Dhaka ১১:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ জুন ২০২৪, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

পানির চাপ নিয়ন্ত্রণে খুলে দেওয়া হয়েছে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪ জলকপাট

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:৫৪:২৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ জুলাই ২০২৩
  • 11

নীলফামারী প্রতিনিধি : উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে ক্রমশ বাড়ছে তিস্তার পানি। এতে পানির চাপ নিয়ন্ত্রণে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪ জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে। আজ ১৪ জুলাই শুক্রবার সকাল ৬টায় তিস্তা ব্যারেজের ডালিয়া পয়েন্টে পানি প্রবাহ রেকর্ড করা হয় ৫২ দশমিক ৫৫ সেন্টিমিটার।

তবে সকাল ৯টায় বিপৎসীমার ৩২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। তিস্তা নদীর স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ ৫২ দশমিক ১৫ সেন্টিমিটার।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যাপূর্বাভাস কেন্দ্রের তথ্য অনুসারে, চলতি মাসের গত ৫ জুলাই বুধবার তিস্তার পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেছিল। এরপর কমে গিয়ে গত ১১ জুলাই মঙ্গলবার থেকে পানি বাড়তে থাকে যা গতকাল ১৩ জুলাই বৃহস্পতিবার বিপৎসীমা অতিক্রমের পর ক্রমশ বাড়তে থাকে।

জানা গেছে, ডিমলা উপজেলার কালিগঞ্জ, ঝারসিংহেসর, খগারচর, জুয়ার চর, বাংলাপাড়া, উত্তর খড়িবাড়ী, বাইশপুকুর ও জলঢাকা উপজেলার ফরেস্টের চর, ভাবনচুর, ডাউয়াবাড়ীসহ বেশ কয়েকটি চরে পানিতে তলিয়ে গেছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে হাজারো মানুষ। বন্যায় ক্ষয়ক্ষতি কমাতে স্থানীয়দের সতর্ক করেছে উপজেলা প্রশাসন।
ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আসফাউদ্দৌলা জানান, দুইদিনে উল্লেখ্যযোগ্য হারে পানি বেড়েছে। আজ সকাল ৬টায় বিপৎসীমার ৩২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

Tag :

পানির চাপ নিয়ন্ত্রণে খুলে দেওয়া হয়েছে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪ জলকপাট

Update Time : ১১:৫৪:২৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ জুলাই ২০২৩

নীলফামারী প্রতিনিধি : উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে ক্রমশ বাড়ছে তিস্তার পানি। এতে পানির চাপ নিয়ন্ত্রণে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪ জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে। আজ ১৪ জুলাই শুক্রবার সকাল ৬টায় তিস্তা ব্যারেজের ডালিয়া পয়েন্টে পানি প্রবাহ রেকর্ড করা হয় ৫২ দশমিক ৫৫ সেন্টিমিটার।

তবে সকাল ৯টায় বিপৎসীমার ৩২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। তিস্তা নদীর স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ ৫২ দশমিক ১৫ সেন্টিমিটার।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যাপূর্বাভাস কেন্দ্রের তথ্য অনুসারে, চলতি মাসের গত ৫ জুলাই বুধবার তিস্তার পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেছিল। এরপর কমে গিয়ে গত ১১ জুলাই মঙ্গলবার থেকে পানি বাড়তে থাকে যা গতকাল ১৩ জুলাই বৃহস্পতিবার বিপৎসীমা অতিক্রমের পর ক্রমশ বাড়তে থাকে।

জানা গেছে, ডিমলা উপজেলার কালিগঞ্জ, ঝারসিংহেসর, খগারচর, জুয়ার চর, বাংলাপাড়া, উত্তর খড়িবাড়ী, বাইশপুকুর ও জলঢাকা উপজেলার ফরেস্টের চর, ভাবনচুর, ডাউয়াবাড়ীসহ বেশ কয়েকটি চরে পানিতে তলিয়ে গেছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে হাজারো মানুষ। বন্যায় ক্ষয়ক্ষতি কমাতে স্থানীয়দের সতর্ক করেছে উপজেলা প্রশাসন।
ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আসফাউদ্দৌলা জানান, দুইদিনে উল্লেখ্যযোগ্য হারে পানি বেড়েছে। আজ সকাল ৬টায় বিপৎসীমার ৩২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।