১০:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সৌদি আরবে নতুন প্রবাসীদের ইকামা কার্ডের জন্য নতুন নির্দেশনা

লিটন তালুকদার, সৌদি আরব থেকে: সৌদি আরবে নতুন প্রবাসীদের কাজের অনুমতিপত্র বা ইকামা কার্ডের জন্য নতুন নির্দেশনা দিয়েছে দেশটির সরকার। দেশটির সরকার জানিয়েছে, সৌদি আরবে প্রবেশের ৯০ দিনের মধ্যেই ইকামা বা কাজের অনুমতিপত্র গ্রহণ করতে হবে। অন্যথায় জরিমানা গুনতে হবে পাঁচশত সৌদি রিয়াল, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় সাড়ে ষোল হাজার টাকা। জানা গেছে, সৌদি আরবের ২০৩০ সালের ভিশন বাস্তবায়নের যে লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করেছে, তার দিকে দ্রুতই এগিয়ে যাচ্ছে সকল কার্যক্রম। এর মধ্যে দেশটির সকল ক্ষেত্রে ব্যাপক পরিবর্ধন পরিবর্তনের মাধ্যমে প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের দিকে গুরুত্ব দিচ্ছে সৌদি আরব। এবার নতুন বছরে নিয়ম করেছে সকল প্রবাসীদের বাসস্থানের ভাড়া প্রদান করতে হবে অনলাইন প্লাটফর্ম ব্যবহারের মাধ্যমে। এটি মূলত দেশটির অর্থনৈতিক পরিবর্তনের প্রতিক্রিয়া। যার মাধ্যমে যে কোন পর্যায়ের খরচ, সরকারি সেবাগ্রহণ এবং জনসম্পৃক্ত সিস্টেমগুলো আধুনিকায়নের বাধ্যবাধকতা থেকে এমন সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করেছে তারা। এছাড়াও দেশটিতে বিদেশি নাগরিকদের ইকামা আইডি গ্রহণ করতে হলে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য অবশ্যই মেডিকেল টেস্ট করতে হবে। এছাড়া বিদেশি নাগরিকদের সৌদি আরবের ব্যাংক কার্ড থেকে শুরু করে যে কোন সরকারি ও বেসরকারি সেবা গ্রহণ করতে হলে ইকামা বা কাজের অনুমতিপত্র থাকা বাধ্যতামূলক থাকায় এমন সিদ্ধান্ত। এদিকে বাংলাদেশসহ বেশ কয়েকটি দেশের গৃহকর্মী নিয়োগে খরচ কমানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

সৌদি মানব সম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে বাংলাদেশ থেকে গৃহকর্মী নিয়োগের ফি সাড়ে ১১ হাজার থেকে ১৩ হাজার সৌদি রিয়াল নির্ধারণ করা হয়েছে। যা বাংলাদেশি প্রায় ৩ লাখ ৩৬ হাজার ৪৬৭ থেকে ৩ লাখ ৮০ হাজার ৪৬৭ টাকা। এছাড়া ফিলিপাইন থেকে গৃহশ্রমিক নিয়োগের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১৪ হাজার ৭০০ সৌদি রিয়াল, শ্রীলঙ্কা থেকে ১৩ হাজার ৮০০, কেনিয়া থেকে ৯ হাজার, উগান্ডা থেকে ৮ হাজার ৩০০ ও ইথিওপিয়া থেকে গৃহকর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানকে ৫ হাজার ৯০০ সৌদি রিয়াল দেয়া যাবে। সৌদি শ্রমবাজারের পরিবেশ উন্নয়নে এরইমধ্যে ভিসা ট্রেডিং বন্ধে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে, বর্তমানে দেশটির বিভিন্ন নিয়োগ খাতে দক্ষ ও অদক্ষ শ্রমিকের ব্যপক চাহিদা রয়েছে।

সর্বাধিক পঠিত

পুশইনের চেষ্টা কবলে ৯ জন ১৩ ঘণ্টা শূন্যরেখায় নেই খাবার কিংবা পানি

সৌদি আরবে নতুন প্রবাসীদের ইকামা কার্ডের জন্য নতুন নির্দেশনা

আপডেট: ০৩:২৪:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৪

লিটন তালুকদার, সৌদি আরব থেকে: সৌদি আরবে নতুন প্রবাসীদের কাজের অনুমতিপত্র বা ইকামা কার্ডের জন্য নতুন নির্দেশনা দিয়েছে দেশটির সরকার। দেশটির সরকার জানিয়েছে, সৌদি আরবে প্রবেশের ৯০ দিনের মধ্যেই ইকামা বা কাজের অনুমতিপত্র গ্রহণ করতে হবে। অন্যথায় জরিমানা গুনতে হবে পাঁচশত সৌদি রিয়াল, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় সাড়ে ষোল হাজার টাকা। জানা গেছে, সৌদি আরবের ২০৩০ সালের ভিশন বাস্তবায়নের যে লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করেছে, তার দিকে দ্রুতই এগিয়ে যাচ্ছে সকল কার্যক্রম। এর মধ্যে দেশটির সকল ক্ষেত্রে ব্যাপক পরিবর্ধন পরিবর্তনের মাধ্যমে প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের দিকে গুরুত্ব দিচ্ছে সৌদি আরব। এবার নতুন বছরে নিয়ম করেছে সকল প্রবাসীদের বাসস্থানের ভাড়া প্রদান করতে হবে অনলাইন প্লাটফর্ম ব্যবহারের মাধ্যমে। এটি মূলত দেশটির অর্থনৈতিক পরিবর্তনের প্রতিক্রিয়া। যার মাধ্যমে যে কোন পর্যায়ের খরচ, সরকারি সেবাগ্রহণ এবং জনসম্পৃক্ত সিস্টেমগুলো আধুনিকায়নের বাধ্যবাধকতা থেকে এমন সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করেছে তারা। এছাড়াও দেশটিতে বিদেশি নাগরিকদের ইকামা আইডি গ্রহণ করতে হলে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য অবশ্যই মেডিকেল টেস্ট করতে হবে। এছাড়া বিদেশি নাগরিকদের সৌদি আরবের ব্যাংক কার্ড থেকে শুরু করে যে কোন সরকারি ও বেসরকারি সেবা গ্রহণ করতে হলে ইকামা বা কাজের অনুমতিপত্র থাকা বাধ্যতামূলক থাকায় এমন সিদ্ধান্ত। এদিকে বাংলাদেশসহ বেশ কয়েকটি দেশের গৃহকর্মী নিয়োগে খরচ কমানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

সৌদি মানব সম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে বাংলাদেশ থেকে গৃহকর্মী নিয়োগের ফি সাড়ে ১১ হাজার থেকে ১৩ হাজার সৌদি রিয়াল নির্ধারণ করা হয়েছে। যা বাংলাদেশি প্রায় ৩ লাখ ৩৬ হাজার ৪৬৭ থেকে ৩ লাখ ৮০ হাজার ৪৬৭ টাকা। এছাড়া ফিলিপাইন থেকে গৃহশ্রমিক নিয়োগের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১৪ হাজার ৭০০ সৌদি রিয়াল, শ্রীলঙ্কা থেকে ১৩ হাজার ৮০০, কেনিয়া থেকে ৯ হাজার, উগান্ডা থেকে ৮ হাজার ৩০০ ও ইথিওপিয়া থেকে গৃহকর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানকে ৫ হাজার ৯০০ সৌদি রিয়াল দেয়া যাবে। সৌদি শ্রমবাজারের পরিবেশ উন্নয়নে এরইমধ্যে ভিসা ট্রেডিং বন্ধে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে, বর্তমানে দেশটির বিভিন্ন নিয়োগ খাতে দক্ষ ও অদক্ষ শ্রমিকের ব্যপক চাহিদা রয়েছে।