Dhaka ০২:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ জুন ২০২৪, ৯ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

লক্ষীপুরে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের দুই নেতাকে গুলি করে হত্যা

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৭:১২:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৩
  • 2801

লক্ষীপুর প্রতিনিধি : লক্ষীপুরে সন্ত্রাসীদের গুলিতে আবদুল্লাহ আল নোমান নামে এক যুবলীগ নেতা ও রাকিব ইমাম নামে এক ছাত্রলীগ নেতা নিহত হয়েছেন। সোমবার (২৫ এপ্রিল) রাত ৯টার দিকে সদর উপজেলার বশিকপুর ইউনিয়নের পোদ্দার বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ সময় ইউনিয়ন ছাত্রলীগ নেতা রাকিব হোসেন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। পুলিশ জানায়, রাতে মোটরসাইকেলযোগে পোদ্দার হাট থেকে নাগের হাটে যাচ্ছিলেন যুবলীগ নেতা নোমান ও ছাত্রলীগ নেতা রাকিব। এসময় তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছালে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা তাদের গতিরোধ করে বেশ কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়ে। এতে মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে তারা দু’জন মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে লক্ষীপুর সদর হাসপাতালে নেওয়ার পর নোমানকে মৃত ঘোষনা করেন চিকিৎসক। অপর গুলিবিদ্ধ রাকিবকে ঢাকায় নেওয়ার পথে মারা যান বলে জানান স্বজনরা।
এ ঘটনার জন্য বশিকপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা আবুল কাশেম জেহাদীকে দায়ী করেছেন ওই ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান যুবলীগ নেতা নোমানের বড় ভাই মাহফুজুর রহমান। পূর্ব শত্রুতার জের ধরে স্থানীয় সন্ত্রাসী বাহিনীর প্রধান আবুল কাশেম জেহাদীর লালিত সন্ত্রাসী শরীফ কালু ও সবুজ তাদের গুলি করে হত্যা করে বলে অভিযোগ করেন নিহতদের স্বজনরা।

Tag :
সর্বাধিক পঠিত

লক্ষীপুরে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের দুই নেতাকে গুলি করে হত্যা

Update Time : ০৭:১২:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৩

লক্ষীপুর প্রতিনিধি : লক্ষীপুরে সন্ত্রাসীদের গুলিতে আবদুল্লাহ আল নোমান নামে এক যুবলীগ নেতা ও রাকিব ইমাম নামে এক ছাত্রলীগ নেতা নিহত হয়েছেন। সোমবার (২৫ এপ্রিল) রাত ৯টার দিকে সদর উপজেলার বশিকপুর ইউনিয়নের পোদ্দার বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ সময় ইউনিয়ন ছাত্রলীগ নেতা রাকিব হোসেন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। পুলিশ জানায়, রাতে মোটরসাইকেলযোগে পোদ্দার হাট থেকে নাগের হাটে যাচ্ছিলেন যুবলীগ নেতা নোমান ও ছাত্রলীগ নেতা রাকিব। এসময় তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছালে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা তাদের গতিরোধ করে বেশ কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়ে। এতে মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে তারা দু’জন মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে লক্ষীপুর সদর হাসপাতালে নেওয়ার পর নোমানকে মৃত ঘোষনা করেন চিকিৎসক। অপর গুলিবিদ্ধ রাকিবকে ঢাকায় নেওয়ার পথে মারা যান বলে জানান স্বজনরা।
এ ঘটনার জন্য বশিকপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা আবুল কাশেম জেহাদীকে দায়ী করেছেন ওই ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান যুবলীগ নেতা নোমানের বড় ভাই মাহফুজুর রহমান। পূর্ব শত্রুতার জের ধরে স্থানীয় সন্ত্রাসী বাহিনীর প্রধান আবুল কাশেম জেহাদীর লালিত সন্ত্রাসী শরীফ কালু ও সবুজ তাদের গুলি করে হত্যা করে বলে অভিযোগ করেন নিহতদের স্বজনরা।