০৫:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাদপন্থিরা বিশ্ব ইজতেমার ময়দান ব্যবহার করতে পারবে না: মুহিববুল্লাহ বাবুনগরী

  • আপডেট: ০৫:৩৭:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
  • 15

ডেস্ক রিপোর্ট | সূর্যোদয় : আসন্ন ২০২৭ সালেরর বিশ্ব ইজতেমা সুষ্ঠু, সুন্দর ও নির্বিঘ্নে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে টঙ্গীর ইজতেমা ময়দান ব্যবহার নিয়ে সরকারের কাছে দুটি দাবি উত্থাপন করেছেন ওলামা-মাশায়েখরা। শনিবার ২৪ অক্টোবর দুপুর ১২ টায় হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা শাহ মুহিববুল্লাহ বাবুনগরী (দা. বা.) পরামর্শ সভায় দেশের ৬৪ জেলার নেতৃস্থানীয় ওলামায়ে কেরাম ও মুরুব্বিরা অংশ নেন। সভা পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে ওলামা-মাশায়েখরা জানান, বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে করে সাদপন্থিদের এবারের ইজতেমার জন্য তিনদিন টঙ্গী ইজতেমা ময়দান ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ার বিষয়ে আল্লামা শাহ মুহিববুল্লাহ বাবুনগরী (দা.বা.) সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। তিনি দেশের শীর্ষস্থানীয় ওলামায়ে কেরামের সঙ্গে পরামর্শ করে সিদ্ধান্ত জানানোর কথা বলেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে এ পরামর্শ সভার আয়োজন করা হয়। সভায় উপস্থিত আলেম-ওলামা ও মুরুব্বিদের মতামতের ভিত্তিতে সরকারের কাছে দুটি দাবি জানানোর সিদ্ধান্ত হয়।দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে, ২০২৫ সালের পর সাদপন্থিদের টঙ্গী বিশ্ব ইজতেমা ময়দান ব্যবহারের অনুমতি না দেওয়ার বিষয়ে সরকারের পূর্ববর্তী সিদ্ধান্ত বহাল রাখতে হবে। ২০১৮ ও ২০২৪ সালে টঙ্গীতে সংঘটিত ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলাগুলোর তদন্ত দ্রুত সম্পন্ন করে অভিযোগপত্র দাখিলের ব্যবস্থা নিতে হবে। মামলাগুলো বর্তমানে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) তদন্তাধীন রয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে সাদপন্থিদের ইজতেমা আয়োজনের বিষয়টি সামনে রেখে দেশের বিভিন্ন জেলার মাদ্রাসা, মারকাজ ও অন্যান্য দ্বীনি প্রতিষ্ঠানে দোয়ার আয়োজনের জন্য ওলামায়ে কেরাম ও দায়িত্বশীলদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা শাহ মুহিববুল্লাহ বাবুনগরী, মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস, মাওলানা নুরুল ইসলাম ওলিপুরী, মাওলানা শাহ সাজিদুর রহমান, মাওলানা আব্দুল হামিদ পীরসাহেব মধুপুর, মাওলানা মাহফুজুল হক, মুফতি খিজিরুল্লাহ হাটহাজারী, মাওলানা ইকরাম হোসাইন ওয়াদুদী, মাওলানা সালাহ উদ্দিন, মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক, মাওলানা হিফজুর রহমান, মুফতি আরশাদ রহমানী, মুফতি দেলাওয়ার হোসাইন, মাওলানা রশিদুর রহমান ফারুক, মাওলানা আব্দুল আউয়াল, মুফতি মুবারকুল্লাহ, মাওলানা শফিকুর আহমেদ রশীদ, মাওলানা মুশতাক আহমেদ, মুফতি জাফর আহমদ। এছাড়াও আরও উপস্থিত ছিলেন, মাওলানা মহিউদ্দিন রব্বানী, মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব, মাওলানা বাহাউদ্দিন জাকারিয়া, মাওলানা নাজমুল হাসান কাসেমী, মাওলানা আলাওয়ালুল করীম, মাওলানা ফজলুল্লাহ মাদানীনগরী, মাওলানা নিয়ামতুল্লাহ আল ফারুকী, মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী, মাওলানা যুবায়ের বিন তৈয়ব, মাওলানা আনাস, মাওলানা মনির হুসাইন কাসেমী, মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন রাজী প্রমুখ।