চট্টগ্রাম ব্যুরো : চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার অন্তর্গত ২ নং দাঁতমারা ইউনিয়ন বর্তমানে সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি গত ২৫ আগষ্ট সোমবার হেঁয়াকোতে প্রবাসী মানিক বন বিভাগের জমি দখল করে বিক্রি করার পর স্থানীয়রা বাধা দেয়। কিন্তু সরকারি জমি দখলে বাধা দেওয়ায় প্রবাসী মানিক মানববন্ধনের নামে হেয়াকো বাজারে সামনে ঢাকা-খাগড়াছড়ি মহাসড়কে ব্যারিকেড দিয়ে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করতে থাকে। এর পর থেকে এলাকার বিভিন্ন স্থানে চাঁদাবাজি, অস্ত্রের মহড়া বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষ চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্য দিবালোকে চলাফেরা করলেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে না। অনেকেই ভয়ে মুখ খুলতে চাচ্ছেন না, আবার কেউ কেউ জানালেন— প্রতিবাদ করলেই হামলার শিকার হতে হচ্ছে। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, এলাকায় স্থানীয় বিএনপির ছত্রছায়ায় থাকা কসাই কবিরের সন্ত্রাসী গ্রুপ সক্রিয় রয়েছে। এর হাতে রয়েছে আগ্নেয়াস্ত্র ও ধারালো অস্ত্র। বিভিন্ন সময়ে এসব অস্ত্রের মহড়া দিয়ে সে জনমনে ভীতি ছড়াচ্ছে। সম্প্রতি হেয়াকো বাজারে অবস্থিত একটি এজেন্ট ব্যাংকে গিয়ে কসাই কবির মারধর করে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করা হয়। এজেন্ট ব্যাংকে হামলার পর বিল্ডিংটির মালিক সাইফুল আলম থানায় মামলা করতে চাইলেও হুমকির মুখে পিছু হটতে বাধ্য হয়। স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড দমনে অভিযান জোরদার করা হবে। ভূজপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহাবুব বলেন, যারা অপরাধে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, দাঁতমারা ইউনিয়নের মানুষ স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার জন্য প্রশাসনের কার্যকর হস্তক্ষেপের অপেক্ষায় রয়েছে। ন্যায়বিচার ও নিরাপত্তার জন্য তারা এখন সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন।
১২:৪১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:












