০৪:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১৪ দিন ধরে একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে চুয়েটে

  • আপডেট: ০৪:৪৭:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬
  • 8

চট্টগ্রাম ব্যুরো | সূর্যোদয় : চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) ১৪ দিন ধরে একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন চলমান। শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি একই দাবিতে আন্দোলন করছেন শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও। সোমবার ৫ অক্টোবর দুপুর সাড়ে ১২টায় উপাচার্য ভবনের সামনে থেকে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী সমিতির সদস্যরা র‍্যালি বের করেন। র‍্যালিটি স্বাধীনতা চত্বর হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মানববন্ধন করেন। শিক্ষক দিবস উপলক্ষে আন্দোলনের শুরু থেকে শিক্ষার্থীদের পাশে থাকা চুয়েটের শিক্ষকদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়। পাশাপাশি চলছে কমপ্লিট শার্টডাউন কর্মসূচিও। চুয়েটের শিক্ষার্থী মো. নুরুল আমিন বলেন, “অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম দায়িত্ব নেওয়ার পর ৫৬ দিনের মধ্যে শিক্ষার্থীবান্ধব বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনার মাধ্যমে চুয়েটকে আধুনিকায়নের চেষ্টা করেছেন। কোনো অভিযোগ ছাড়াই তাকে অপসারণ করা হয়েছে। এটি অন্যায়। তাকে স্বপদে পুনর্বহাল না করা পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে। এর আগে গত ২১ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে চুয়েটের উপাচার্যের পদ থেকে সরিয়ে তার স্থলে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমকে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে গত ২৭ জুলাই চুয়েটের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র ৫৬ দিনের মাথায় তাকে অপসারণের সিদ্ধান্ত আসে। এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা তাৎক্ষণিকভাবে আন্দোলনে নামেন। আন্দোলনের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মিত একাডেমিক কার্যক্রমও বন্ধ রয়েছে।

সর্বাধিক পঠিত

১৪ দিন ধরে একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে চুয়েটে

১৪ দিন ধরে একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে চুয়েটে

আপডেট: ০৪:৪৭:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬

চট্টগ্রাম ব্যুরো | সূর্যোদয় : চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) ১৪ দিন ধরে একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন চলমান। শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি একই দাবিতে আন্দোলন করছেন শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও। সোমবার ৫ অক্টোবর দুপুর সাড়ে ১২টায় উপাচার্য ভবনের সামনে থেকে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী সমিতির সদস্যরা র‍্যালি বের করেন। র‍্যালিটি স্বাধীনতা চত্বর হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মানববন্ধন করেন। শিক্ষক দিবস উপলক্ষে আন্দোলনের শুরু থেকে শিক্ষার্থীদের পাশে থাকা চুয়েটের শিক্ষকদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়। পাশাপাশি চলছে কমপ্লিট শার্টডাউন কর্মসূচিও। চুয়েটের শিক্ষার্থী মো. নুরুল আমিন বলেন, “অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম দায়িত্ব নেওয়ার পর ৫৬ দিনের মধ্যে শিক্ষার্থীবান্ধব বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনার মাধ্যমে চুয়েটকে আধুনিকায়নের চেষ্টা করেছেন। কোনো অভিযোগ ছাড়াই তাকে অপসারণ করা হয়েছে। এটি অন্যায়। তাকে স্বপদে পুনর্বহাল না করা পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে। এর আগে গত ২১ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে চুয়েটের উপাচার্যের পদ থেকে সরিয়ে তার স্থলে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমকে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে গত ২৭ জুলাই চুয়েটের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র ৫৬ দিনের মাথায় তাকে অপসারণের সিদ্ধান্ত আসে। এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা তাৎক্ষণিকভাবে আন্দোলনে নামেন। আন্দোলনের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মিত একাডেমিক কার্যক্রমও বন্ধ রয়েছে।