সূর্যোদয় ডেস্ক : || : দিল্লী বিমানবন্দরে দুই ঘণ্টা বসিয়ে রেখে ‘হয়রানির’ প্রতিবাদ হিসেবে ভারতে প্রবেশ না করে দেশে ফিরেছেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (১৬ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা এ কথা বলেন। ভারত এ ঘটনায় সতর্ক হবে, তবে ঘটনাটি দুই দেশের সম্পর্কে প্রভাব ফেলবে না বলেও জানিয়েছেন উপদেষ্টা। গত ১৪ জুন রোববার দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমানকে প্রায় আড়াই ঘণ্টা অপেক্ষায় রাখা হয়। তিনি ভারত মহাসাগরীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা জোট আইওআরের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের দুই দিনের বৈঠকে যোগ দিতে গিয়েছিলেন। শুরুতে ভারতে প্রবেশের অনুমতিও দেওয়া হয়নি। উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমানের দিল্লি সফরের বিষয়টি অন্তত দুই দিন আগেই ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছিল বাংলাদেশ। পরে উচ্চপর্যায়ের নির্দেশে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হলেও তিনি তা প্রত্যাখ্যান করে ঢাকায় ফিরে আসেন। দিল্লি বিমানবন্দরে ঘটনার বিষয় দৃষ্টি আকর্ষণ করলে উপদেষ্টা বলেন, পত্র-পত্রিকায় যা যা দেখছেন, নানা সূত্র থেকে বাংলাদেশ ও ইন্ডিয়ার মিডিয়াতে যা যা এসেছে, আসলে ঘটনাগুলো ঠিক এই রকমই ঘটেছে। আমি আমার জায়গা থেকে খুব অল্প একটা কথা বলি। আমি সেখানে একটা ব্যক্তি হিসেবে যাইনি। আমি এই সরকারের একজন প্রতিনিধি হিসেবে গিয়েছি, এই রাষ্ট্রের একজন প্রতিনিধি হিসেবে গিয়েছি। ফলে আমার সঙ্গে সেখানে যা হয়েছে, আমার কাছে মনে হলো যে আমাদের ইনস্ট্যান্ট একটা প্রতিবাদ করা দরকার। সেই কারণেই আমি আসলে ব্যাক করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তিনি বলেন, এই সরকারের প্রধানমন্ত্রীর একজন উপদেষ্টা হিসেবে, তখন আমার মনে হয়েছে এই রাষ্ট্র বা সরকারের পক্ষ থেকে একটা সিগনেচার থাকা দরকার। আমার কখনো এই উদ্দেশ্য নেই যে এটার মাধ্যমে পাল্টা-পাল্টি কোনো নেগেটিভ পরিস্থিতি তৈরি হোক। আমার মনে হয়েছে একটা মেসেজ এই দেশ ও এই দেশের বাইরে সবার কাছে যাওয়া দরকার, সেটা হচ্ছে এটা শেখ হাসিনার সরকার না। এটা জনগণের ম্যান্ডেটপ্রাপ্ত একটা সরকার। এ ঘটনা দু-দেশের সম্পর্কে চাপ তৈরি করবে কি না- এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি এটা চাপ তৈরি করা কোনোভাবেই উচিত না। আমাকে যদি বলেন, আমি অলরেডি বলেছি যে এখানে একটা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, সেটার একটা ইনস্ট্যান্ট রিঅ্যাকশন হিসেবে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে, সরকারের পক্ষ থেকে আমি এ পদক্ষেপ নিয়েছি। এটা আমি মনে করি আমাদের জায়গা থেকে এর পরবর্তীতে যা যা হচ্ছে, এখন আমরা আর কি করব না করব, সেই ব্যাপারে আমি আসলে বলব না, বলছি না। কারণ এটা আপনারা অলরেডি দেখেছেন আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে এটা চলে গেছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যা যা করণীয় করছে।
০৬:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:




















