১২:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রামের বাঁশখালীর পুকুরিয়া ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ৮ সদস্যের অনাস্থা

  • আপডেট: ১০:২৫:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মার্চ ২০২৪
  • 151

চট্টগ্রাম প্রতিবেদক: চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার ১নং পুকুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আসহাব উদ্দীনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ এনে ৮ জন ইউপি সদস্য অনাস্থ প্রস্তাব দিয়েছে। ৬ মার্চ বুধবার সকালে দ্রুত তাঁর অপসারণের দাবি জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর এ লিখিতভাবে অনাস্থা প্রস্তাব দিয়েছেন তারা।

প্রস্তাবকারীরা হলেন, ইউপি সদস্য মনির উদ্দীন, রয়ন জন্নাত, মোহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ, মোহাম্সদ ইউনুছ, হাবিবুর রহমান, আমজাদ হোসেন, মোহাম্মদ ফারুকুজ্জামান, মামুনুর রশীদ।

লিখিত অভিযোগ থেকে জানা যায়, চেয়ারম্যান আসহাব উদ্দীন বিরুদ্ধে নামে বেনামে বহিরাগতদের জন্ম নিবন্ধন সনদ প্রদান ও ভোটার হতে সহযোগীতা করা, আনুমানিক প্রায় ২৬০০ নতুন ভোটারের প্রতিজন থেকে ৬০০ টাকা হারে আনুমানিক ১৫ লাখ টাকা আত্মসাৎ, ৫নং ওয়ার্ডের ওমর আলী সড়কের ইট আত্মসাৎ, পরিষদের সদস্যদের না জানিয়ে বিভিন্ন নামে বেনামে প্রকল্প দিয়ে সরকারী অর্থ আত্মসাৎ করা, উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী হতে বরাদ্দকৃত সাবমার্সিবল পাম্প ইউপি সদস্যদের না জানিয়ে সরকারী নিয়ম না মেনে পছন্দের ব্যক্তিকে দিয়ে স্বজনপ্রীতি করা, ট্রেড লাইসেন্স, বিভিন্ন প্রত্যয়ন পত্র, বিভিন্ন ছাড়পত্র হতে আদায়কৃত অর্থ আত্মসাৎ করা, বিভিন্ন সভার স্বাক্ষর জাল করে রেজুলেশান করা, প্যানেল চেয়ারম্যান গঠন না করা, সদস্যদের না জানিয়ে বিভিন্ন কমিটি না করা, ইউনিয়ন উন্নয়ন ফান্ড তহবিল এর প্রকল্প টেন্ডার প্রক্রিয়া ছাড়া নিজের পছন্দের ঠিকাদারকে কাজ দিয়ে অর্থ আত্মসাৎ করা, ইউপি সদস্যদের সাথে অসধাচারণ ও গালিগালাজ করা, আবেদনের ছয় মাস পরেও যাবতীয় আয়-ব্যয় এর হিসাব না দেওয়ার অভিযোগ তোলা হয়।

সারাদেশে ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরও ১২ জনের মৃত্যু

চট্টগ্রামের বাঁশখালীর পুকুরিয়া ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ৮ সদস্যের অনাস্থা

আপডেট: ১০:২৫:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মার্চ ২০২৪

চট্টগ্রাম প্রতিবেদক: চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার ১নং পুকুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আসহাব উদ্দীনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ এনে ৮ জন ইউপি সদস্য অনাস্থ প্রস্তাব দিয়েছে। ৬ মার্চ বুধবার সকালে দ্রুত তাঁর অপসারণের দাবি জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর এ লিখিতভাবে অনাস্থা প্রস্তাব দিয়েছেন তারা।

প্রস্তাবকারীরা হলেন, ইউপি সদস্য মনির উদ্দীন, রয়ন জন্নাত, মোহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ, মোহাম্সদ ইউনুছ, হাবিবুর রহমান, আমজাদ হোসেন, মোহাম্মদ ফারুকুজ্জামান, মামুনুর রশীদ।

লিখিত অভিযোগ থেকে জানা যায়, চেয়ারম্যান আসহাব উদ্দীন বিরুদ্ধে নামে বেনামে বহিরাগতদের জন্ম নিবন্ধন সনদ প্রদান ও ভোটার হতে সহযোগীতা করা, আনুমানিক প্রায় ২৬০০ নতুন ভোটারের প্রতিজন থেকে ৬০০ টাকা হারে আনুমানিক ১৫ লাখ টাকা আত্মসাৎ, ৫নং ওয়ার্ডের ওমর আলী সড়কের ইট আত্মসাৎ, পরিষদের সদস্যদের না জানিয়ে বিভিন্ন নামে বেনামে প্রকল্প দিয়ে সরকারী অর্থ আত্মসাৎ করা, উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী হতে বরাদ্দকৃত সাবমার্সিবল পাম্প ইউপি সদস্যদের না জানিয়ে সরকারী নিয়ম না মেনে পছন্দের ব্যক্তিকে দিয়ে স্বজনপ্রীতি করা, ট্রেড লাইসেন্স, বিভিন্ন প্রত্যয়ন পত্র, বিভিন্ন ছাড়পত্র হতে আদায়কৃত অর্থ আত্মসাৎ করা, বিভিন্ন সভার স্বাক্ষর জাল করে রেজুলেশান করা, প্যানেল চেয়ারম্যান গঠন না করা, সদস্যদের না জানিয়ে বিভিন্ন কমিটি না করা, ইউনিয়ন উন্নয়ন ফান্ড তহবিল এর প্রকল্প টেন্ডার প্রক্রিয়া ছাড়া নিজের পছন্দের ঠিকাদারকে কাজ দিয়ে অর্থ আত্মসাৎ করা, ইউপি সদস্যদের সাথে অসধাচারণ ও গালিগালাজ করা, আবেদনের ছয় মাস পরেও যাবতীয় আয়-ব্যয় এর হিসাব না দেওয়ার অভিযোগ তোলা হয়।