চট্টগ্রাম ব্যুরো : চট্টগ্রাম–২ (ফটিকছড়ি) আসনে গত ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর উত্তর ফটিকছড়ির দাঁতমারা ইউনিয়নের বেতুয়াসহ ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় নারী ও শিশুসহ ভিন্নমতের ভোটারদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। এসব ঘটনার সঙ্গে ফটিকছড়ি উপজেলার ভুজপুর থানা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মো. একরামুল হক একরামের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেও সহিংসতার মতো ঘটনায় নাম জড়ানোয় জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি তার বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করেছে। নোটিশে আগামী ২৪ (চব্বিশ) ঘণ্টার মধ্যে সংগঠনের সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন-এর সম্মুখে উপস্থিত হয়ে হামলার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগের লিখিত ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দলীয় সূত্র জানায়, অভিযোগের বিষয়টি সংগঠন অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে সাংগঠনিক বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এদিকে, স্থানীয়ভাবে ঘটনাগুলো নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা ও সমালোচনা চলছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকেও বিষয়টি নজরদারিতে রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে দলীয় সিদ্ধান্ত ও তদন্তের অগ্রগতির ওপরই তার সাংগঠনিক ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।



















