০৩:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পরিকল্পিত যৌথ অভিযানের মাধ্যমে জঙ্গল সলিমপুরকে সন্ত্রাসমুক্ত করব: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

  • আপডেট: ০৩:০৯:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬
  • 1

চট্টগ্রাম ব্যুরো : চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুর এলাকাকে সন্ত্রাসমুক্ত করার ঘোষণা দিয়ে রাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, বিগত ১৭ বছর ধরে আলীনগর-জঙ্গল সলিমপুর এলাকা সন্ত্রাসীদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে পরিচিত ছিল। আমরা পরিকল্পিত ও যৌথ অভিযানের মাধ্যমে এই এলাকাকে সন্ত্রাসমুক্ত করব। আজ ৩১ মে রবিবার সকাল ১০টায় জঙ্গল সলিমপুর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন। সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, সারাদেশে মাদক, সন্ত্রাস, জুয়া ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই চারটি অপরাধকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে মোকাবিলা করা হবে এবং নির্মূলের চেষ্টা চালানো হবে। জুয়া নিয়ন্ত্রণে বিদ্যমান আইনের সীমাবদ্ধতার কথা তুলে ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ১৮৬৭ সালের জুয়া আইনের মাধ্যমে আধুনিক অনলাইন ও অফলাইন জুয়া কিংবা বেটিং কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হচ্ছে না। এ কারণে নতুন আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী সংসদ অধিবেশনেই এ সংক্রান্ত আইনি সংস্কার আনার চেষ্টা করা হবে বলে জানান তিনি। মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশোধনের বিষয়েও তিনি বলেন, মাদকসংক্রান্ত মামলাগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। বর্তমানে হাজার হাজার মাদক মামলা বছরের পর বছর ঝুলে আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, নতুন আইনি কাঠামোর মাধ্যমে এসব মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি সম্ভব হবে। কিশোর গ্যাংয়ের ক্রমবর্ধমান তৎপরতা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, বিদ্যমান আইনের কিছু সুবিধা ও ফাঁকফোকর ব্যবহার করে অনেক কিশোর অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে এবং পরবর্তীতে তারা সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসীতে পরিণত হচ্ছে। এ কারণে কিশোর অপরাধ মোকাবিলায়ও আইনি সংস্কার আনার প্রয়োজনীয়তার কথা জানান তিনি। তিনি বলেন, আমরা আইনি সংস্কার, পরিকল্পিত অভিযান এবং সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে দেশকে মাদক, সন্ত্রাস, জুয়া ও চাঁদাবাজিমুক্ত করার চেষ্টা করব। এর মাধ্যমে যুব সমাজকে রক্ষা করা সম্ভব হবে। এসময় মন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি), বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক, র‍্যাবের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন সরকারি সংস্থার প্রতিনিধিরা।

পরিকল্পিত যৌথ অভিযানের মাধ্যমে জঙ্গল সলিমপুরকে সন্ত্রাসমুক্ত করব: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

পরিকল্পিত যৌথ অভিযানের মাধ্যমে জঙ্গল সলিমপুরকে সন্ত্রাসমুক্ত করব: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট: ০৩:০৯:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬

চট্টগ্রাম ব্যুরো : চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুর এলাকাকে সন্ত্রাসমুক্ত করার ঘোষণা দিয়ে রাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, বিগত ১৭ বছর ধরে আলীনগর-জঙ্গল সলিমপুর এলাকা সন্ত্রাসীদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে পরিচিত ছিল। আমরা পরিকল্পিত ও যৌথ অভিযানের মাধ্যমে এই এলাকাকে সন্ত্রাসমুক্ত করব। আজ ৩১ মে রবিবার সকাল ১০টায় জঙ্গল সলিমপুর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন। সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, সারাদেশে মাদক, সন্ত্রাস, জুয়া ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই চারটি অপরাধকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে মোকাবিলা করা হবে এবং নির্মূলের চেষ্টা চালানো হবে। জুয়া নিয়ন্ত্রণে বিদ্যমান আইনের সীমাবদ্ধতার কথা তুলে ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ১৮৬৭ সালের জুয়া আইনের মাধ্যমে আধুনিক অনলাইন ও অফলাইন জুয়া কিংবা বেটিং কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হচ্ছে না। এ কারণে নতুন আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী সংসদ অধিবেশনেই এ সংক্রান্ত আইনি সংস্কার আনার চেষ্টা করা হবে বলে জানান তিনি। মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশোধনের বিষয়েও তিনি বলেন, মাদকসংক্রান্ত মামলাগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। বর্তমানে হাজার হাজার মাদক মামলা বছরের পর বছর ঝুলে আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, নতুন আইনি কাঠামোর মাধ্যমে এসব মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি সম্ভব হবে। কিশোর গ্যাংয়ের ক্রমবর্ধমান তৎপরতা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, বিদ্যমান আইনের কিছু সুবিধা ও ফাঁকফোকর ব্যবহার করে অনেক কিশোর অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে এবং পরবর্তীতে তারা সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসীতে পরিণত হচ্ছে। এ কারণে কিশোর অপরাধ মোকাবিলায়ও আইনি সংস্কার আনার প্রয়োজনীয়তার কথা জানান তিনি। তিনি বলেন, আমরা আইনি সংস্কার, পরিকল্পিত অভিযান এবং সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে দেশকে মাদক, সন্ত্রাস, জুয়া ও চাঁদাবাজিমুক্ত করার চেষ্টা করব। এর মাধ্যমে যুব সমাজকে রক্ষা করা সম্ভব হবে। এসময় মন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি), বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক, র‍্যাবের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন সরকারি সংস্থার প্রতিনিধিরা।