০৫:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আগামী সপ্তাহেই বড় ধরনের হামলা চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র

  • আপডেট: ০৫:২৪:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
  • 1

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : গত মাসে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতির পর ইরানে আবারও নতুন করে বড় ধরনের হামলা চালানোর জন্য সবচেয়ে জোরালো প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। আগামী সপ্তাহের শুরুর দিকেই এই হামলা শুরু হতে পারে বলে মধ্যপ্রাচ্যের দুই কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস। মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, সামরিক অভিযানের অন্যতম একটি বিকল্প পরিকল্পনা হলো ভূগর্ভস্থ বা ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে থাকা পারমাণবিক উপাদানগুলো বের করে আনতে সরাসরি ইরানি ভূখণ্ডে কমান্ডো বাহিনী মোতায়েন। তবে সামরিক কর্মকর্তারা নিউ ইয়র্ক টাইমসকে জানিয়েছেন, এই ধরনের জটিল অপারেশনে বড় ধরনের প্রাণহানির ঝুঁকি রয়েছে। কারণ, কমান্ডোদের অভিযানের এলাকাটি সুরক্ষিত রাখতে এবং চারদিকে একটি প্রতিরক্ষামূলক বলয় তৈরি করতে হাজার হাজার সহায়তাকারী সেনার প্রয়োজন হবে। এছাড়া ওই এলাকায় ইরানের স্থলবাহিনীর সঙ্গে সরাসরি তুমুল লড়াইয়ে জড়িয়ে পড়ার তীব্র আশঙ্কাও রয়েছে। কর্মকর্তারা আরও জানিয়েছেন, পারস্য উপসাগরে অবস্থিত ইরানের প্রধান তেল রফতানি কেন্দ্র খার্গ দ্বীপ দখল করার জন্যও স্থল সেনা ব্যবহার করা হতে পারে। এর বাইরে আরেকটি বিকল্প পরিকল্পনা হিসেবে রয়েছে, যেখানে ইরানের সামরিক ঘাঁটি এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোগুলোতে আরও তীব্র ও ব্যাপক বিমান হামলা চালানো হবে। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী এবং দেশটির শীর্ষ নেতারা এর আগে জানিয়েছিলেন, মার্কিন বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে ইরানের বিরুদ্ধে তাদের এই অভিযানের মূল লক্ষ্য ছিল ইরানি শাসকগোষ্ঠীর সামরিক সক্ষমতা ধ্বংস করা, ইরানের পারমাণবিক ও ব্যালিস্টিক মিসাইল কর্মসূচিসহ দেশটির তৈরি করা সমস্ত হুমকি দূর করা এবং ইরানি জনগণের জন্য বর্তমান সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার উপযুক্ত পরিস্থিতি তৈরি করা। তবে গত মাসে হওয়া যুদ্ধবিরতির কারণে ইসরায়েলের ঘোষিত এই লক্ষ্যগুলোর কোনোটিই এখনও পূরণ হয়নি।

আগামী সপ্তাহেই বড় ধরনের হামলা চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র

আগামী সপ্তাহেই বড় ধরনের হামলা চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট: ০৫:২৪:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : গত মাসে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতির পর ইরানে আবারও নতুন করে বড় ধরনের হামলা চালানোর জন্য সবচেয়ে জোরালো প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। আগামী সপ্তাহের শুরুর দিকেই এই হামলা শুরু হতে পারে বলে মধ্যপ্রাচ্যের দুই কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস। মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, সামরিক অভিযানের অন্যতম একটি বিকল্প পরিকল্পনা হলো ভূগর্ভস্থ বা ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে থাকা পারমাণবিক উপাদানগুলো বের করে আনতে সরাসরি ইরানি ভূখণ্ডে কমান্ডো বাহিনী মোতায়েন। তবে সামরিক কর্মকর্তারা নিউ ইয়র্ক টাইমসকে জানিয়েছেন, এই ধরনের জটিল অপারেশনে বড় ধরনের প্রাণহানির ঝুঁকি রয়েছে। কারণ, কমান্ডোদের অভিযানের এলাকাটি সুরক্ষিত রাখতে এবং চারদিকে একটি প্রতিরক্ষামূলক বলয় তৈরি করতে হাজার হাজার সহায়তাকারী সেনার প্রয়োজন হবে। এছাড়া ওই এলাকায় ইরানের স্থলবাহিনীর সঙ্গে সরাসরি তুমুল লড়াইয়ে জড়িয়ে পড়ার তীব্র আশঙ্কাও রয়েছে। কর্মকর্তারা আরও জানিয়েছেন, পারস্য উপসাগরে অবস্থিত ইরানের প্রধান তেল রফতানি কেন্দ্র খার্গ দ্বীপ দখল করার জন্যও স্থল সেনা ব্যবহার করা হতে পারে। এর বাইরে আরেকটি বিকল্প পরিকল্পনা হিসেবে রয়েছে, যেখানে ইরানের সামরিক ঘাঁটি এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোগুলোতে আরও তীব্র ও ব্যাপক বিমান হামলা চালানো হবে। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী এবং দেশটির শীর্ষ নেতারা এর আগে জানিয়েছিলেন, মার্কিন বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে ইরানের বিরুদ্ধে তাদের এই অভিযানের মূল লক্ষ্য ছিল ইরানি শাসকগোষ্ঠীর সামরিক সক্ষমতা ধ্বংস করা, ইরানের পারমাণবিক ও ব্যালিস্টিক মিসাইল কর্মসূচিসহ দেশটির তৈরি করা সমস্ত হুমকি দূর করা এবং ইরানি জনগণের জন্য বর্তমান সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার উপযুক্ত পরিস্থিতি তৈরি করা। তবে গত মাসে হওয়া যুদ্ধবিরতির কারণে ইসরায়েলের ঘোষিত এই লক্ষ্যগুলোর কোনোটিই এখনও পূরণ হয়নি।