১২:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জাতীয় ঈদগাহে ঈদুল আজহার প্রধান ঈদের জামাত সাড়ে ৭টায়

  • আপডেট: ১২:১৬:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬
  • 13

সূর্যোদয় ডেস্ক : রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে পবিত্র ঈদুল আজহার প্রধান ঈদের জামাত ২৮ মে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টায় অনুষ্ঠিত হবে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) ব্যবস্থাপনায় ঈদুল আজহার প্রধান জামাতে অংশ নেবেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, বিচারপতি, রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ এবং বিদেশি কূটনীতিকরা। পবিত্র ঈদুল আজহার প্রধান ঈদের জামাত উপলক্ষ্যে জাতীয় ঈদগাহে সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। ডিএসসিসির প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম জানিয়েছেন, আধুনিক সুযোগ-সুবিধা, উন্নত নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং নারী-পুরুষের জন্য পৃথক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ঈদ জামাতকে সুশৃঙ্খল ও আরামদায়ক করতে ব্যাপক আয়োজন করা হয়েছে। এদিকে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি মুহাম্মদ আবদুল মালেক প্রধান জামাতে ইমামতি করবেন। জাতীয় ঈদগাহ ময়দানের মোট আয়তন প্রায় ৩০ হাজার বর্গমিটার। এর মধ্যে প্যান্ডেলের আওতায় রয়েছে ২৫ হাজার ৪০০ বর্গমিটার এলাকা। ১২১টি কাতারে একসঙ্গে প্রায় ৩৫ হাজার মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারবেন। এর মধ্যে ভিআইপি পুরুষ ২৫০ জন এবং নারী ৮০ জনের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এছাড়া সাধারণ মুসল্লিদের মধ্যে প্রায় ৩১ হাজার পুরুষ ও প্রায় সাড়ে ৩ হাজার নারী মুসল্লির জন্য পৃথক নামাজের ব্যবস্থা করা হয়েছে। গাহ ময়দানে প্রবেশের জন্য মোট চারটি ফটক রাখা হয়েছে। এর মধ্যে ভিআইপিদের জন্য একটি, সাধারণ পুরুষ মুসল্লিদের জন্য দুটি এবং নারী মুসল্লিদের জন্য একটি পৃথক ফটক থাকবে। অন্যদিকে বহির্গমনের জন্য রাখা হয়েছে সাতটি ফটক-যার মধ্যে ভিআইপিদের জন্য একটি, সাধারণ পুরুষ মুসল্লিদের জন্য পাঁচটি এবং নারীদের জন্য একটি পৃথক ফটক নির্ধারণ করা হয়েছে। ঈদ জামাতের জন্য মোট ১২১টি কাতারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এর মধ্যে ভিআইপি পুরুষদের জন্য পাঁচটি ও নারীদের জন্য একটি কাতার, সাধারণ পুরুষ মুসল্লিদের জন্য ৬৫টি বড় আকারের এবং নারী মুসল্লিদের জন্য ৫০টি ছোট আকারের কাতার থাকবে। অজুখানায় একসঙ্গে প্রায় ১৪০ জন মুসল্লি অজু করতে পারবেন। এর মধ্যে পুরুষদের জন্য ১১৩ জন এবং নারীদের জন্য ২৭ জনের পৃথক ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। মুসল্লিদের সুবিধার্থে ঈদগাহ ময়দানে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র, পর্যাপ্ত ফ্যান ও আলোর ব্যবস্থা, নিরাপদ খাবার পানি, নামাজের জন্য কার্পেট এবং ভিআইপি কাতারে জায়নামাজ সরবরাহ করা হবে। পাশাপাশি নারীদের জন্য পৃথক প্রবেশ পথ ও নামাজ আদায়ের বিশেষ ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। ঈদ জামাতকে কেন্দ্র করে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

জাতীয় ঈদগাহে ঈদুল আজহার প্রধান ঈদের জামাত সাড়ে ৭টায়

জাতীয় ঈদগাহে ঈদুল আজহার প্রধান ঈদের জামাত সাড়ে ৭টায়

আপডেট: ১২:১৬:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬

সূর্যোদয় ডেস্ক : রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে পবিত্র ঈদুল আজহার প্রধান ঈদের জামাত ২৮ মে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টায় অনুষ্ঠিত হবে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) ব্যবস্থাপনায় ঈদুল আজহার প্রধান জামাতে অংশ নেবেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, বিচারপতি, রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ এবং বিদেশি কূটনীতিকরা। পবিত্র ঈদুল আজহার প্রধান ঈদের জামাত উপলক্ষ্যে জাতীয় ঈদগাহে সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। ডিএসসিসির প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম জানিয়েছেন, আধুনিক সুযোগ-সুবিধা, উন্নত নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং নারী-পুরুষের জন্য পৃথক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ঈদ জামাতকে সুশৃঙ্খল ও আরামদায়ক করতে ব্যাপক আয়োজন করা হয়েছে। এদিকে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি মুহাম্মদ আবদুল মালেক প্রধান জামাতে ইমামতি করবেন। জাতীয় ঈদগাহ ময়দানের মোট আয়তন প্রায় ৩০ হাজার বর্গমিটার। এর মধ্যে প্যান্ডেলের আওতায় রয়েছে ২৫ হাজার ৪০০ বর্গমিটার এলাকা। ১২১টি কাতারে একসঙ্গে প্রায় ৩৫ হাজার মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারবেন। এর মধ্যে ভিআইপি পুরুষ ২৫০ জন এবং নারী ৮০ জনের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এছাড়া সাধারণ মুসল্লিদের মধ্যে প্রায় ৩১ হাজার পুরুষ ও প্রায় সাড়ে ৩ হাজার নারী মুসল্লির জন্য পৃথক নামাজের ব্যবস্থা করা হয়েছে। গাহ ময়দানে প্রবেশের জন্য মোট চারটি ফটক রাখা হয়েছে। এর মধ্যে ভিআইপিদের জন্য একটি, সাধারণ পুরুষ মুসল্লিদের জন্য দুটি এবং নারী মুসল্লিদের জন্য একটি পৃথক ফটক থাকবে। অন্যদিকে বহির্গমনের জন্য রাখা হয়েছে সাতটি ফটক-যার মধ্যে ভিআইপিদের জন্য একটি, সাধারণ পুরুষ মুসল্লিদের জন্য পাঁচটি এবং নারীদের জন্য একটি পৃথক ফটক নির্ধারণ করা হয়েছে। ঈদ জামাতের জন্য মোট ১২১টি কাতারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এর মধ্যে ভিআইপি পুরুষদের জন্য পাঁচটি ও নারীদের জন্য একটি কাতার, সাধারণ পুরুষ মুসল্লিদের জন্য ৬৫টি বড় আকারের এবং নারী মুসল্লিদের জন্য ৫০টি ছোট আকারের কাতার থাকবে। অজুখানায় একসঙ্গে প্রায় ১৪০ জন মুসল্লি অজু করতে পারবেন। এর মধ্যে পুরুষদের জন্য ১১৩ জন এবং নারীদের জন্য ২৭ জনের পৃথক ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। মুসল্লিদের সুবিধার্থে ঈদগাহ ময়দানে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র, পর্যাপ্ত ফ্যান ও আলোর ব্যবস্থা, নিরাপদ খাবার পানি, নামাজের জন্য কার্পেট এবং ভিআইপি কাতারে জায়নামাজ সরবরাহ করা হবে। পাশাপাশি নারীদের জন্য পৃথক প্রবেশ পথ ও নামাজ আদায়ের বিশেষ ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। ঈদ জামাতকে কেন্দ্র করে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা।