০৮:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পঞ্চগড়ে ফের মৃদু শৈত্যপ্রবাহের দাপট

আহসান হাবিব, পঞ্চগড় প্রতিনিধি: দুই দিন পর ফের তাপমাত্রা নামলো ৮-এর ঘরে। এতে করে মৃদু শৈত্যপ্রবাহের কবলে উত্তরের হিমাঞ্চল জেলা পঞ্চগড়। ৩ ফেব্রুয়ারি শনিবার ভোর ৬টায় তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল ২ ফেব্রুয়ারী শুক্রবার ৯টায় তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছিল ১০ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা গতকাল থেকে ১ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা নেমেছে। সকালে তাপমাত্রা রেকর্ডের তথ্যটি জানান জেলার প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যাবেক্ষনাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাসেল শাহ।বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, ভোরেই জেগে উঠছে রুপালী সূর্য।

সময় বাড়তে থাকলে রোদ ঝলমলে হয়ে উঠে দিন। শৈত্যপ্রবাহ বইলেও সকালে সূর্য দেখা দেয়ায় স্বস্তি ফিরেছে জনজীবনে। সকাল থেকেই বিভিন্ন শ্রমজীবিদের কাজে যাওয়ার কর্মচঞ্চলতা যেতে দেখা গেছে। তবে শীতের কারণে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে নিউমোনিয়া, অ্যাজমা, হাঁপানি, শ্বাসকষ্ট ও ডায়রিয়াসহ শীতজনিত বিভিন্ন রোগ। এসব রোগে আক্রান্ত হয়ে জেলা ও উপজেলার হাসপাতালগুলোর আউটডোরে চিকিৎসা নিচ্ছেন লোকজন। শীত দূর্ভোগের কারণে কামাই-রোজগার কমে যাওয়ায় অনেকে শীতজনিত রোগ বেড়ে যাওয়ায় টাকার অভাবে ঔষুধপত্র কিনতে পারছেন না অনেকে।

জেলার প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যাবেক্ষনাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাসেল শাহ বলেন, গতকালের পর আবার তাপমাত্রা নিম্নমুখী হয়েছে। দুইদিন ১০ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ডের পর আজ ৯টায় তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে কুয়াশা নেই। সকালেই সূর্যের মুখ দেখা মিলেছে। জনজীবনে স্বস্তি ফিরেছে। মাঘ মাস পর্যন্ত তাপমাত্রা উঠানামা করতে পারে বলে জানান তিনি।

জিয়াউর রহমানের আদর্শে দেশ গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

পঞ্চগড়ে ফের মৃদু শৈত্যপ্রবাহের দাপট

আপডেট: ১১:৫২:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

আহসান হাবিব, পঞ্চগড় প্রতিনিধি: দুই দিন পর ফের তাপমাত্রা নামলো ৮-এর ঘরে। এতে করে মৃদু শৈত্যপ্রবাহের কবলে উত্তরের হিমাঞ্চল জেলা পঞ্চগড়। ৩ ফেব্রুয়ারি শনিবার ভোর ৬টায় তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল ২ ফেব্রুয়ারী শুক্রবার ৯টায় তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছিল ১০ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা গতকাল থেকে ১ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা নেমেছে। সকালে তাপমাত্রা রেকর্ডের তথ্যটি জানান জেলার প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যাবেক্ষনাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাসেল শাহ।বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, ভোরেই জেগে উঠছে রুপালী সূর্য।

সময় বাড়তে থাকলে রোদ ঝলমলে হয়ে উঠে দিন। শৈত্যপ্রবাহ বইলেও সকালে সূর্য দেখা দেয়ায় স্বস্তি ফিরেছে জনজীবনে। সকাল থেকেই বিভিন্ন শ্রমজীবিদের কাজে যাওয়ার কর্মচঞ্চলতা যেতে দেখা গেছে। তবে শীতের কারণে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে নিউমোনিয়া, অ্যাজমা, হাঁপানি, শ্বাসকষ্ট ও ডায়রিয়াসহ শীতজনিত বিভিন্ন রোগ। এসব রোগে আক্রান্ত হয়ে জেলা ও উপজেলার হাসপাতালগুলোর আউটডোরে চিকিৎসা নিচ্ছেন লোকজন। শীত দূর্ভোগের কারণে কামাই-রোজগার কমে যাওয়ায় অনেকে শীতজনিত রোগ বেড়ে যাওয়ায় টাকার অভাবে ঔষুধপত্র কিনতে পারছেন না অনেকে।

জেলার প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যাবেক্ষনাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাসেল শাহ বলেন, গতকালের পর আবার তাপমাত্রা নিম্নমুখী হয়েছে। দুইদিন ১০ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ডের পর আজ ৯টায় তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে কুয়াশা নেই। সকালেই সূর্যের মুখ দেখা মিলেছে। জনজীবনে স্বস্তি ফিরেছে। মাঘ মাস পর্যন্ত তাপমাত্রা উঠানামা করতে পারে বলে জানান তিনি।