০৫:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ১৫

  • আপডেট: ০৮:৪৫:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
  • 169

সূর্যোদয় প্রতিবেদক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) জগন্নাথ হলে সরস্বতী পূজা উপলক্ষে আয়োজিত কনসার্ট চলাকালীন সময়ে ধাক্কাধাক্কিকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান ও ঢাবি শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকত গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। এতে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

গত ১৫ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার আনুমানিক রাত ১২টার পর ঘটনার সূত্রপাত। পরে কয়েক ঘণ্টা পর্যন্ত দফায় দফায় চলে সংঘর্ষ।

এরপর আজ ১৬ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার বিকেল ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনের সামনে এ দুই নেতার সামনে আবারও সংঘর্ষে জড়ান তাদের গ্রুপের অনুসারিরা। জানা যায়, জগন্নাথ হলে ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক ও ঢাবি শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের অনুসারীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এসময় উভয়পক্ষই রড, লাঠি, স্ট্যাম্প নিয়ে হামলা পাল্টা হামলা চালাতে থাকে। সংঘর্ষের সূত্রপাতের সময় ঘটনাস্থলে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাভাপতি, সাধারণ সম্পাদক উপস্থিত ছিলেন। একপর্যায়ে সংঘর্ষ থামাতে ব্যর্থ হয়ে এ চার নেতাই দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। পরে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা বিভিন্ন গ্রুপে ভাগ হয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে শোডাউন দেন।

সংঘর্ষে আহতরা হলেন, অপুর্ব চক্রবর্তী, পল্লব মন্ডল, অর্পন কুমার বাপ্পি, বিপ্লব পাল, বর্ষন রয়, অভিষেক ভাদুড়ি, জয় দাস। তারা সবাই ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ বুদ্ধিজীবী ডা. মোহাম্মদ মোর্তজা মেডিকেল সেন্টারে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। তবে, অপূর্ব চক্রবর্তীর মাথায় আটটি সেলাই লেগেছে। তিনি বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে ভর্তি আছেন।

এ বিষয়ে ঢাবি ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকত বলেন, মাতাল অবস্থায় ছাত্রলীগ নেতা গণেশ আমার গায়ের ওপর পড়লে সাময়িক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। পরে আমি মীমাংসা করে দিয়ে চলে আসি। পরে আমার গ্রুপের সঙ্গে পূর্বশত্রুতার জেরে হলের অন্যান্য কয়েকটি গ্রুপ একত্রিত হয়ে বাইরে থেকে লোক নিয়ে হামলা করেছে। বাইরে থেকে যাদের আনা হয়েছে তাদের শনাক্ত করতে হবে। ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান বলেন, আমি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নই।

জগন্নাথ হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মিহির লাল সাহা বলেন, রাতে ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষ হয়েছে। এতে ৩-৪জন আহত হয়েছেন। আমি তাদের রাতেই দেখে এসেছি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে। হলেও ভাঙচুর হয়ে।ে একজন লাফ দিয়েছে।

সর্বাধিক পঠিত

ভেনেজুয়েলায় জোড়া ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা ১৬৪

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ১৫

আপডেট: ০৮:৪৫:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

সূর্যোদয় প্রতিবেদক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) জগন্নাথ হলে সরস্বতী পূজা উপলক্ষে আয়োজিত কনসার্ট চলাকালীন সময়ে ধাক্কাধাক্কিকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান ও ঢাবি শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকত গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। এতে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

গত ১৫ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার আনুমানিক রাত ১২টার পর ঘটনার সূত্রপাত। পরে কয়েক ঘণ্টা পর্যন্ত দফায় দফায় চলে সংঘর্ষ।

এরপর আজ ১৬ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার বিকেল ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনের সামনে এ দুই নেতার সামনে আবারও সংঘর্ষে জড়ান তাদের গ্রুপের অনুসারিরা। জানা যায়, জগন্নাথ হলে ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক ও ঢাবি শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের অনুসারীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এসময় উভয়পক্ষই রড, লাঠি, স্ট্যাম্প নিয়ে হামলা পাল্টা হামলা চালাতে থাকে। সংঘর্ষের সূত্রপাতের সময় ঘটনাস্থলে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাভাপতি, সাধারণ সম্পাদক উপস্থিত ছিলেন। একপর্যায়ে সংঘর্ষ থামাতে ব্যর্থ হয়ে এ চার নেতাই দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। পরে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা বিভিন্ন গ্রুপে ভাগ হয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে শোডাউন দেন।

সংঘর্ষে আহতরা হলেন, অপুর্ব চক্রবর্তী, পল্লব মন্ডল, অর্পন কুমার বাপ্পি, বিপ্লব পাল, বর্ষন রয়, অভিষেক ভাদুড়ি, জয় দাস। তারা সবাই ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ বুদ্ধিজীবী ডা. মোহাম্মদ মোর্তজা মেডিকেল সেন্টারে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। তবে, অপূর্ব চক্রবর্তীর মাথায় আটটি সেলাই লেগেছে। তিনি বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে ভর্তি আছেন।

এ বিষয়ে ঢাবি ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকত বলেন, মাতাল অবস্থায় ছাত্রলীগ নেতা গণেশ আমার গায়ের ওপর পড়লে সাময়িক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। পরে আমি মীমাংসা করে দিয়ে চলে আসি। পরে আমার গ্রুপের সঙ্গে পূর্বশত্রুতার জেরে হলের অন্যান্য কয়েকটি গ্রুপ একত্রিত হয়ে বাইরে থেকে লোক নিয়ে হামলা করেছে। বাইরে থেকে যাদের আনা হয়েছে তাদের শনাক্ত করতে হবে। ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান বলেন, আমি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নই।

জগন্নাথ হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মিহির লাল সাহা বলেন, রাতে ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষ হয়েছে। এতে ৩-৪জন আহত হয়েছেন। আমি তাদের রাতেই দেখে এসেছি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে। হলেও ভাঙচুর হয়ে।ে একজন লাফ দিয়েছে।