০৯:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দাঁতমারায় মাদকের স্পট ১০ এলাকা, ধরাছোঁয়ার বাইরে ‘গডফাদার’ ইউনুস

  • আপডেট: ০৮:৪৯:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬
  • 15

চট্টগ্রাম ব্যুরো : আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ধারাবাহিক অভিযান, মামলা ও গ্রেপ্তার বাড়লেও চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার দাঁতমারা ইউনিয়নে থামছে না মাদকের কারবার। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ইউনিয়নের অন্তত ১০টি এলাকাকে মাদকের হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব এলাকায় একটি সংঘবদ্ধ চক্র সক্রিয় রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একাধিক সূত্রের অভিযোগ, খুচরা বিক্রেতা ও বহনকারীরা মাঝেমধ্যে গ্রেপ্তার হলেও সক্রিয় রয়েছে ১ জন প্রভাবশালী মাদক কারবারী বা গডফাদার। তিনি হলেন ইউনিয়নের ২নং নিচিন্তা ওয়ার্ডের বাসিন্দা মোহাম্মদ ইউনুস। আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর একাধিক সূত্র জানায়, এসব এলাকায় নিয়মিত অভিযান চালানো হলেও বড় মাদক কারবারীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া কঠিন হয়ে পড়ছে। স্থানীয়ভাবে তাদের প্রভাব, নেটওয়ার্ক এর অন্যতম কারণ। তিনি বিগত ২০২৪ সালের ৫ আগষ্ঠ পর থেকে এলাকা থেকে পালিয়ে চট্টগ্রাম নগরীতে বসবাস করছেন। কিন্তু বর্তমানে মোবাইল ফোনে দাঁতমারা ইউনিয়নের মাদক সাম্রাজ্র নিয়স্ত্রণ করছেন মোহাম্মদ ইউনুস। অভিযোগ রয়েছে, মোহাম্মদ ইউনুস একসময় দাঁতমারা ইউনিয়ন যুবলীগের নেতা ছিলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দাঁতমারা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও বর্তমানে পলাতক জানে আলমের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে তিনি এলাকায় প্রভাব বিস্তার করতেন। মুলত তাকে দিয়েই চেয়ারম্যান জানে আলম এলাকার মাদক সাম্রাজ্র নিয়ন্ত্রণ করতো। ভূজপুর থানা পুলিশের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানান, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে মোহাম্মদ ইউনুস পলাতক রয়েছেন। তার বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তাকে গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান ও চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, শুধু খুচরা বিক্রেতাদের গ্রেপ্তার করে দাঁতমারার মাদক সমস্যা নির্মূল করা সম্ভব নয়। মাদকের উৎস, সরবরাহকারী, অর্থের লেনদেন এবং নেপথ্যের পৃষ্ঠপোষকদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা না গেলে অভিযান ও গ্রেপ্তার সাময়িক ফল বয়ে আনবে। তাই মাদক কারবারের নেপথ্যে থাকা কথিত প্রভাবশালী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

সর্বাধিক পঠিত

আকামা নবায়ন নিয়ে সৌদি আরবের ডেপুটি কনস্যুলার কি বললেন

দাঁতমারায় মাদকের স্পট ১০ এলাকা, ধরাছোঁয়ার বাইরে ‘গডফাদার’ ইউনুস

আপডেট: ০৮:৪৯:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬

চট্টগ্রাম ব্যুরো : আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ধারাবাহিক অভিযান, মামলা ও গ্রেপ্তার বাড়লেও চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার দাঁতমারা ইউনিয়নে থামছে না মাদকের কারবার। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ইউনিয়নের অন্তত ১০টি এলাকাকে মাদকের হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব এলাকায় একটি সংঘবদ্ধ চক্র সক্রিয় রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একাধিক সূত্রের অভিযোগ, খুচরা বিক্রেতা ও বহনকারীরা মাঝেমধ্যে গ্রেপ্তার হলেও সক্রিয় রয়েছে ১ জন প্রভাবশালী মাদক কারবারী বা গডফাদার। তিনি হলেন ইউনিয়নের ২নং নিচিন্তা ওয়ার্ডের বাসিন্দা মোহাম্মদ ইউনুস। আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর একাধিক সূত্র জানায়, এসব এলাকায় নিয়মিত অভিযান চালানো হলেও বড় মাদক কারবারীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া কঠিন হয়ে পড়ছে। স্থানীয়ভাবে তাদের প্রভাব, নেটওয়ার্ক এর অন্যতম কারণ। তিনি বিগত ২০২৪ সালের ৫ আগষ্ঠ পর থেকে এলাকা থেকে পালিয়ে চট্টগ্রাম নগরীতে বসবাস করছেন। কিন্তু বর্তমানে মোবাইল ফোনে দাঁতমারা ইউনিয়নের মাদক সাম্রাজ্র নিয়স্ত্রণ করছেন মোহাম্মদ ইউনুস। অভিযোগ রয়েছে, মোহাম্মদ ইউনুস একসময় দাঁতমারা ইউনিয়ন যুবলীগের নেতা ছিলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দাঁতমারা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও বর্তমানে পলাতক জানে আলমের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে তিনি এলাকায় প্রভাব বিস্তার করতেন। মুলত তাকে দিয়েই চেয়ারম্যান জানে আলম এলাকার মাদক সাম্রাজ্র নিয়ন্ত্রণ করতো। ভূজপুর থানা পুলিশের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানান, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে মোহাম্মদ ইউনুস পলাতক রয়েছেন। তার বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তাকে গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান ও চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, শুধু খুচরা বিক্রেতাদের গ্রেপ্তার করে দাঁতমারার মাদক সমস্যা নির্মূল করা সম্ভব নয়। মাদকের উৎস, সরবরাহকারী, অর্থের লেনদেন এবং নেপথ্যের পৃষ্ঠপোষকদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা না গেলে অভিযান ও গ্রেপ্তার সাময়িক ফল বয়ে আনবে। তাই মাদক কারবারের নেপথ্যে থাকা কথিত প্রভাবশালী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।