০১:০৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফটিকছড়ির হেঁয়াকো বনানী বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি প্রধান শিক্ষকের ছোট বোন

  • আপডেট: ০১:০৩:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬
  • 5

চট্টগ্রাম ব্যুরো ● চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার দাঁতমারা ইউনিয়নের হেঁয়াকো বনানী উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পেয়েছেন বিদ্যালয়ের বর্তমান প্রধান শিক্ষক মির্জা বখতিয়ার উদ্দিন বকুলের ছোট বোন মোসাম্মৎ সেলিনা আকতার। একই পরিবারের দুই সদস্যের হাতে বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও আর্থিক দায়িত্ব থাকায় স্বজনপ্রীতি ও আর্থিক স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। অভিযোগের ভিত্তিতে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রধান শিক্ষক মির্জা বখতিয়ার উদ্দিন বকুল বর্তমানে হেঁয়াকো বনানী উচ্চ বিদ্যালয়ে দায়িত্ব পালন করছেন। আর তাঁর ছোট বোন মোসাম্মৎ সেলিনা আকতার শেলীকে গত ১৬ জুলাই চট্টগ্রাম মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের বিদ্যালয় পরিদর্শক প্রফেসর মোহাম্মদ আবুল কাশেম স্বাক্ষরিত নোটিশের মাধ্যমে বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। শিক্ষাবিদদের ভাষ্য, বিদ্যালয়ের ব্যাংক হিসাব সাধারণত প্রধান শিক্ষক ও পরিচালনা কমিটির সভাপতির যৌথ স্বাক্ষরে পরিচালিত হয়। ফলে একই পরিবারের ভাই-বোন যদি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সভাপতির দায়িত্বে থাকেন, তাহলে আর্থিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও হিসাব পরিচালনায় স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠার সুযোগ রয়েছে। এতে সম্ভাব্য স্বজনপ্রীতি বা স্বার্থের সংঘাতের ঝুঁকিও তৈরি হতে পারে। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রধান শিক্ষক মির্জা বখতিয়ার উদ্দিন বকুল দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে টানা পাঁচবার দায়িত্ব পালন করেন ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার দাঁতমারা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি মজিবুল হক মজুমদার মজু কোম্পানি। সম্পর্কে তিনি প্রধান শিক্ষকের বেয়াই। একারনেই হেঁয়াকো বনানী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মির্জা বখতেয়ার উদ্দিন বকুল মাষ্টার আওয়ামী লীগ সরকারের দীর্ঘ শাসনামলে বিদ্যালয়ে দোর্দণ্ড প্রতাপ দেখিয়ে চলেছেন। বর্তমানে প্রধান শিক্ষকের ছোট বোনকে এডহক কমিটির সভাপতি করায় বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। এব্যাপারে মির্জা বখতিয়ার উদ্দিন বকুল মাস্টারের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। স্থানীয়দের প্রশ্ন—একই পরিবারের সদস্য প্রধান শিক্ষক ও কমিটির সভাপতি হলে বিদ্যালয়ের ব্যাংক হিসাব পরিচালনা, আর্থিক সিদ্ধান্ত এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমে প্রয়োজনীয় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা কীভাবে নিশ্চিত হবে?

সর্বাধিক পঠিত

ফটিকছড়ির হেঁয়াকো বনানী বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি প্রধান শিক্ষকের ছোট বোন

ফটিকছড়ির হেঁয়াকো বনানী বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি প্রধান শিক্ষকের ছোট বোন

আপডেট: ০১:০৩:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬

চট্টগ্রাম ব্যুরো ● চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার দাঁতমারা ইউনিয়নের হেঁয়াকো বনানী উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পেয়েছেন বিদ্যালয়ের বর্তমান প্রধান শিক্ষক মির্জা বখতিয়ার উদ্দিন বকুলের ছোট বোন মোসাম্মৎ সেলিনা আকতার। একই পরিবারের দুই সদস্যের হাতে বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও আর্থিক দায়িত্ব থাকায় স্বজনপ্রীতি ও আর্থিক স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। অভিযোগের ভিত্তিতে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রধান শিক্ষক মির্জা বখতিয়ার উদ্দিন বকুল বর্তমানে হেঁয়াকো বনানী উচ্চ বিদ্যালয়ে দায়িত্ব পালন করছেন। আর তাঁর ছোট বোন মোসাম্মৎ সেলিনা আকতার শেলীকে গত ১৬ জুলাই চট্টগ্রাম মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের বিদ্যালয় পরিদর্শক প্রফেসর মোহাম্মদ আবুল কাশেম স্বাক্ষরিত নোটিশের মাধ্যমে বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। শিক্ষাবিদদের ভাষ্য, বিদ্যালয়ের ব্যাংক হিসাব সাধারণত প্রধান শিক্ষক ও পরিচালনা কমিটির সভাপতির যৌথ স্বাক্ষরে পরিচালিত হয়। ফলে একই পরিবারের ভাই-বোন যদি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সভাপতির দায়িত্বে থাকেন, তাহলে আর্থিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও হিসাব পরিচালনায় স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠার সুযোগ রয়েছে। এতে সম্ভাব্য স্বজনপ্রীতি বা স্বার্থের সংঘাতের ঝুঁকিও তৈরি হতে পারে। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রধান শিক্ষক মির্জা বখতিয়ার উদ্দিন বকুল দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে টানা পাঁচবার দায়িত্ব পালন করেন ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার দাঁতমারা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি মজিবুল হক মজুমদার মজু কোম্পানি। সম্পর্কে তিনি প্রধান শিক্ষকের বেয়াই। একারনেই হেঁয়াকো বনানী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মির্জা বখতেয়ার উদ্দিন বকুল মাষ্টার আওয়ামী লীগ সরকারের দীর্ঘ শাসনামলে বিদ্যালয়ে দোর্দণ্ড প্রতাপ দেখিয়ে চলেছেন। বর্তমানে প্রধান শিক্ষকের ছোট বোনকে এডহক কমিটির সভাপতি করায় বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। এব্যাপারে মির্জা বখতিয়ার উদ্দিন বকুল মাস্টারের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। স্থানীয়দের প্রশ্ন—একই পরিবারের সদস্য প্রধান শিক্ষক ও কমিটির সভাপতি হলে বিদ্যালয়ের ব্যাংক হিসাব পরিচালনা, আর্থিক সিদ্ধান্ত এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমে প্রয়োজনীয় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা কীভাবে নিশ্চিত হবে?