০৫:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দিনাজপুরের মধ্যপাড়া কঠিন শিলা খনিতে পাথর উত্তোলন কার্যক্রম বন্ধ

  • আপডেট: ১২:০৪:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬
  • 6

মিশু দাশ : দিনাজপুরের মধ্যপাড়া কঠিন শিলা খনিতে পাথর উত্তোলন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। মঙ্গলবার সকাল থেকে পাথর উত্তোলন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। পাথর উত্তোলনে ব্যবহৃত বিস্ফোরক পদার্থ অ্যামোনিয়াম নাইট্রেটের মজুত শেষ হওয়ায় উত্তোলন কার্যক্রম বন্ধ হয়েছে বলে জানিয়েছে খনি কর্তৃপক্ষ। তবে উৎপাদন বন্ধ থাকলেও দেশের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে পাথরের কোনও ঘাটতি হবে না। বর্তমানে এই খনির অভ্যন্তরে ১৫ লাখ মেট্রিক টন পাথর মজুত রয়েছে। উল্লেখ্য, দেশের একমাত্র পাথরখনি হিসেবে বাণিজ্যিকভাবে ২০০৭ সালের ২৫ মে যাত্রা শুরু করে দিনাজপুরের মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং কোম্পানি লিমিটেড (এমজিএমসিএল)। বর্তমানে প্রায় সাড়ে ৭০০ শ্রমিক তিন শিফটে খনিতে কাজ করছেন এবং প্রতিদিন গড়ে প্রায় সাড়ে ৫ হাজার মেট্রিক টন পাথর উত্তোলন করা হয়। প্রথম অবস্থায় খনি থেকে দৈনিক ১ হাজার ৫শ’ থেকে ১ হাজার ৮শ’ টন পাথর উত্তোলন হলেও পরে তা নেমে আসে মাত্র ৫শ’ টনে। উৎপাদনে যাওয়ার পর থেকে ২০১৩ সালের জুন পর্যন্ত লোকসানের পরিমাণ দাঁড়ায় শতকোটি টাকার উপরে। এমন অবস্থায় দেশের চাহিদা মেটানো ও উৎপাদন বাড়াতে ২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ৯২ লাখ মেট্রিক টন পাথর উত্তোলনের জন্য খনির উৎপাদন ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব দেওয়া হয় বেলারুশের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জার্মানিয়া ট্রাস্ট কনসোর্টিয়াম-জিটিসি’কে। পাথরখনির উন্নয়ন ও উৎপাদনে দুই শতাধিক বিদেশি খনি বিশেষজ্ঞ ও দেশি প্রকৌশলী এবং ৭ শতাধিক দক্ষ খনিশ্রমিক ও দুই শতাধিক কর্মকর্তা তিন শিফটে কাজ শুরু করে জিটিসি। এরপর থেকে লাভের মুখ দেখতে পায় খনিটি। খনি সূত্রে জানা যায়, দেশে প্রতি বছর ছয় হাজার কোটি টাকার (প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ টন) পাথরের চাহিদা রয়েছে। যেভাবে পাথর উত্তোলন করা হচ্ছে এতে বছরে ১৭ থেকে ১৮ মেট্রিক টন পাথর সরবরাহ করা সম্ভব এই খনি থেকে।

দিনাজপুরের মধ্যপাড়া কঠিন শিলা খনিতে পাথর উত্তোলন কার্যক্রম বন্ধ

আপডেট: ১২:০৪:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬

মিশু দাশ : দিনাজপুরের মধ্যপাড়া কঠিন শিলা খনিতে পাথর উত্তোলন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। মঙ্গলবার সকাল থেকে পাথর উত্তোলন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। পাথর উত্তোলনে ব্যবহৃত বিস্ফোরক পদার্থ অ্যামোনিয়াম নাইট্রেটের মজুত শেষ হওয়ায় উত্তোলন কার্যক্রম বন্ধ হয়েছে বলে জানিয়েছে খনি কর্তৃপক্ষ। তবে উৎপাদন বন্ধ থাকলেও দেশের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে পাথরের কোনও ঘাটতি হবে না। বর্তমানে এই খনির অভ্যন্তরে ১৫ লাখ মেট্রিক টন পাথর মজুত রয়েছে। উল্লেখ্য, দেশের একমাত্র পাথরখনি হিসেবে বাণিজ্যিকভাবে ২০০৭ সালের ২৫ মে যাত্রা শুরু করে দিনাজপুরের মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং কোম্পানি লিমিটেড (এমজিএমসিএল)। বর্তমানে প্রায় সাড়ে ৭০০ শ্রমিক তিন শিফটে খনিতে কাজ করছেন এবং প্রতিদিন গড়ে প্রায় সাড়ে ৫ হাজার মেট্রিক টন পাথর উত্তোলন করা হয়। প্রথম অবস্থায় খনি থেকে দৈনিক ১ হাজার ৫শ’ থেকে ১ হাজার ৮শ’ টন পাথর উত্তোলন হলেও পরে তা নেমে আসে মাত্র ৫শ’ টনে। উৎপাদনে যাওয়ার পর থেকে ২০১৩ সালের জুন পর্যন্ত লোকসানের পরিমাণ দাঁড়ায় শতকোটি টাকার উপরে। এমন অবস্থায় দেশের চাহিদা মেটানো ও উৎপাদন বাড়াতে ২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ৯২ লাখ মেট্রিক টন পাথর উত্তোলনের জন্য খনির উৎপাদন ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব দেওয়া হয় বেলারুশের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জার্মানিয়া ট্রাস্ট কনসোর্টিয়াম-জিটিসি’কে। পাথরখনির উন্নয়ন ও উৎপাদনে দুই শতাধিক বিদেশি খনি বিশেষজ্ঞ ও দেশি প্রকৌশলী এবং ৭ শতাধিক দক্ষ খনিশ্রমিক ও দুই শতাধিক কর্মকর্তা তিন শিফটে কাজ শুরু করে জিটিসি। এরপর থেকে লাভের মুখ দেখতে পায় খনিটি। খনি সূত্রে জানা যায়, দেশে প্রতি বছর ছয় হাজার কোটি টাকার (প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ টন) পাথরের চাহিদা রয়েছে। যেভাবে পাথর উত্তোলন করা হচ্ছে এতে বছরে ১৭ থেকে ১৮ মেট্রিক টন পাথর সরবরাহ করা সম্ভব এই খনি থেকে।