১১:১৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচিতে রাজধানীর সড়কে নেই গণপরিবহন

মো.মোতাহার আলী: চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলনে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ডাকে সারা দেশে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি পালন করছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। এতে রাজধানীর সড়কে চলছে না কোনো গণপরিবহন। আজ ১৮ জুলাই বৃহস্পতিবার রাজধানীর ফার্মগেট, কারওয়ান বাজার, শাহবাগ, জাতীয় প্রেসক্লাব, পল্টন, নয়াপল্টনে চলছে না কোনো গণপরিবহন। সকাল থেকেই রাজধানীতে বিআরটিসির কিছু বাস ও মেট্রোরেল ছাড়া গণপরিবহন নেই বলা চলে। তবে রিকশা-সিএনজির দাপট দেখা গেছে নগর জুড়ে। এই অবস্থায় যাত্রীদের থেকে বাড়তি বাড়া আদায় করছেন রিকশা ও সিএনজি চালকরা। তবে নগরীবাসীকে নিয়মিত সেবা দিয়ে যাচ্ছে বিআরটিসি ও মেট্রোরেল। অন্যদিকে শাহবাগ-ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে। শাহবাগ থানার সামনে পুলিশি ব্যারিকেড বসানো হয়েছে। সব ধরণের যানবাহন, এমনকি রিকশা-মোটরসাইকেল চলাচলও বন্ধ রয়েছে। তবে শাহবাগ থেকে ঢাকা মেডিকেলগামী যাত্রীরা যাতায়াত করতে পারছেন মেডিকেল সংক্রান্ত কাগজপত্র দেখিয়ে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-টিএসসি এলাকায় ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচির পক্ষে আন্দোলনকারীদের দেখা যায়নি। বিজিবি-পুলিশ-আনসার সদস্যরা সব জায়গায় সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। পল্টন-কাকরাইল এলাকায় যানবাহন তেমন চোখে পড়েনি। রিকশা-সিএনজি চলাচল বেশি দেখা গেছে। পল্টন এলাকায় বিপুলসংখ্যক পুলিশের উপস্থিতি দেখা গেছে। সেখানে পুলিশের সাঁজোয়া যান প্রস্তুত রাখা হয়েছে। মিরপুরের শেওড়াপাড়া থেকে ১০ নম্বরের গোলচক্কর পর্যন্ত অধিকাংশ মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ রয়েছে। নগরীর মোহাম্মদপুর-পল্টন এলাকার অধিকাংশ স্থানে দোকানপাট বন্ধ দেখা গেছে।

সর্বাধিক পঠিত

আজ শুক্রবার ১০ মহররম পবিত্র আশুরা

কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচিতে রাজধানীর সড়কে নেই গণপরিবহন

আপডেট: ১২:৪৯:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪

মো.মোতাহার আলী: চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলনে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ডাকে সারা দেশে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি পালন করছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। এতে রাজধানীর সড়কে চলছে না কোনো গণপরিবহন। আজ ১৮ জুলাই বৃহস্পতিবার রাজধানীর ফার্মগেট, কারওয়ান বাজার, শাহবাগ, জাতীয় প্রেসক্লাব, পল্টন, নয়াপল্টনে চলছে না কোনো গণপরিবহন। সকাল থেকেই রাজধানীতে বিআরটিসির কিছু বাস ও মেট্রোরেল ছাড়া গণপরিবহন নেই বলা চলে। তবে রিকশা-সিএনজির দাপট দেখা গেছে নগর জুড়ে। এই অবস্থায় যাত্রীদের থেকে বাড়তি বাড়া আদায় করছেন রিকশা ও সিএনজি চালকরা। তবে নগরীবাসীকে নিয়মিত সেবা দিয়ে যাচ্ছে বিআরটিসি ও মেট্রোরেল। অন্যদিকে শাহবাগ-ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে। শাহবাগ থানার সামনে পুলিশি ব্যারিকেড বসানো হয়েছে। সব ধরণের যানবাহন, এমনকি রিকশা-মোটরসাইকেল চলাচলও বন্ধ রয়েছে। তবে শাহবাগ থেকে ঢাকা মেডিকেলগামী যাত্রীরা যাতায়াত করতে পারছেন মেডিকেল সংক্রান্ত কাগজপত্র দেখিয়ে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-টিএসসি এলাকায় ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচির পক্ষে আন্দোলনকারীদের দেখা যায়নি। বিজিবি-পুলিশ-আনসার সদস্যরা সব জায়গায় সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। পল্টন-কাকরাইল এলাকায় যানবাহন তেমন চোখে পড়েনি। রিকশা-সিএনজি চলাচল বেশি দেখা গেছে। পল্টন এলাকায় বিপুলসংখ্যক পুলিশের উপস্থিতি দেখা গেছে। সেখানে পুলিশের সাঁজোয়া যান প্রস্তুত রাখা হয়েছে। মিরপুরের শেওড়াপাড়া থেকে ১০ নম্বরের গোলচক্কর পর্যন্ত অধিকাংশ মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ রয়েছে। নগরীর মোহাম্মদপুর-পল্টন এলাকার অধিকাংশ স্থানে দোকানপাট বন্ধ দেখা গেছে।