চট্টগ্রাম ব্যুরো : চট্টগ্রাম নগরের আকবর শাহ থানা এলাকায় একের এক পাহাড় কেটে মামলার আসামি হওয়া কাউন্সিলর মো. জহুরুল আলম জসিম এলাকায় চিহ্নিত একজন পাহাড়খেকো বলে দাবী করেছেন আকবর শাহ থানা আওয়ামী লীগ। এব্যাপারে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী আলতাফ হোসেন বলেন, আমরা এলাকায় চিহ্নিত পাহাড়খেকোর বিরুদ্ধে সমাবেশ করেছি। তার কারণে দল এবং সরকারের বদনাম হচ্ছে। এজন্য তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে কর্মসূচি পালন করছি। এর আগে পথ সভায় কাজী আলতাফ বলেন, সরকার দেশের পরিবেশ সুরক্ষায় রাত-দিন কাজ করছে। পরিবেশ সুরক্ষায় অবদান স্বরূপ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক পুরস্কার অর্জন করেছেন। তিনি বিশ্ববাসীকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বাংলাদেশ পরিবেশবান্ধব রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্ববাসীকে দেখাবেন। সেখানে একজন মাত্র ব্যক্তি দলের নাম-পদবি ব্যবহার করে একের পর এক পাহাড়, খাল, ছড়া ও লেক ভরাট করে প্লট বানিয়ে অবৈধভাবে বিক্রি করে মাত্র ১০ বছরেই হাজার কোটি টাকার মালিক হয়েছে। অন্যদিকে বঙ্গবন্ধু কন্যার শ্রম-উন্নয়ন এসব দুর্বৃত্তের কারণে ঢাকা পড়ছে। এ ব্যাপারে পাহাড়তলী ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক সৈয়দ সরোয়ার মোর্শেদ কচি বলেন, বারবার প্রশাসনের নাকের ডগায় স্থানীয় কাউন্সিলর মো. জহুরুল আলম জসিম আওয়ামী লীগের নাম ব্যবহার করে পরিবেশ ধ্বংস করে ধরা পড়ছে। এতে আমাদের সুনাম ক্ষুণ্ন হচ্ছে। জানা গেছে, চসিকের উত্তর পাহাড়তলী ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. জহুরুল আলম জসিমের বিরুদ্ধে পাহাড় কাটার অভিযোগ বেশ পুরনো। গত ২৫ জানুয়ারি উত্তর পাহাড়তলী সুপারি বাগান এলাকায় পাহাড় কাটার বিষয়ে পরিদর্শন করতে গেলে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) প্রধান নির্বাহী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান ও তার সঙ্গে থাকা লোকজনের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। কাউন্সিলর মো. জহুরুল আলম জসিম ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে এ হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় আকবর শাহ থানায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা করেন বেলার সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।
এছাড়া পাহাড় কেটে রাস্তা করার কারণে ৭ এপ্রিল ধসে মাটিচাপা পড়ে খোকা (৪৫) নামে এক শ্রমিক নিহত হন। এ ঘটনায় ১১ এপ্রিল কাউন্সিলর জসিমসহ মোট ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে পরিবেশ অধিদপ্তর।
০৫:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
চট্টগ্রামের পাহাড়খেকো কাউন্সিলর জসিমের কারণে দল এবং সরকারের বদনাম
সর্বাধিক পঠিত


















