০৯:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬, ১৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দণ্ড থেকে খালাস পেলেন খাগড়াছড়ির ওয়াদুদ ভূইয়া

  • আপডেট: ০৪:১৬:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ অগাস্ট ২০২৫
  • 59

আদালত প্রতিবেদক : সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের মামলায় ২০ বছরের দণ্ডের বিরুদ্ধে বিএনপির খাগড়াছড়ি জেলা সভাপতি আব্দুল ওয়াদুদ ভূইয়ার আপিল মঞ্জুর করেছেন হাইকোর্ট। রোববার (১০ আগস্ট) তার আপিল মঞ্জুর করে বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান ও বিচারপতি মো. সগীর হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ তাকে খালাস দেন। আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী ও এস এম শাহজাহান, আইনজীবী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ও আইনজীবী মাকসুদ উল্লাহ। ২০০৭ সালের ৩ মার্চ এ মামলায় করা হয়। একই বছরের ৬ জুন চার্জশিট দেওয়া হয়। ২২ জুলাই রায় দেওয়া হয়। রায়ে তিন ধারায় মোট ২০ বছর দণ্ড (৩ বছর, ১০ বছর ও ৭ বছর) দেওয়া হয়। জ্ঞাত বহির্ভুত ছয় কোটি ৩৬ লাখ ২৯ হাজার ৩৫৪ টাকার সম্পদ অর্জন ও দুদকে সম্পদের তথ্য গোপন করার অভিযোগে ওয়াদুদ ভূঁইয়াকে চট্টগ্রামের বিভাগীয় জজ আদালত ওই রায় দেন। একইসঙ্গে অবৈধভাবে অর্জিত টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার আদেশ দেওয়া হয়। এরপর তিনি একই বছর হাইকোর্টে আপিল করেন। ওই আপিলের শুনানি শেষে রোববার রায় দেওয়া হয়। রায়ের পর ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, সম্পদের হিসাব বিবরণীর মামলা এটি। ১/১১ এর সময় বিএনপির নেতাদের গণহারে গ্রেপ্তার করে এ রকম মামলা দেওয়া হয়েছে। যেগুলো আইনসিদ্ধ ছিল না। আজকের এ রায়ের মাধ্যমে আব্দুল ওয়াদুদ ভূইয়ার বেকসুর খালাস পেয়েছেন।

সর্বাধিক পঠিত

সংসদের স্পিকারের স্ত্রী দিলারা হাফিজ মারা গেছেন

দণ্ড থেকে খালাস পেলেন খাগড়াছড়ির ওয়াদুদ ভূইয়া

আপডেট: ০৪:১৬:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ অগাস্ট ২০২৫

আদালত প্রতিবেদক : সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের মামলায় ২০ বছরের দণ্ডের বিরুদ্ধে বিএনপির খাগড়াছড়ি জেলা সভাপতি আব্দুল ওয়াদুদ ভূইয়ার আপিল মঞ্জুর করেছেন হাইকোর্ট। রোববার (১০ আগস্ট) তার আপিল মঞ্জুর করে বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান ও বিচারপতি মো. সগীর হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ তাকে খালাস দেন। আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী ও এস এম শাহজাহান, আইনজীবী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ও আইনজীবী মাকসুদ উল্লাহ। ২০০৭ সালের ৩ মার্চ এ মামলায় করা হয়। একই বছরের ৬ জুন চার্জশিট দেওয়া হয়। ২২ জুলাই রায় দেওয়া হয়। রায়ে তিন ধারায় মোট ২০ বছর দণ্ড (৩ বছর, ১০ বছর ও ৭ বছর) দেওয়া হয়। জ্ঞাত বহির্ভুত ছয় কোটি ৩৬ লাখ ২৯ হাজার ৩৫৪ টাকার সম্পদ অর্জন ও দুদকে সম্পদের তথ্য গোপন করার অভিযোগে ওয়াদুদ ভূঁইয়াকে চট্টগ্রামের বিভাগীয় জজ আদালত ওই রায় দেন। একইসঙ্গে অবৈধভাবে অর্জিত টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার আদেশ দেওয়া হয়। এরপর তিনি একই বছর হাইকোর্টে আপিল করেন। ওই আপিলের শুনানি শেষে রোববার রায় দেওয়া হয়। রায়ের পর ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, সম্পদের হিসাব বিবরণীর মামলা এটি। ১/১১ এর সময় বিএনপির নেতাদের গণহারে গ্রেপ্তার করে এ রকম মামলা দেওয়া হয়েছে। যেগুলো আইনসিদ্ধ ছিল না। আজকের এ রায়ের মাধ্যমে আব্দুল ওয়াদুদ ভূইয়ার বেকসুর খালাস পেয়েছেন।