ফেনী প্রতিনিধি : সম্প্রতি ফেনীতে স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যা হয়। অনেকেই জোয়ারের পানিতে ভেসে যায় তবে তখন মৃতের সংখ্যা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ইতোমধ্যে পানি কমে যাওয়ায় অনেকের গলিত লাশ পাওয়া যাচ্ছে। গতকাল ৩০ আগস্ট শুক্রবার রাতে পুলিশের প্রশাসনের বরাতে জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, এ পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ২৩ জন। এখন পর্যন্ত যাদের মরদেহ পাওয়া গেছে তারা হলেন- ফেনী সদর উপজেলার লালপুল এলাকায় দুজন অজ্ঞাত পুরুষ (৩৩), (৪৫) ও তের বাড়িয়ার সালেহ আহমদের মেয়ে উম্মে সাইমার (৯) মরদেহ পাওয়া যায়। এ ছাড়া ছাগলনাইয়া উপজেলায় অজ্ঞাত নারী (৩৮), উত্তর মন্দিয়া গ্রামের ফুরফুরের নেছা (৭৫), কাশিপুর গ্রামের আইউব খান (৬০), পরশুরাম উপজেলার ধনিকুন্ডা এলাকার আমির হোসেনের ছেলে সাহাব উদ্দিন (৭০), মির্জানগরের দেলোয়ার হোসেন (৫০); ফুলগাজী উপজেলার নোয়াপুরের হাবিবের স্ত্রী শাকিলা (২২), উত্তর করইয়ার বেলালের ছেলে কিরণ (২০), দক্ষিণ শ্রীপুরের মিজানুর রহমানের ছেলে রাজু (২০), কিসমত বাসুডার রহিম বাদশার ছেলে আবুল খায়ের (৫০), লক্ষ্মীপুরের সিরাজুল ইসলামের ছেলে সৈয়দ তারেক (৩২), শনির হাটের নুর ইসলামের মেয়ে রজবের নেছা (২৫), পূর্ব দরবারপুরের ইউসুফ (৬০); সোনাগাজী উপজেলার সমপুরের মাবুল হকের ছেলে নাঈম উদ্দিন (২৮), অজ্ঞাত পুরুষ (৩৮), অজ্ঞাত নারী (৩৮), ছাড়াইতকান্দির শেখ ফরিদের ছেলে আবির (৩) ,অজ্ঞাত পুরুষ (৪০), অজ্ঞাত পুরুষ (২২) এবং দাগনভূঞা উপজেলার করিমপুরের নুর নবীর ছেলে নূর মোহাম্মদ মিরাজ (৮ মাস) ও আলমপুরের হুমায়ুন কবিরের ছেলে জাফর ইসলাম (৭)। এর আগে, গত ২৪ আগস্ট রাতে ফেনী শহরের মিজান রোডে সোনালী ব্যাংকের সামনে হাঁটুপানিতে একটি মরদেহ ভেলায় ভাসতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে সেখানে লোকজন ভিড় জমান। পরে কয়েকজন সেই লাশটির জানাজা ও দাফনের জন্য নিয়ে যান। পরদিন রবিবার (২৫ আগস্ট) ফেনী সদর উপজেলার লালপোল এলাকার উত্তর গোবিন্দপুর গ্রামে বন্যায় ভেসে আসে এক শিশুর লাশ। উল্লেখ্য, গত ২০ আগস্ট দুপুর থেকে ফেনীতে বন্যা শুরু হয়। পরদিন দুপুর থেকে তা ভয়াবহ রূপ ধারণ করে। জেলার পরশুরাম, ফুলগাজী ও ছাগলনাইয়া উপজেলা শুরুতে বন্যাকবলিত হলেও পরে ফেনী সদর, সোনাগাজী ও দাগনভূঞা ছড়িয়ে পড়ে।
০৭:৪৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:




















