহ নানা পক্ষের তৎপরতায় তাকে শেষ পর্যন্ত দিল্লিতে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল, তবে পর শেষ পর্যন্ত ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নেন। পরে ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাই কমিশনারকে ডেকে ঢাকার প্রতিবাদপত্র তার হাতে তুলে দেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।