সূর্যোদয় প্রতিবেদক : মধ্যরাতে ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়ার মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে শুরু হওয়া সংঘর্ষ গভীর রাতে থামলেও বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও নিউ মার্কেটসহ আশপাশের এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। নীলক্ষেত, নিউ মার্কেট ও পলাশীর বড় অংশজুড়ে গভীর রাতের দীর্ঘ একটা সময় বিদ্যুৎ না থাকার মধ্যে ক্যাম্পাসের আশপাশে ছড়িয়ে পড়া সংঘর্ষ চলাকালে সাউন্ড গ্রেনেড, টিয়ার সেল ও রাবার বুলেট ছোড়ার শব্দ ভীতি ছড়িয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের মুক্তি ও গণতন্ত্র তোরণ এলাকায় গতকাল ২৬ জানুয়ারি রোববার রাত ১১টা থেকে আড়াইটা পর্যন্ত সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হওয়ার খবর এসেছে। আহতদের মধ্যে রয়েছেন শামীম, রিপন, ইমতিয়াজ, মনিরুল, ইসমাইল, সাগর ও মাহিন। এমন অবস্থায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে অনিবার্যকারণবশত সোমবারের পরীক্ষা ও ক্লাস স্থগিত করেছে। এদিকে হঠাৎ ক্যাম্পাসে অনাকাঙ্ক্ষিত এ ঘটনায় আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খান। তিনি সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং অধিভুক্ত সরকারি সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান। রোববার গভীর রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে আজ ২৭ জানুয়ারি সোমবার সরকারি সাত কলেজের অধ্যক্ষদের সঙ্গে জরুরি সভা ডাকার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, সভায় শিক্ষার্থীদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করা হবে। যে সকল বিষয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতাধীন, সেগুলো আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। অপরদিকে দাবি আদায় এবং তাদের উপর হামলার প্রতিবাদে সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা সংবাদ সম্মেলনে করে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করবেন বলে জানিয়েছেন।
০৮:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:



















