০৪:৩২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

লাঠিচার্জ ও টিয়ারশেলের কারণে সরে গেলেন আন্দোলনকারীরা

  • আপডেট: ০৩:১৯:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • 21

স্টাফ রিপোর্টার : দফায় দফায় লাঠিচার্জ, টিয়ারশেল, সাউন্ড গ্রেনেডের কারণে যমুনার সামনে থেকে সরে গেছেন পে-স্কেল ঘোষণার দাবিতে আন্দোলনরত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টার পর সরে যান তারা। আন্দোলনকারীরা শাহবাগের দিকে চলে যান। এ সময় সেখান থেকে বেশ কয়েকজনকে আটকও করা হয়। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার পর থেকে যমুনার সামনে সারা দেশ থেকে আগত আন্দোলনরত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বিক্ষোভ করতে থাকে। জানা গেছে, নবম পে-স্কেল ঘোষণার দাবিতে পূর্ব ঘোষণার কর্মসূচি হিসেবে সারাদেশ থেকে কয়েক হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারী শহীদ মিনারে একত্রিত হন। সকাল ১১টার দিকে তারা ঘোষণা দিয়ে যমুনার অভিমুখে রওনা হন। শাহবাগে মোড়ে আসতেই তারা প্রথম বাধার মুখে পড়েন। বিপুল সংখ্যক পুলিশ অবস্থান করলেও সেখানে তারা লাঠিচার্জ করেনি। এ সময় পুলিশ জলকামান নিক্ষেপ করে ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে। পুলিশি বাধা উপেক্ষা করে আন্দোলনকারীরা হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড় হয়ে যমুনার সামনে চলে যায়। সেখানে গিয়ে তারা বসে পড়েন এবং নানা স্লোগান দিতে থাকেন। বেলা সাড়ে ১১টার পর সেখানে আসেন বিপুল সংখ্যক পুলিশ সদস্য। আসেন বিজিবি সদস্যরাও। এরপর থেকে মূলত সেখান থেকে সরে যাওয়ার জন্য আন্দোলনকারীদের অনুরোধ করা হয়। কিন্তু তারা অনুরোধ না রাখলে পুলিশ অ্যাকশনে যায়। পুলিশ আন্দোলনকারীদের সরিয়ে দিতে বার বার জলকামান, সাউন্ড গ্রেনেড, টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। আন্দোলনকারীরা পুলিশের তোপের মুখে রমনা পার্কের ভেতরে ঢুকে যায়। পুলিশ সেখানে গিয়েও তাদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। প্রায় ঘণ্টাব্যাপি এভাবে পুলিশের সঙ্গে আন্দোলকারীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। দুপুর ১২টার পরপর পুলিশ ব্যাপক মারমুখি হয়ে উঠে। বিপুল সংখ্যক পুলিশ সদস্য আন্দোলনকারীদের ধাওয়া দেয়। এ সময় সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করা হয় সঙ্গে টিয়ারশেলও। এ সময় বেশ কয়েকজন আন্দোলকারী আহতও হন। আন্দোলনকারী বলেন, পুলিশী হামলার নিন্দা জানিয়েছেন। এদিকে রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার মাসুদ আলম বলেন, আমরা আন্দোলনকারী বর্তমানে সরিয়ে দিয়েছি। পরিস্থিতি আমাদের নিয়ন্ত্রণে আছে। তিনি আরও বলেন, আমরা প্রাথমিকভাবে কয়েকজন আটকও করেছি।

সর্বাধিক পঠিত

লাঠিচার্জ ও টিয়ারশেলের কারণে সরে গেলেন আন্দোলনকারীরা

আপডেট: ০৩:১৯:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার : দফায় দফায় লাঠিচার্জ, টিয়ারশেল, সাউন্ড গ্রেনেডের কারণে যমুনার সামনে থেকে সরে গেছেন পে-স্কেল ঘোষণার দাবিতে আন্দোলনরত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টার পর সরে যান তারা। আন্দোলনকারীরা শাহবাগের দিকে চলে যান। এ সময় সেখান থেকে বেশ কয়েকজনকে আটকও করা হয়। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার পর থেকে যমুনার সামনে সারা দেশ থেকে আগত আন্দোলনরত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বিক্ষোভ করতে থাকে। জানা গেছে, নবম পে-স্কেল ঘোষণার দাবিতে পূর্ব ঘোষণার কর্মসূচি হিসেবে সারাদেশ থেকে কয়েক হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারী শহীদ মিনারে একত্রিত হন। সকাল ১১টার দিকে তারা ঘোষণা দিয়ে যমুনার অভিমুখে রওনা হন। শাহবাগে মোড়ে আসতেই তারা প্রথম বাধার মুখে পড়েন। বিপুল সংখ্যক পুলিশ অবস্থান করলেও সেখানে তারা লাঠিচার্জ করেনি। এ সময় পুলিশ জলকামান নিক্ষেপ করে ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে। পুলিশি বাধা উপেক্ষা করে আন্দোলনকারীরা হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড় হয়ে যমুনার সামনে চলে যায়। সেখানে গিয়ে তারা বসে পড়েন এবং নানা স্লোগান দিতে থাকেন। বেলা সাড়ে ১১টার পর সেখানে আসেন বিপুল সংখ্যক পুলিশ সদস্য। আসেন বিজিবি সদস্যরাও। এরপর থেকে মূলত সেখান থেকে সরে যাওয়ার জন্য আন্দোলনকারীদের অনুরোধ করা হয়। কিন্তু তারা অনুরোধ না রাখলে পুলিশ অ্যাকশনে যায়। পুলিশ আন্দোলনকারীদের সরিয়ে দিতে বার বার জলকামান, সাউন্ড গ্রেনেড, টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। আন্দোলনকারীরা পুলিশের তোপের মুখে রমনা পার্কের ভেতরে ঢুকে যায়। পুলিশ সেখানে গিয়েও তাদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। প্রায় ঘণ্টাব্যাপি এভাবে পুলিশের সঙ্গে আন্দোলকারীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। দুপুর ১২টার পরপর পুলিশ ব্যাপক মারমুখি হয়ে উঠে। বিপুল সংখ্যক পুলিশ সদস্য আন্দোলনকারীদের ধাওয়া দেয়। এ সময় সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করা হয় সঙ্গে টিয়ারশেলও। এ সময় বেশ কয়েকজন আন্দোলকারী আহতও হন। আন্দোলনকারী বলেন, পুলিশী হামলার নিন্দা জানিয়েছেন। এদিকে রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার মাসুদ আলম বলেন, আমরা আন্দোলনকারী বর্তমানে সরিয়ে দিয়েছি। পরিস্থিতি আমাদের নিয়ন্ত্রণে আছে। তিনি আরও বলেন, আমরা প্রাথমিকভাবে কয়েকজন আটকও করেছি।