০৫:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মোহাম্মদপুরেবৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ককে কুপিয়ে আহত

  • আপডেট: ১০:৪৮:০২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • 15

সূর্যোদয় ডেস্ক : রাজধানীর মোহাম্মদপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ‘সমন্বয়ক মো. ইব্রাহীমকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়েছে। রোববার রাত ১০টার দিকের এ ঘটনায় আহত মো. ইব্রাহীমকে প্রথমে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে তাকে জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে (পঙ্গু হাসপাতালে) পাঠানো হয়। মোহাম্মদপুর থানার পুলিশ বলছে, ওই এলাকার একটি আওয়ামী লীগ অফিসের সামনের জায়গায় দোকান বসানো নিয়ে স্থানীয়দের সাথে দ্বন্দ্বে হামলার এ ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানাগেছে। অপরদিকে আহতের বন্ধু ও স্বজনদের দাবি, জুলাই আন্দোলনের মামলার স্বাক্ষী ইব্রাহীম। হামলার সময় ইব্রাহীমের সঙ্গে ছিলেন আরিফ আহমেদ নামে এক স্কুল শিক্ষক। তিনি আহত ইব্রাহীমকে পঙ্গু হাসপাতালে নিয়ে আসেন। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, তারাহবির নামাজের পর ময়ুর ভিলার সামনে একটি দোকানে চা পান করতে বসেছিলাম দুজন মিলে। এসময় চারজন এসে এলোপাতাড়ি কোপানো শুরু করে। চারজনেরই মুখে গামছা বাঁধা ছিল। তার হাতে গুরুতর আঘাত লেগেছে, মাথাতেও আঘাত আছে। তার প্রচুর রক্ত গেছে। ইব্রাহীম জুলাই হত্যা মামলার স্বাক্ষী। অনেকদিন ধরেই তাকে হুমদি দিচ্ছে। জেলের ভেতরে থাকা আসামিও হুমকি দিয়েছে। এ কারণে সে বাসা থেকে খুব বেশি বের হত না। এসব কারণে তাকে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। তবে পুলিশ বলছে ভিন্ন কথা। ঢাকা মহানগর পুলিশের মোহাম্মদপুর জোনের সহকারী কমিশনার আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ময়ুর ভিলা এলাকায় একটি পরিত্যাক্ত আওয়ামী লীগ অফিস বা এর সামনের জায়গায় দোকান বসানো নিয়ে দ্বন্দ্ব ছিল। সেই দ্বন্দ্ব থেকে এই হামলা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে কারা কুপিয়েছে তা এখনো জানা যায়নি। এদিকে গুরুতর আহত অবস্থায় ইব্রাহিমকে প্রথমে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর অবস্থার গুরুতর হওয়ায় চিকিৎসকরা তাকে জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে (পঙ্গু হাসপাতাল) স্থানান্তরের পরামর্শ দেন। বর্তমানে সেখানে তার চিকিৎসা চলছে। তার শরীরে একাধিক গভীর ক্ষত রয়েছে বলে জানা গেছে।

সর্বাধিক পঠিত

উত্তর বাড্ডায় নির্মাণাধীন ভবনের দেয়ালচাপায় ঝরল প্রাণ দুই শিশুর

মোহাম্মদপুরেবৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ককে কুপিয়ে আহত

আপডেট: ১০:৪৮:০২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সূর্যোদয় ডেস্ক : রাজধানীর মোহাম্মদপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ‘সমন্বয়ক মো. ইব্রাহীমকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়েছে। রোববার রাত ১০টার দিকের এ ঘটনায় আহত মো. ইব্রাহীমকে প্রথমে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে তাকে জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে (পঙ্গু হাসপাতালে) পাঠানো হয়। মোহাম্মদপুর থানার পুলিশ বলছে, ওই এলাকার একটি আওয়ামী লীগ অফিসের সামনের জায়গায় দোকান বসানো নিয়ে স্থানীয়দের সাথে দ্বন্দ্বে হামলার এ ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানাগেছে। অপরদিকে আহতের বন্ধু ও স্বজনদের দাবি, জুলাই আন্দোলনের মামলার স্বাক্ষী ইব্রাহীম। হামলার সময় ইব্রাহীমের সঙ্গে ছিলেন আরিফ আহমেদ নামে এক স্কুল শিক্ষক। তিনি আহত ইব্রাহীমকে পঙ্গু হাসপাতালে নিয়ে আসেন। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, তারাহবির নামাজের পর ময়ুর ভিলার সামনে একটি দোকানে চা পান করতে বসেছিলাম দুজন মিলে। এসময় চারজন এসে এলোপাতাড়ি কোপানো শুরু করে। চারজনেরই মুখে গামছা বাঁধা ছিল। তার হাতে গুরুতর আঘাত লেগেছে, মাথাতেও আঘাত আছে। তার প্রচুর রক্ত গেছে। ইব্রাহীম জুলাই হত্যা মামলার স্বাক্ষী। অনেকদিন ধরেই তাকে হুমদি দিচ্ছে। জেলের ভেতরে থাকা আসামিও হুমকি দিয়েছে। এ কারণে সে বাসা থেকে খুব বেশি বের হত না। এসব কারণে তাকে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। তবে পুলিশ বলছে ভিন্ন কথা। ঢাকা মহানগর পুলিশের মোহাম্মদপুর জোনের সহকারী কমিশনার আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ময়ুর ভিলা এলাকায় একটি পরিত্যাক্ত আওয়ামী লীগ অফিস বা এর সামনের জায়গায় দোকান বসানো নিয়ে দ্বন্দ্ব ছিল। সেই দ্বন্দ্ব থেকে এই হামলা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে কারা কুপিয়েছে তা এখনো জানা যায়নি। এদিকে গুরুতর আহত অবস্থায় ইব্রাহিমকে প্রথমে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর অবস্থার গুরুতর হওয়ায় চিকিৎসকরা তাকে জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে (পঙ্গু হাসপাতাল) স্থানান্তরের পরামর্শ দেন। বর্তমানে সেখানে তার চিকিৎসা চলছে। তার শরীরে একাধিক গভীর ক্ষত রয়েছে বলে জানা গেছে।