Dhaka ০৬:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০২৪, ৬ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রামের হালদায় মা মাছ ডিম ছেড়েছে

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:২৭:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জুন ২০২৩
  • 10

চট্টগ্রাম ব্যুরো : দেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র হালদায় মা মাছ ডিম ছেড়েছে। ১৮ জুন রোববার মধ্যরাতে ডিম ছাড়ে মা মাছ।

জানা গেছে, বছরের এপ্রিল থেকে জুনের যেকোনো সময়ে হালদা নদীতে মা মাছ ডিম ছাড়ে। তবে এক্ষেত্রে শর্ত হচ্ছে, পূর্ণিমা বা অমাবস্যার তিথি বা জো থাকতে হবে।
কিন্তু এ বছরের এপ্রিল মাস শুরু হওয়ার পরে ইতিমধ্যে পাঁচটি জো চলে যায়। পর্যাপ্ত বৃষ্টি না হওয়ায় এবং নদীতে উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি না হওয়ায় ডিম ছাড়েনি মা মাছ। সর্বশেষ রোববার দিবাগত রাতে মা মাছ পুরোপুরি ডিম ছাড়ে।

একই সময়ে নদীর স্থানীয় এবং খাগড়াছড়ি, মানিকছড়িসহ নদীর উজানে পাহাড়ি এলাকায় প্রচুর বজ্রসহ বৃষ্টিপাত হলে পাহাড়ি ঢল নামবে এবং নদীতে ফেনাসহ পানি প্রবাহিত হবে। ঠিক এই সময়ে পূর্ণ জোয়ার শেষে অথবা পূর্ণ ভাটা শেষে পানি যখন স্থির হয়, তখনই কেবল মা মাছ ডিম ছাড়ে।

হালদা গবেষক ড. মো. শফিকুল ইসলাম জানান, দীর্ঘ অপেক্ষার পর হালদা নদীতে ডিম ছেড়েছে কার্প জাতীয় মা মাছ। নদীতে পাহাড়ি ঢল ও জোয়ারের সময়ে পুরোদমে নদীর বিভিন্ন স্থানে ডিম দেয়। ডিম আহরণের জন্য অনেক দিন দরে প্রস্তুত ছিলেন জেলেরা। তারা উৎসবমুখর পরিবেশে রাত থেকেই নদীতে দলবেঁধে ডিম সংগ্রহ করতে নেমে পড়েছে। এখনো ডিম সংগ্রহ করছে সংগ্রহকারীরা। পর্যাপ্ত ডিম পাওয়ার আশা করা হচ্ছে।
হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শাহিদুল আলম বলেন, এখনো জোয়ার পুরোপুরো আসেনি। এখন গড়দুয়ারা এলাকা থেকে শুরু করে উত্তর মাদার্শার মাঝামাঝি এলাকায় ডিম পাচ্ছেন জেলেরা। সম্পূর্ণ জোয়ার হয়ে গেলে তখন সব জায়গায় ছড়িয়ে যাবে।

Tag :
সর্বাধিক পঠিত

https://dainiksurjodoy.com/wp-content/uploads/2023/12/Green-White-Modern-Pastel-Travel-Agency-Discount-Video5-2.gif

সুনামগঞ্জে বানভাসি মানুষ ছুটছে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে

চট্টগ্রামের হালদায় মা মাছ ডিম ছেড়েছে

Update Time : ০১:২৭:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জুন ২০২৩

চট্টগ্রাম ব্যুরো : দেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র হালদায় মা মাছ ডিম ছেড়েছে। ১৮ জুন রোববার মধ্যরাতে ডিম ছাড়ে মা মাছ।

জানা গেছে, বছরের এপ্রিল থেকে জুনের যেকোনো সময়ে হালদা নদীতে মা মাছ ডিম ছাড়ে। তবে এক্ষেত্রে শর্ত হচ্ছে, পূর্ণিমা বা অমাবস্যার তিথি বা জো থাকতে হবে।
কিন্তু এ বছরের এপ্রিল মাস শুরু হওয়ার পরে ইতিমধ্যে পাঁচটি জো চলে যায়। পর্যাপ্ত বৃষ্টি না হওয়ায় এবং নদীতে উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি না হওয়ায় ডিম ছাড়েনি মা মাছ। সর্বশেষ রোববার দিবাগত রাতে মা মাছ পুরোপুরি ডিম ছাড়ে।

একই সময়ে নদীর স্থানীয় এবং খাগড়াছড়ি, মানিকছড়িসহ নদীর উজানে পাহাড়ি এলাকায় প্রচুর বজ্রসহ বৃষ্টিপাত হলে পাহাড়ি ঢল নামবে এবং নদীতে ফেনাসহ পানি প্রবাহিত হবে। ঠিক এই সময়ে পূর্ণ জোয়ার শেষে অথবা পূর্ণ ভাটা শেষে পানি যখন স্থির হয়, তখনই কেবল মা মাছ ডিম ছাড়ে।

হালদা গবেষক ড. মো. শফিকুল ইসলাম জানান, দীর্ঘ অপেক্ষার পর হালদা নদীতে ডিম ছেড়েছে কার্প জাতীয় মা মাছ। নদীতে পাহাড়ি ঢল ও জোয়ারের সময়ে পুরোদমে নদীর বিভিন্ন স্থানে ডিম দেয়। ডিম আহরণের জন্য অনেক দিন দরে প্রস্তুত ছিলেন জেলেরা। তারা উৎসবমুখর পরিবেশে রাত থেকেই নদীতে দলবেঁধে ডিম সংগ্রহ করতে নেমে পড়েছে। এখনো ডিম সংগ্রহ করছে সংগ্রহকারীরা। পর্যাপ্ত ডিম পাওয়ার আশা করা হচ্ছে।
হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শাহিদুল আলম বলেন, এখনো জোয়ার পুরোপুরো আসেনি। এখন গড়দুয়ারা এলাকা থেকে শুরু করে উত্তর মাদার্শার মাঝামাঝি এলাকায় ডিম পাচ্ছেন জেলেরা। সম্পূর্ণ জোয়ার হয়ে গেলে তখন সব জায়গায় ছড়িয়ে যাবে।