০৪:৪৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চকরিয়ায় সড়কে ৬ ভাই নিহতের ঘটনায় চালকের আমৃত্যু কারাদণ্ড

  • আপডেট: ০৮:২০:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জুন ২০২৩
  • 154

কক্সবাজার প্রতিনিধি : কক্সবাজারের চকরিয়ার ডুলাহাজারায় সড়কে ৬ ভাই নিহতের ঘটনায় পিকআপ ভ্যানচালক সাইদুল ইসলামকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সেই সঙ্গে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। গত ১১ জুন রোববার দুপুরে কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. ইসমাঈল এই রায় ঘোষণা করেছেন। পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ফরিদুল আলম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
পিপি জানান, গত বছরের ৮ ফেব্রুয়ারী ভোর সাড়ে পাঁচটায় চকরিয়া উপজেলার মালুমঘাট এলাকায় প্রয়াত বাবার শ্রাদ্ধ উপলক্ষে নয় ভাই-বোন শ্মশানে পূজা দিতে যান। সেখান থেকে বাড়ি ফেরার পথে পিকআপের ভ্যানের ধাক্কায় পাঁচ ভাই নিহত হন। পরে আহত আরেক ভাই রক্তিম শীল ২২ ফেব্রুয়ারী মারা যান চিকিৎসাধীন অবস্থায়।

এ ঘটনায় নিহতদের ভাই পল্লব সুশীল বাদী হয়ে চকরিয়া থানায় মামলা করেন। মামলার তদন্তভার প্রথমে হাইওয়ে পুলিশকে দেওয়া হলেও পরে পিবিআইয়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
ঘটনার চারদিন পর ১২ ফেব্রুয়ারী মাদারীপুরে অভিযান চালিয়ে পিকআপ ভ্যানচালক সাইদুল ইসলাম সিফাতকে আটক করে র‌্যাব।

পিপি জানান, মামলাটি অত্যন্ত চাঞ্চল্যকর হওয়ায় দ্রুত বিচারিক কার্যক্রম শেষ করা হয়। এতে এটি হত্যাকাণ্ড হিসেবে সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। সার্বিক প্রক্রিয়া শেষ করে মাত্র এক বছর চার মাসের মাথায় রায় ঘোষণা করা হলো।

সর্বাধিক পঠিত

সারাদেশে ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে একদিনে ৮ শিশুর মৃত্যু

চকরিয়ায় সড়কে ৬ ভাই নিহতের ঘটনায় চালকের আমৃত্যু কারাদণ্ড

আপডেট: ০৮:২০:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জুন ২০২৩

কক্সবাজার প্রতিনিধি : কক্সবাজারের চকরিয়ার ডুলাহাজারায় সড়কে ৬ ভাই নিহতের ঘটনায় পিকআপ ভ্যানচালক সাইদুল ইসলামকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সেই সঙ্গে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। গত ১১ জুন রোববার দুপুরে কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. ইসমাঈল এই রায় ঘোষণা করেছেন। পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ফরিদুল আলম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
পিপি জানান, গত বছরের ৮ ফেব্রুয়ারী ভোর সাড়ে পাঁচটায় চকরিয়া উপজেলার মালুমঘাট এলাকায় প্রয়াত বাবার শ্রাদ্ধ উপলক্ষে নয় ভাই-বোন শ্মশানে পূজা দিতে যান। সেখান থেকে বাড়ি ফেরার পথে পিকআপের ভ্যানের ধাক্কায় পাঁচ ভাই নিহত হন। পরে আহত আরেক ভাই রক্তিম শীল ২২ ফেব্রুয়ারী মারা যান চিকিৎসাধীন অবস্থায়।

এ ঘটনায় নিহতদের ভাই পল্লব সুশীল বাদী হয়ে চকরিয়া থানায় মামলা করেন। মামলার তদন্তভার প্রথমে হাইওয়ে পুলিশকে দেওয়া হলেও পরে পিবিআইয়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
ঘটনার চারদিন পর ১২ ফেব্রুয়ারী মাদারীপুরে অভিযান চালিয়ে পিকআপ ভ্যানচালক সাইদুল ইসলাম সিফাতকে আটক করে র‌্যাব।

পিপি জানান, মামলাটি অত্যন্ত চাঞ্চল্যকর হওয়ায় দ্রুত বিচারিক কার্যক্রম শেষ করা হয়। এতে এটি হত্যাকাণ্ড হিসেবে সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। সার্বিক প্রক্রিয়া শেষ করে মাত্র এক বছর চার মাসের মাথায় রায় ঘোষণা করা হলো।