০৪:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রামে পাঁচ বছরের শিশু আয়াত হত্যা মামলার আসামির আবিরের মৃত্যুদণ্ড

  • আপডেট: ০৩:৪১:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬
  • 5

চট্টগ্রাম ব্যুরো : চট্টগ্রামে পাঁচ বছর বয়সী শিশু আলিনা ইসলাম আয়াত হত্যা মামলার আসামি আবির আলীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার ১৭ জুন চট্টগ্রামের ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মুহাম্মদ আলী আক্কাস এ রায় ঘোষণা করেন। আদালত সুত্রে জানাগেছে, চট্টগ্রাম নগরের ইপিজেড থানাধীন বন্দরটিলা এলাকার বাসিন্দা সোহেল রানার মেয়ে আলিনা ইসলাম আয়াত ২০২২ সালের ১৪ নভেম্বর চট্টগ্রাম নগরের ইপিজেড থানার নয়ারহাট এলাকায় বাড়ির পাশের মসজিদে আরবি পড়তে যাওয়ার সময় নিখোঁজ হয়। এ ঘটনায় ইপিজেড থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে পরিবারের আবেদনে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ছায়া তদন্ত শুরু করে। তদন্তে উঠে আসে, আয়াতকে অপহরণ ও হত্যার ঘটনায় জড়িত ছিলেন তাদের বাসার ভাড়াটে মো. আবির। ২৫ নভেম্বর তাকে গ্রেপ্তারের পর আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে তিনি হত্যার কথা স্বীকার করেন। পিবিআই সূত্র জানায়, মুক্তিপণ আদায়ের উদ্দেশ্যে আয়াতকে অপহরণ করা হয়েছিল।পরে পরিকল্পনা ভেস্তে গেলে তাকে হত্যা করা হয়। হত্যার পর মরদেহ ছয় টুকরো করে শিশু আলিনা ইসলাম আয়াতের খণ্ডিত মরদেহ সাগরপাড় ও খালের পাশে ফেলে দেওয়া হয়। ঘটনার ১৬ দিন পর, ২০২২ সালের ৩০ নভেম্বর আউটার রিং রোডের আকমল আলী ঘাটসংলগ্ন সুইচ গেট এলাকার একটি গর্ত থেকে শিশুটির দুই পা উদ্ধার করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। পরদিন একই এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয় খণ্ডিত মাথা। জানা যায়, পরে তদন্তে বেরিয়ে আসে, মুক্তিপণের উদ্দেশ্যে প্রতিবেশী আবীর আলী তাকে অপহরণ করে। তদন্ত শেষে ২০২৩ সালের ১০ অক্টোবর পিবিআইয়ের তৎকালীন পরিদর্শক মনোজ দে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। এতে মো. আবির ও তার ১৭ বছর বয়সী এক বন্ধুকে আসামি করা হয়। অন্য আসামি কিশোর হওয়ায় তার বিচার চলছে শিশু আদালতে।

সর্বাধিক পঠিত

শ্রীমঙ্গলে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

চট্টগ্রামে পাঁচ বছরের শিশু আয়াত হত্যা মামলার আসামির আবিরের মৃত্যুদণ্ড

আপডেট: ০৩:৪১:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

চট্টগ্রাম ব্যুরো : চট্টগ্রামে পাঁচ বছর বয়সী শিশু আলিনা ইসলাম আয়াত হত্যা মামলার আসামি আবির আলীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার ১৭ জুন চট্টগ্রামের ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মুহাম্মদ আলী আক্কাস এ রায় ঘোষণা করেন। আদালত সুত্রে জানাগেছে, চট্টগ্রাম নগরের ইপিজেড থানাধীন বন্দরটিলা এলাকার বাসিন্দা সোহেল রানার মেয়ে আলিনা ইসলাম আয়াত ২০২২ সালের ১৪ নভেম্বর চট্টগ্রাম নগরের ইপিজেড থানার নয়ারহাট এলাকায় বাড়ির পাশের মসজিদে আরবি পড়তে যাওয়ার সময় নিখোঁজ হয়। এ ঘটনায় ইপিজেড থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে পরিবারের আবেদনে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ছায়া তদন্ত শুরু করে। তদন্তে উঠে আসে, আয়াতকে অপহরণ ও হত্যার ঘটনায় জড়িত ছিলেন তাদের বাসার ভাড়াটে মো. আবির। ২৫ নভেম্বর তাকে গ্রেপ্তারের পর আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে তিনি হত্যার কথা স্বীকার করেন। পিবিআই সূত্র জানায়, মুক্তিপণ আদায়ের উদ্দেশ্যে আয়াতকে অপহরণ করা হয়েছিল।পরে পরিকল্পনা ভেস্তে গেলে তাকে হত্যা করা হয়। হত্যার পর মরদেহ ছয় টুকরো করে শিশু আলিনা ইসলাম আয়াতের খণ্ডিত মরদেহ সাগরপাড় ও খালের পাশে ফেলে দেওয়া হয়। ঘটনার ১৬ দিন পর, ২০২২ সালের ৩০ নভেম্বর আউটার রিং রোডের আকমল আলী ঘাটসংলগ্ন সুইচ গেট এলাকার একটি গর্ত থেকে শিশুটির দুই পা উদ্ধার করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। পরদিন একই এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয় খণ্ডিত মাথা। জানা যায়, পরে তদন্তে বেরিয়ে আসে, মুক্তিপণের উদ্দেশ্যে প্রতিবেশী আবীর আলী তাকে অপহরণ করে। তদন্ত শেষে ২০২৩ সালের ১০ অক্টোবর পিবিআইয়ের তৎকালীন পরিদর্শক মনোজ দে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। এতে মো. আবির ও তার ১৭ বছর বয়সী এক বন্ধুকে আসামি করা হয়। অন্য আসামি কিশোর হওয়ায় তার বিচার চলছে শিশু আদালতে।