১১:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফিলিস্তিনের গাজা ভূখণ্ডে ইসরায়েলি হামলায় আরও ৬২ ফিলিস্তিনি নিহত

  • আপডেট: ১০:৩২:০৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মার্চ ২০২৪
  • 182

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডে ইসরায়েলি হামলায় আরও ৬২ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এতে করে নিহতের মোট সংখ্যা পৌঁছেছে ৩২ হাজার ৫৫২ জনে। এছাড়া গত অক্টোবর থেকে চলা এই হামলায় আহত হয়েছেন আরও প্রায় ৭৫ হাজার ফিলিস্তিনি।

গতকাল ২৮ মার্চ বৃহস্পতিবার চীনের রাষ্ট্রীয় বার্তাসংস্থা সিনহুয়া এক বলা হয়েছে, গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি আগ্রাসনে নিহত ফিলিস্তিনিদের সংখ্যা বেড়ে ৩২ হাজার ৫৫২ জনে পৌঁছেছে বলে অবরুদ্ধ এই ভূখণ্ডটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বৃহস্পতিবার এক প্রেস বিবৃতিতে জানিয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর হামলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ৬২ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন এবং আরও ৯১ জন আহত হয়েছেন। মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুসারে, এর ফলে গত বছরের অক্টোবর থেকে গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের মারাত্মক আক্রমণে নিহত ফিলিস্তিনিদের সংখ্যা ৩২ হাজার ৫৫২ জনে পৌঁছেছে।

একই সময়ে অন্তত ৭৪ হাজার ৯৮০ জন ফিলিস্তিনি ইসরায়েলি হামলায় আহত হয়েছেন বলেও মন্ত্রণালয়ের এই বিবৃতিতে বলা হয়েছে। উল্লেখ্য, গত ৭ অক্টোবর হামাসের নজিরবিহীন আন্তঃসীমান্ত হামলার পর থেকে ইসরায়েল গাজা উপত্যকায় অবিরাম বিমান ও স্থল হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। ইসরায়েলি এই হামলায় হাসপাতাল, স্কুল, শরণার্থী শিবির, মসজিদ, গির্জাসহ হাজার হাজার ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে। এছাড়া ইসরায়েলি আগ্রাসনের কারণে প্রায় ২০ লাখেরও বেশি বাসিন্দা তাদের বাড়িঘর ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন। মূলত ইসরায়েলি আক্রমণ গাজাকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করেছে।

জাতিসংঘের মতে, ইসরায়েলের বর্বর আক্রমণের কারণে গাজার প্রায় ৮৫ শতাংশ ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। আর খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি এবং ওষুধের তীব্র সংকটের মধ্যে গাজার সকলেই এখন খাদ্য নিরাপত্তাহীন অবস্থার মধ্যে রয়েছেন। এছাড়া অবরুদ্ধ এই ভূখণ্ডের ৬০ শতাংশ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে। হাজার হাজার মানুষ কোনও ধরনের আশ্রয় ছাড়াই বসবাস করছে এবং প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম ত্রাণবাহী ট্রাক এই অঞ্চলে প্রবেশ করছে।

গত সোমবার জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ পবিত্র রমজান মাসে গাজায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির দাবিতে একটি প্রস্তাব পাস করেছে। হামাস এই প্রস্তাবকে স্বাগত জানালেও, ইসরায়েল যুদ্ধবিরতির আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেছে।

সর্বাধিক পঠিত

ঢাকার উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গী

ফিলিস্তিনের গাজা ভূখণ্ডে ইসরায়েলি হামলায় আরও ৬২ ফিলিস্তিনি নিহত

আপডেট: ১০:৩২:০৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মার্চ ২০২৪

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডে ইসরায়েলি হামলায় আরও ৬২ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এতে করে নিহতের মোট সংখ্যা পৌঁছেছে ৩২ হাজার ৫৫২ জনে। এছাড়া গত অক্টোবর থেকে চলা এই হামলায় আহত হয়েছেন আরও প্রায় ৭৫ হাজার ফিলিস্তিনি।

গতকাল ২৮ মার্চ বৃহস্পতিবার চীনের রাষ্ট্রীয় বার্তাসংস্থা সিনহুয়া এক বলা হয়েছে, গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি আগ্রাসনে নিহত ফিলিস্তিনিদের সংখ্যা বেড়ে ৩২ হাজার ৫৫২ জনে পৌঁছেছে বলে অবরুদ্ধ এই ভূখণ্ডটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বৃহস্পতিবার এক প্রেস বিবৃতিতে জানিয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর হামলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ৬২ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন এবং আরও ৯১ জন আহত হয়েছেন। মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুসারে, এর ফলে গত বছরের অক্টোবর থেকে গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের মারাত্মক আক্রমণে নিহত ফিলিস্তিনিদের সংখ্যা ৩২ হাজার ৫৫২ জনে পৌঁছেছে।

একই সময়ে অন্তত ৭৪ হাজার ৯৮০ জন ফিলিস্তিনি ইসরায়েলি হামলায় আহত হয়েছেন বলেও মন্ত্রণালয়ের এই বিবৃতিতে বলা হয়েছে। উল্লেখ্য, গত ৭ অক্টোবর হামাসের নজিরবিহীন আন্তঃসীমান্ত হামলার পর থেকে ইসরায়েল গাজা উপত্যকায় অবিরাম বিমান ও স্থল হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। ইসরায়েলি এই হামলায় হাসপাতাল, স্কুল, শরণার্থী শিবির, মসজিদ, গির্জাসহ হাজার হাজার ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে। এছাড়া ইসরায়েলি আগ্রাসনের কারণে প্রায় ২০ লাখেরও বেশি বাসিন্দা তাদের বাড়িঘর ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন। মূলত ইসরায়েলি আক্রমণ গাজাকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করেছে।

জাতিসংঘের মতে, ইসরায়েলের বর্বর আক্রমণের কারণে গাজার প্রায় ৮৫ শতাংশ ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। আর খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি এবং ওষুধের তীব্র সংকটের মধ্যে গাজার সকলেই এখন খাদ্য নিরাপত্তাহীন অবস্থার মধ্যে রয়েছেন। এছাড়া অবরুদ্ধ এই ভূখণ্ডের ৬০ শতাংশ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে। হাজার হাজার মানুষ কোনও ধরনের আশ্রয় ছাড়াই বসবাস করছে এবং প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম ত্রাণবাহী ট্রাক এই অঞ্চলে প্রবেশ করছে।

গত সোমবার জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ পবিত্র রমজান মাসে গাজায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির দাবিতে একটি প্রস্তাব পাস করেছে। হামাস এই প্রস্তাবকে স্বাগত জানালেও, ইসরায়েল যুদ্ধবিরতির আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেছে।