০৬:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নারায়ণহাট ইউপি’র বিতর্কিত চেয়ারম্যান আবু জাফর মাহমুদ গ্রেফতার

  • আপডেট: ০৫:৩৮:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬
  • 40

চট্টগ্রাম ব্যুরো : দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা প্রকল্পের অর্থ আত্মসাতের মামলায় চট্টগ্রামের বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদাল বুধবার (২১ জানুয়ারি) চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির নারায়ণহাট ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আবু জাফর মাহমুদ চৌধুরীসহ আট আসামি মামলার প্রথম তারিখে আত্মসমর্পণ করতে আসলে মামলার গুরুত্ব ও আত্মসাতের অভিযোগ বিবেচনায় নিয়ে চট্টগ্রামের বিভাগীয় স্পেশাল জজ মিজানুর রহমানের আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। আসামিদের মধ্যে একজন নারীও রয়েছেন বলে জানা গেছে। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার নারায়ণহাট ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আবু জাফর মাহমুদ চৌধুরীসহ আটজনের বিরুদ্ধে কোনো কাজ না করেই ছয়টি উন্নয়ন প্রকল্পের সরকারি বরাদ্দের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে মামলা করা হয়। এসব প্রকল্প ছিল সেতু ও সড়ক সংস্কার সংক্রান্ত। পাশাপাশি চেয়ারম্যান দোকান ভাড়ার অর্থও আত্মসাৎ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-২-এর উপসহকারী পরিচালক মুহাম্মদ জাফর সাদেক শিবলী বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলার অন্য আসামিরা হলেন, নারায়ণহাট ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সচিব সুধীর কুমার পাল, মো. গিয়াস উদ্দিন ও মো. শাহাদাত হোসেন চৌধুরী; ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স তৈয়ব এন্টারপ্রাইজের প্রোপ্রাইটর মো. তৈয়ব; মেসার্স এম কে এন্টারপ্রাইজের প্রোপ্রাইটর মোজাফ্ফর কামাল চৌধুরী; মেসার্স আর এন এন্টারপ্রাইজের প্রোপ্রাইটর মো. রফিকুল ইসলাম এবং মেসার্স হাজি আহমদ হোসেন মীর এন্টারপ্রাইজের প্রোপ্রাইটর মো. আবু তাহের এজাহার সূত্রে জানা যায়, চেয়ারম্যান, সচিব ও ঠিকাদাররা পরস্পরের যোগসাজশে ছয়টি প্রকল্পের আওতায় ৭ লাখ ২৫ হাজার ৪৬৭ টাকা এবং চেয়ারম্যান দোকান ভাড়া বাবদ আরও ৪ লাখ ৯২ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেন। দুদকের দায়ের করা মামলায় অবৈধ সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে দীর্ঘদিন ধরে তিনি তদন্তের আওতায় ছিলেন। উল্লেখ্য, আবু জাফর মাহমুদ আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং ওই সময় স্থানীয় পর্যায়ে নানা বিতর্ক ও অভিযোগের জন্ম দেন। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তিনি আত্মগোপনে চলে যান। সাম্প্রতিক সময়ে তাকে বিএনপি সমর্থিত সদ্য গঠিত একটি নাগরিক কমিটির সেক্রেটারি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে দেখা গেলে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। গ্রেফতারের খবরে নারায়ণহাটসহ আশপাশের এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের একটি অংশ অভিযোগ করেছেন, দীর্ঘদিন ধরে দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহার করেও তিনি ধরাছোঁয়ার বাইরে ছিলেন।

ফটিকছড়ির দাঁতমারা রাবার বাগানের স্টাফ ইউনুছ অসুস্থ, সিএমএইচে চিকিৎসাধীন

নারায়ণহাট ইউপি’র বিতর্কিত চেয়ারম্যান আবু জাফর মাহমুদ গ্রেফতার

আপডেট: ০৫:৩৮:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

চট্টগ্রাম ব্যুরো : দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা প্রকল্পের অর্থ আত্মসাতের মামলায় চট্টগ্রামের বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদাল বুধবার (২১ জানুয়ারি) চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির নারায়ণহাট ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আবু জাফর মাহমুদ চৌধুরীসহ আট আসামি মামলার প্রথম তারিখে আত্মসমর্পণ করতে আসলে মামলার গুরুত্ব ও আত্মসাতের অভিযোগ বিবেচনায় নিয়ে চট্টগ্রামের বিভাগীয় স্পেশাল জজ মিজানুর রহমানের আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। আসামিদের মধ্যে একজন নারীও রয়েছেন বলে জানা গেছে। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার নারায়ণহাট ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আবু জাফর মাহমুদ চৌধুরীসহ আটজনের বিরুদ্ধে কোনো কাজ না করেই ছয়টি উন্নয়ন প্রকল্পের সরকারি বরাদ্দের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে মামলা করা হয়। এসব প্রকল্প ছিল সেতু ও সড়ক সংস্কার সংক্রান্ত। পাশাপাশি চেয়ারম্যান দোকান ভাড়ার অর্থও আত্মসাৎ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-২-এর উপসহকারী পরিচালক মুহাম্মদ জাফর সাদেক শিবলী বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলার অন্য আসামিরা হলেন, নারায়ণহাট ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সচিব সুধীর কুমার পাল, মো. গিয়াস উদ্দিন ও মো. শাহাদাত হোসেন চৌধুরী; ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স তৈয়ব এন্টারপ্রাইজের প্রোপ্রাইটর মো. তৈয়ব; মেসার্স এম কে এন্টারপ্রাইজের প্রোপ্রাইটর মোজাফ্ফর কামাল চৌধুরী; মেসার্স আর এন এন্টারপ্রাইজের প্রোপ্রাইটর মো. রফিকুল ইসলাম এবং মেসার্স হাজি আহমদ হোসেন মীর এন্টারপ্রাইজের প্রোপ্রাইটর মো. আবু তাহের এজাহার সূত্রে জানা যায়, চেয়ারম্যান, সচিব ও ঠিকাদাররা পরস্পরের যোগসাজশে ছয়টি প্রকল্পের আওতায় ৭ লাখ ২৫ হাজার ৪৬৭ টাকা এবং চেয়ারম্যান দোকান ভাড়া বাবদ আরও ৪ লাখ ৯২ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেন। দুদকের দায়ের করা মামলায় অবৈধ সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে দীর্ঘদিন ধরে তিনি তদন্তের আওতায় ছিলেন। উল্লেখ্য, আবু জাফর মাহমুদ আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং ওই সময় স্থানীয় পর্যায়ে নানা বিতর্ক ও অভিযোগের জন্ম দেন। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তিনি আত্মগোপনে চলে যান। সাম্প্রতিক সময়ে তাকে বিএনপি সমর্থিত সদ্য গঠিত একটি নাগরিক কমিটির সেক্রেটারি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে দেখা গেলে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। গ্রেফতারের খবরে নারায়ণহাটসহ আশপাশের এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের একটি অংশ অভিযোগ করেছেন, দীর্ঘদিন ধরে দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহার করেও তিনি ধরাছোঁয়ার বাইরে ছিলেন।