০৬:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বঙ্গবন্ধু ও স্বাধীন বাংলাদেশের রক্তের অচ্ছেদ্য বন্ধন এই মার্চ মাস

  • আপডেট: ০১:২৫:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ মার্চ ২০২৩
  • 6520

সহীদুল ইসলাম শামীম : একাত্তরের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দেয়া ঐতিহাসিক ভাষণে গ্রামীণ সাধারণ মানুষের ভাষা থাকায় এ ভাষণ স্বাধীনতার সংগ্রামের বীজমন্ত্র হয়ে পড়ে। অন্যদিকে এ ভাষণ শুধুমাত্র রাজনৈতিক দলিলই নয়, জাতির সাংস্কৃতিক পরিচয় প্রকাশের একটি সম্ভাবনাও তৈরি করে। বঙ্গবন্ধু ৭১-এর ৭ মার্চ যে ভাষণ দিয়েছিলেন ইতিহাসে তার তুলনা খুঁজে পাওয়া যায় না। এই ভাষণ স্বাধীনতার সংগ্রামের বীজমন্ত্র হয়ে পড়ে।বঙ্গবন্ধু জন্ম মার্চ মাসে। এ মাসেই তিনি স্বাধীনতার ঘোষনা দিয়ে সংগ্রামের আহ্বান জানিয়েছেন। বঙ্গবন্ধু ও স্বাধীন বাংলাদেশের রক্তের অচ্ছেদ্য বন্ধন সৃষ্টি করেছে এই মার্চ মাস। বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের পাঁচ দশক আগে ১৯২০ সালের মার্চ মাসের ১৭ তারিখ তৎকালীন ফরিদপুর জেলার গোপালগঞ্জ মহকুমার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে বঙ্গবন্ধু জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তার বয়স যখন ৫১ বছর পূর্ণ হয়েছিল, তখন ১৯৭১ সালের ৭ ও ২৬ মার্চ জাতীয় জীবনে সর্বাধিক আকাঙ্খিত মুক্তি ও স্বাধীনতা সংগ্রামের নিমিত্তে ‘প্রত্যেক ঘরে ঘরে দূর্গ গড়ে তোলা এবং যার যা কিছু আছে তাই নিয়ে শত্রুর মোকাবেলা করার জন্য বঙ্গবন্ধু আহ্বান জানিয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধুর নিজের জীবনের এবং বাংলাদেশের জাতীয় জীবনের গতি-প্রকৃতি পরিবর্তনকারী ঐতিহাসিক মূহুর্ত আবির্ভূত হয়েছিল ১৯৭১ এ। ১৯৭১ সালের বছরটি প্রকৃতপক্ষে বাঙালি জাতির ঐতিহাসিক বছর হিসেবে গণ্য হয়ে থাকে। বঙ্গবন্ধুর জন্মের পঞ্চাশ বছর পর তার জন্মভূমি বাংলাদেশের ইতিহাসের গতি-প্রকৃতির পুরোটাই তার নেতৃত্বে ও নির্দেশনায় নির্ধারিত হয়েছে। ১৯৭১ এর মার্চ মাসের ঘটনাবলী তার জ্বলন্ত উদাহরণ। ভালোবাসার এক অকৃত্রিম ও অদৃশ্য গ্রন্থি বঙ্গবন্ধু বাঙালি জাতির মধ্যে এক অচ্ছেদ্য বন্ধন সৃষ্টি করেছিল। তাইতো তিনি বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা হিসেবে সকলের হৃদয়ে পেয়েছিলেন। সংগ্রামী বাঙালি জাতির হৃদয়ের স্পন্দন তিনি উপলব্ধি করতে পেরেছিলেন। তাই তার আহ্বানে সাড়া দিয়ে বাঙালিরা মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধে পরাজিত শক্তি সপরিবারে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মাধ্যমে তাদের পরাজয়ের প্রতিশোধ নিয়েছিল। লেখক : উপদেষ্টা সম্পাদক, দৈনিক সূর্যোদয়

আগামীকাল ১৪ মে বৃহস্পতিবার দৈনিক সূর্যোদয়ের ১৫ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী

বঙ্গবন্ধু ও স্বাধীন বাংলাদেশের রক্তের অচ্ছেদ্য বন্ধন এই মার্চ মাস

আপডেট: ০১:২৫:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ মার্চ ২০২৩

সহীদুল ইসলাম শামীম : একাত্তরের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দেয়া ঐতিহাসিক ভাষণে গ্রামীণ সাধারণ মানুষের ভাষা থাকায় এ ভাষণ স্বাধীনতার সংগ্রামের বীজমন্ত্র হয়ে পড়ে। অন্যদিকে এ ভাষণ শুধুমাত্র রাজনৈতিক দলিলই নয়, জাতির সাংস্কৃতিক পরিচয় প্রকাশের একটি সম্ভাবনাও তৈরি করে। বঙ্গবন্ধু ৭১-এর ৭ মার্চ যে ভাষণ দিয়েছিলেন ইতিহাসে তার তুলনা খুঁজে পাওয়া যায় না। এই ভাষণ স্বাধীনতার সংগ্রামের বীজমন্ত্র হয়ে পড়ে।বঙ্গবন্ধু জন্ম মার্চ মাসে। এ মাসেই তিনি স্বাধীনতার ঘোষনা দিয়ে সংগ্রামের আহ্বান জানিয়েছেন। বঙ্গবন্ধু ও স্বাধীন বাংলাদেশের রক্তের অচ্ছেদ্য বন্ধন সৃষ্টি করেছে এই মার্চ মাস। বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের পাঁচ দশক আগে ১৯২০ সালের মার্চ মাসের ১৭ তারিখ তৎকালীন ফরিদপুর জেলার গোপালগঞ্জ মহকুমার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে বঙ্গবন্ধু জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তার বয়স যখন ৫১ বছর পূর্ণ হয়েছিল, তখন ১৯৭১ সালের ৭ ও ২৬ মার্চ জাতীয় জীবনে সর্বাধিক আকাঙ্খিত মুক্তি ও স্বাধীনতা সংগ্রামের নিমিত্তে ‘প্রত্যেক ঘরে ঘরে দূর্গ গড়ে তোলা এবং যার যা কিছু আছে তাই নিয়ে শত্রুর মোকাবেলা করার জন্য বঙ্গবন্ধু আহ্বান জানিয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধুর নিজের জীবনের এবং বাংলাদেশের জাতীয় জীবনের গতি-প্রকৃতি পরিবর্তনকারী ঐতিহাসিক মূহুর্ত আবির্ভূত হয়েছিল ১৯৭১ এ। ১৯৭১ সালের বছরটি প্রকৃতপক্ষে বাঙালি জাতির ঐতিহাসিক বছর হিসেবে গণ্য হয়ে থাকে। বঙ্গবন্ধুর জন্মের পঞ্চাশ বছর পর তার জন্মভূমি বাংলাদেশের ইতিহাসের গতি-প্রকৃতির পুরোটাই তার নেতৃত্বে ও নির্দেশনায় নির্ধারিত হয়েছে। ১৯৭১ এর মার্চ মাসের ঘটনাবলী তার জ্বলন্ত উদাহরণ। ভালোবাসার এক অকৃত্রিম ও অদৃশ্য গ্রন্থি বঙ্গবন্ধু বাঙালি জাতির মধ্যে এক অচ্ছেদ্য বন্ধন সৃষ্টি করেছিল। তাইতো তিনি বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা হিসেবে সকলের হৃদয়ে পেয়েছিলেন। সংগ্রামী বাঙালি জাতির হৃদয়ের স্পন্দন তিনি উপলব্ধি করতে পেরেছিলেন। তাই তার আহ্বানে সাড়া দিয়ে বাঙালিরা মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধে পরাজিত শক্তি সপরিবারে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মাধ্যমে তাদের পরাজয়ের প্রতিশোধ নিয়েছিল। লেখক : উপদেষ্টা সম্পাদক, দৈনিক সূর্যোদয়