০৯:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাঙ্গামাটির পথে পথে চলছে নিরাপত্তা বাহিনীর টহল

তপন তালুকদার, রাঙ্গামাটির থেকে : পাহাড়ি ও বাঙালিদের মধ্যে সংঘর্ষের পর রাঙ্গামাটিতে পথে পথে চলছে নিরাপত্তা বাহিনীর টহল। গতকাল ২০ সেপ্টেম্বর শুক্রবার দিনগত রাত থেকেই সেনা, বিজিবি এবং পুলিশের সদস্যরা সম্মিলিত টহল দিচ্ছেন। আজ ২১ সেপ্টেম্বর শনিবার সকাল থেকে রাঙ্গামাটি শহরের পরিস্থিতি একেবারেই শান্ত। এদিকে তিন পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবানে আজ শনিবার সকাল ৬টা থেকে ‘সিএইচটি ব্লকেড’ নামে সড়ক ও নৌপথ অবরোধ চলছে। ৭২ ঘণ্টার এই অবরোধের শুরুতেই তিন জেলায় দূরপাল্লার কোনো যানবাহন চলছে না। এতে ভোগান্তিতে পড়ছে সাধারণ মানুষ। অভ্যন্তরীন সড়কগুলোতে মোটরসাইকেলসহ ব্যক্তিগত গাড়ি চলছে। এছাড়াও সড়কে সেনা, বিজিবি ও পুলিশ সদস্যদের ব্যাপক উপস্থিত রয়েছে। চলমান পরিস্থিতি নিয়ে আলাপের জন্য আজ পার্বত্য চট্টগ্রামের চলমান পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠকে বসেছেন বর্তমান সরকারের তিন উপদেষ্টা। রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলা সফরে এসেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.), পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত উপদেষ্টা সাবেক রাষ্ট্রদূত (অব.) সুপ্রদীপ চাকমা এবং স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় উপদেষ্টা এ. এফ. হাসান আরিফ। তারা উদ্ভূত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময় করছেন। এর আগে খাগড়াছড়ির সহিংসতা ও মৃত্যুর ঘটনার পর সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে রাঙ্গামাটিতেও। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ১৪৪ ধারা জারি করেছে জেলা প্রশাসন। গত বুধবার খাগড়াছড়ির নিউজিল্যান্ড এলাকায় গণপিটুনিতে মামুন নামে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল বের করে দীঘিনালা ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থীরা। বিক্ষোভ মিছিলটি লারমা স্কয়ারের দিকে যাওয়ার সময় পাহাড়ীরা বাধা দিলে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। পরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে লারমা স্কয়ারে দোকানপাট ও বসত বাড়িতে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। এতে পুড়ে যায় অন্তত ৫০/৬০টি দোকান। নিহত হয় তিনজন।

সর্বাধিক পঠিত

দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানো হয়েছে ভরিতে ৫৪৮২ টাকা

রাঙ্গামাটির পথে পথে চলছে নিরাপত্তা বাহিনীর টহল

আপডেট: ০২:১৯:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৪

তপন তালুকদার, রাঙ্গামাটির থেকে : পাহাড়ি ও বাঙালিদের মধ্যে সংঘর্ষের পর রাঙ্গামাটিতে পথে পথে চলছে নিরাপত্তা বাহিনীর টহল। গতকাল ২০ সেপ্টেম্বর শুক্রবার দিনগত রাত থেকেই সেনা, বিজিবি এবং পুলিশের সদস্যরা সম্মিলিত টহল দিচ্ছেন। আজ ২১ সেপ্টেম্বর শনিবার সকাল থেকে রাঙ্গামাটি শহরের পরিস্থিতি একেবারেই শান্ত। এদিকে তিন পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবানে আজ শনিবার সকাল ৬টা থেকে ‘সিএইচটি ব্লকেড’ নামে সড়ক ও নৌপথ অবরোধ চলছে। ৭২ ঘণ্টার এই অবরোধের শুরুতেই তিন জেলায় দূরপাল্লার কোনো যানবাহন চলছে না। এতে ভোগান্তিতে পড়ছে সাধারণ মানুষ। অভ্যন্তরীন সড়কগুলোতে মোটরসাইকেলসহ ব্যক্তিগত গাড়ি চলছে। এছাড়াও সড়কে সেনা, বিজিবি ও পুলিশ সদস্যদের ব্যাপক উপস্থিত রয়েছে। চলমান পরিস্থিতি নিয়ে আলাপের জন্য আজ পার্বত্য চট্টগ্রামের চলমান পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠকে বসেছেন বর্তমান সরকারের তিন উপদেষ্টা। রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলা সফরে এসেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.), পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত উপদেষ্টা সাবেক রাষ্ট্রদূত (অব.) সুপ্রদীপ চাকমা এবং স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় উপদেষ্টা এ. এফ. হাসান আরিফ। তারা উদ্ভূত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময় করছেন। এর আগে খাগড়াছড়ির সহিংসতা ও মৃত্যুর ঘটনার পর সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে রাঙ্গামাটিতেও। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ১৪৪ ধারা জারি করেছে জেলা প্রশাসন। গত বুধবার খাগড়াছড়ির নিউজিল্যান্ড এলাকায় গণপিটুনিতে মামুন নামে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল বের করে দীঘিনালা ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থীরা। বিক্ষোভ মিছিলটি লারমা স্কয়ারের দিকে যাওয়ার সময় পাহাড়ীরা বাধা দিলে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। পরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে লারমা স্কয়ারে দোকানপাট ও বসত বাড়িতে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। এতে পুড়ে যায় অন্তত ৫০/৬০টি দোকান। নিহত হয় তিনজন।