০৯:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লাখ লাখ মুসল্লির অবস্থান তুরাগ তীরের ইজতেমা ময়দানে

  • আপডেট: ১২:৩১:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৫
  • 129

গাজীপুর প্রতিনিধি : দেশ-বিদেশের লাখ লাখ মুসল্লি তুরাগ তীরের ইজতেমা ময়দানে মূল প্যান্ডেলে এসে অবস্থান নিয়েছেন। লক্ষ্য ইজতেমার মাঠে জুমার জামাতে অংশগ্রহণ। জুমার নামাজ পড়াবেন বাংলাদেশের মাওলানা জোবায়ের। বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় আমবয়ানের মধ্য দিয়ে টঙ্গীর ইজতেমা মাঠে শুরু হয়েছে তাবলিগের শুরায়ে নেজাম বা মাওলানা জোবায়েরের অনুসারীদের ইজতেমা। এর ধারাবাহিকতায় আজ শুক্রবার (৩১ জানুয়ারি) ফজরের নামাজের পর থেকে ধাপে ধাপে চলছে বয়ান। আজ ফজরের নামাজের পর উর্দুতে আমবয়ান শুরু করেন পাকিস্তানের মাওলানা জিয়াউল হক। তার বয়ান বাংলা ভাষায় অনুবাদ করে শোনান বাংলাদেশের মাওলানা নুরুর রহমান। শুক্রবার ফজরের পর থেকে ইজতেমার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। তাবলিগ জামাতের মিডিয়া সমন্বয়কারী হাবিবুল্লাহ রায়হান জানান, এবার বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্বে ৭২টি দেশের প্রায় ২১৫০ জন বিদেশি মুসল্লি এসেছেন। আরও বিদেশি মুসল্লি ইজতেমায় যোগ দেবেন বলে আশা করছেন আয়োজকরা। বৃহত্তম জুমার নামাজে অংশ নিতে ঢাকা-গাজীপুরসহ আশপাশের জেলা থেকে মুসল্লিরা ইজতেমা ময়দানের দিকে আসতে শুরু করেছেন। সড়ক, রেল ও নৌপথসহ সব পথেই মুসল্লিদের কাফেলা টঙ্গীর দিকে ছুটছে। জুমার নামাজে লাখ লাখ মুসল্লি শরিক হবেন বলে আশা করা হচ্ছে। ইজতেমা সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানায়, সকাল পৌনে ১০টা থেকে ভাগে ভাগে তালিম শুরু হয়েছে। তালিমের আগে মোজাকেরা (আলোচনা) করেন ভারতের মাওলানা জামাল সাহেব। সকাল ১০টায় শিক্ষকদের উদ্দেশে বয়ান করেন ভারতের মাওলানা মাওলানা ফারাহিম সাহেব। ছাত্রদের নিয়ে বয়ান করেন প্রফেসর আব্দুল মান্নান (আলিগড়)। মসজিদে বয়ান করেন ভারতের মাওলানা আকবর শরিফ। জুমার নামাজের পর বয়ান করবেন জর্ডানের শেখ উমর খতিব। বাদ আসর বয়ান করবেন বাংলাদেশের মাওলানা জুবায়ের সাহেব এবং বাদ মাগরিব বয়ান করবেন ভারতের মাওলানা আহমেদ লাট। এব্যাপারে টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিব ইস্কান্দর জানান, ইজতেমা মাঠের সার্বিক নিরাপত্তায় পুলিশ ও র‌্যাবের কন্ট্রোল রুম এবং ওয়াচ টাওয়ার স্থাপন করা হয়েছে। মনিটরিং করা হচ্ছে সিসি ক্যামেরা মাধ্যমে। সাদা পোশাকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা অবস্থান নিয়েছেন। এ ছাড়া ইজতেমার নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবক রয়েছে প্রায় ১০ হাজার। তাবলিগের শুরায়ে নেজাম (জোবায়ের অনুসারী) ইজতেমার প্রথম পর্ব আয়োজন করছে। দুটি ধাপে অনুষ্ঠিত হবে এই পর্ব। ৪১ জেলার মুসল্লি নিয়ে প্রথম ধাপ শেষ হবে ২ ফেব্রুয়ারি এবং ২৩ জেলার মুসল্লি নিয়ে দ্বিতীয় ধাপের ইজতেমা শেষ হবে ৫ ফেব্রুয়ারি।

সর্বাধিক পঠিত

বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দকে বরণ করে নিয়েছে চট্টগ্রাম

লাখ লাখ মুসল্লির অবস্থান তুরাগ তীরের ইজতেমা ময়দানে

আপডেট: ১২:৩১:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৫

গাজীপুর প্রতিনিধি : দেশ-বিদেশের লাখ লাখ মুসল্লি তুরাগ তীরের ইজতেমা ময়দানে মূল প্যান্ডেলে এসে অবস্থান নিয়েছেন। লক্ষ্য ইজতেমার মাঠে জুমার জামাতে অংশগ্রহণ। জুমার নামাজ পড়াবেন বাংলাদেশের মাওলানা জোবায়ের। বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় আমবয়ানের মধ্য দিয়ে টঙ্গীর ইজতেমা মাঠে শুরু হয়েছে তাবলিগের শুরায়ে নেজাম বা মাওলানা জোবায়েরের অনুসারীদের ইজতেমা। এর ধারাবাহিকতায় আজ শুক্রবার (৩১ জানুয়ারি) ফজরের নামাজের পর থেকে ধাপে ধাপে চলছে বয়ান। আজ ফজরের নামাজের পর উর্দুতে আমবয়ান শুরু করেন পাকিস্তানের মাওলানা জিয়াউল হক। তার বয়ান বাংলা ভাষায় অনুবাদ করে শোনান বাংলাদেশের মাওলানা নুরুর রহমান। শুক্রবার ফজরের পর থেকে ইজতেমার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। তাবলিগ জামাতের মিডিয়া সমন্বয়কারী হাবিবুল্লাহ রায়হান জানান, এবার বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্বে ৭২টি দেশের প্রায় ২১৫০ জন বিদেশি মুসল্লি এসেছেন। আরও বিদেশি মুসল্লি ইজতেমায় যোগ দেবেন বলে আশা করছেন আয়োজকরা। বৃহত্তম জুমার নামাজে অংশ নিতে ঢাকা-গাজীপুরসহ আশপাশের জেলা থেকে মুসল্লিরা ইজতেমা ময়দানের দিকে আসতে শুরু করেছেন। সড়ক, রেল ও নৌপথসহ সব পথেই মুসল্লিদের কাফেলা টঙ্গীর দিকে ছুটছে। জুমার নামাজে লাখ লাখ মুসল্লি শরিক হবেন বলে আশা করা হচ্ছে। ইজতেমা সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানায়, সকাল পৌনে ১০টা থেকে ভাগে ভাগে তালিম শুরু হয়েছে। তালিমের আগে মোজাকেরা (আলোচনা) করেন ভারতের মাওলানা জামাল সাহেব। সকাল ১০টায় শিক্ষকদের উদ্দেশে বয়ান করেন ভারতের মাওলানা মাওলানা ফারাহিম সাহেব। ছাত্রদের নিয়ে বয়ান করেন প্রফেসর আব্দুল মান্নান (আলিগড়)। মসজিদে বয়ান করেন ভারতের মাওলানা আকবর শরিফ। জুমার নামাজের পর বয়ান করবেন জর্ডানের শেখ উমর খতিব। বাদ আসর বয়ান করবেন বাংলাদেশের মাওলানা জুবায়ের সাহেব এবং বাদ মাগরিব বয়ান করবেন ভারতের মাওলানা আহমেদ লাট। এব্যাপারে টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিব ইস্কান্দর জানান, ইজতেমা মাঠের সার্বিক নিরাপত্তায় পুলিশ ও র‌্যাবের কন্ট্রোল রুম এবং ওয়াচ টাওয়ার স্থাপন করা হয়েছে। মনিটরিং করা হচ্ছে সিসি ক্যামেরা মাধ্যমে। সাদা পোশাকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা অবস্থান নিয়েছেন। এ ছাড়া ইজতেমার নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবক রয়েছে প্রায় ১০ হাজার। তাবলিগের শুরায়ে নেজাম (জোবায়ের অনুসারী) ইজতেমার প্রথম পর্ব আয়োজন করছে। দুটি ধাপে অনুষ্ঠিত হবে এই পর্ব। ৪১ জেলার মুসল্লি নিয়ে প্রথম ধাপ শেষ হবে ২ ফেব্রুয়ারি এবং ২৩ জেলার মুসল্লি নিয়ে দ্বিতীয় ধাপের ইজতেমা শেষ হবে ৫ ফেব্রুয়ারি।