১০:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফটিকছড়ির ওসি রবিউল পেলেন নগদ অর্থসহ সম্মাননা

  • আপডেট: ১০:১৬:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬
  • 1

চট্টগ্রাম ব্যুরো ● ফটিকছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল আলম খানকে তার পেশাদারিত্ব, দক্ষতা ও সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ নগদ অর্থসহ সম্মাননা প্রদান করেছেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী। মঙ্গলবার ১৭ আগস্ট চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ লাইন সিভিক সেন্টারে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের উদ্যোগে এক বিশেষ কল্যাণ সভায় দায়িত্ব পালনে বিশেষ অবদান, পেশাদারিত্ব, দক্ষতা ও সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ। সভায় সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম। এসময় চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী পিপিএম সকল থানার অফিসার ইনচার্জদের (ওসি) সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন। মতবিনিময় সভায় চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী চট্টগ্রাম জেলার সকল থানার অফিসার ইনচার্জদের (ওসি)দের উদ্দেশ্যে বলেন, সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, অপরাধের ধরন ও প্রবণতা, মামলার তদন্ত ও নিষ্পত্তির অগ্রগতি এবং মাদকবিরোধী কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। সভায় থানাভিত্তিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনার পাশাপাশি পুলিশের সেবামূলক কার্যক্রম, গুরুত্বপূর্ণ ও চাঞ্চল্যকর মামলার তদন্ত, গ্রেফতারি পরোয়ানা তামিল এবং সাধারণ মানুষের অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তির বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়। ডিআইজি আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী বলেন, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশকে আরও সক্রিয়, পেশাদার ও প্রযুক্তিনির্ভরভাবে কাজ করতে হবে। মাদক নির্মূলে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ ও নজরদারি জোরদারের পাশাপাশি মাদকের উৎস, সরবরাহকারী ও মূল হোতাদের আইনের আওতায় আনতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেন তিনি। সভায় চট্টগ্রাম জেলার পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম বিপিএম বলেন, জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, মাদক, কিশোর অপরাধ, চুরি-ছিনতাই, ডাকাতি ও সাইবার অপরাধসহ বিভিন্ন অপরাধের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান আরও জোরদার করা হবে। নারী ও শিশু নির্যাতনসহ সংবেদনশীল মামলায় দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ভুক্তভোগীদের প্রতি মানবিক আচরণ নিশ্চিত করা হবে। পুলিশ সুপার আরও বলেন, থানাকে জনগণের আস্থার কেন্দ্রে পরিণত করতে পুলিশি সেবায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও পেশাদারিত্ব নিশ্চিত করা হবে।

সর্বাধিক পঠিত

ফটিকছড়ির ওসি রবিউল পেলেন নগদ অর্থসহ সম্মাননা

ফটিকছড়ির ওসি রবিউল পেলেন নগদ অর্থসহ সম্মাননা

আপডেট: ১০:১৬:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬

চট্টগ্রাম ব্যুরো ● ফটিকছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল আলম খানকে তার পেশাদারিত্ব, দক্ষতা ও সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ নগদ অর্থসহ সম্মাননা প্রদান করেছেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী। মঙ্গলবার ১৭ আগস্ট চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ লাইন সিভিক সেন্টারে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের উদ্যোগে এক বিশেষ কল্যাণ সভায় দায়িত্ব পালনে বিশেষ অবদান, পেশাদারিত্ব, দক্ষতা ও সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ। সভায় সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম। এসময় চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী পিপিএম সকল থানার অফিসার ইনচার্জদের (ওসি) সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন। মতবিনিময় সভায় চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী চট্টগ্রাম জেলার সকল থানার অফিসার ইনচার্জদের (ওসি)দের উদ্দেশ্যে বলেন, সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, অপরাধের ধরন ও প্রবণতা, মামলার তদন্ত ও নিষ্পত্তির অগ্রগতি এবং মাদকবিরোধী কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। সভায় থানাভিত্তিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনার পাশাপাশি পুলিশের সেবামূলক কার্যক্রম, গুরুত্বপূর্ণ ও চাঞ্চল্যকর মামলার তদন্ত, গ্রেফতারি পরোয়ানা তামিল এবং সাধারণ মানুষের অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তির বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়। ডিআইজি আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী বলেন, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশকে আরও সক্রিয়, পেশাদার ও প্রযুক্তিনির্ভরভাবে কাজ করতে হবে। মাদক নির্মূলে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ ও নজরদারি জোরদারের পাশাপাশি মাদকের উৎস, সরবরাহকারী ও মূল হোতাদের আইনের আওতায় আনতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেন তিনি। সভায় চট্টগ্রাম জেলার পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম বিপিএম বলেন, জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, মাদক, কিশোর অপরাধ, চুরি-ছিনতাই, ডাকাতি ও সাইবার অপরাধসহ বিভিন্ন অপরাধের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান আরও জোরদার করা হবে। নারী ও শিশু নির্যাতনসহ সংবেদনশীল মামলায় দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ভুক্তভোগীদের প্রতি মানবিক আচরণ নিশ্চিত করা হবে। পুলিশ সুপার আরও বলেন, থানাকে জনগণের আস্থার কেন্দ্রে পরিণত করতে পুলিশি সেবায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও পেশাদারিত্ব নিশ্চিত করা হবে।